Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

মংলায় দরিদ্রদের কল্যাণে পুলিশের মানবতার দেয়াল

মংলায় দরিদ্রদের কল্যাণে পুলিশের মানবতার দেয়াল
পুলিশের মানবতার দেয়ালে দরিদ্রদের জন্য পোশাক রাখা হয়েছে, বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বাগেরহাট


  • Font increase
  • Font Decrease

বাগেরহাটের মংলায় হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে ‘মানবতার দেয়াল’ নামক সাহায্য কার্যক্রম চালু করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় মংলা পৌরসভার শেখ আবদুল হাই সড়কে অবস্থিত বন্দর কর্তৃপক্ষের ছয়তলা ভবনের সামনের প্রাচীরে এ মানবতার দেয়ালের উদ্বোধন করেন বাগেরহাট জেলার পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়। মংলা থানা পুলিশের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ মানবতার দেয়ালে সমাজের বিত্তবান ও কল্যাণকামী মানুষেরা তাদের ব্যবহৃত কিংবা নতুন পোশাক সেখানে রাখবেন আর দরিদ্র শ্রেণীর মানুষ তাদের মাপ এবং পছন্দ অনুযায়ী সেখান থেকে নিয়ে ব্যবহার করবেন।

মানবতার দেয়াল উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবদুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আবদুর রহমান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ফ্রান্সিস সুদান হালদার, মংলা প্রেসক্লাব সভাপতি এইচ এম দুলাল ও সাবেক সভাপতি এমএ মোতালেব, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন, চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নুর আলম শেখ ও পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি শেখ কামরুজামান জসিম।

মংলা থানার ওনি মো: ইকবাল বাহার চৌধুরীর এ মানবতার দেয়াল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ সবার কাছে প্রশংসনীয় হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যা

ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যা
হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা আনিছ ও জামাল, ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরে স্কুল শিক্ষিকা জয়ন্তি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা আনিছ ও জামাল নামে দুই ডিসের (ক্যাবল নেটওয়ার্ক) কর্মচারীকে আটকের পর রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হয়েছে। আটক ডিসের কর্মচারী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে বলে পিবিআই প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকেল তিনটায় চাঁদপুর ওয়ারলেস বাজার এলাকার পিবিআই কার্যালয় এসপি মোঃ ইকবাল প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566135192339.jpg

 

তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের পূর্ব মুহূর্ত থেকে শেষ পর্যন্ত ঐ বাড়িতে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কারা অবস্থান করেছে তা চিহ্নিত করা হয়। সেখানে ডিসের কর্মচারী আনিছুর রহমান ও জামাল হোসেন ঘটনার সময় ওই বাড়িতে অবস্থান করছিল বলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

পরবর্তীতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তাদের দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা দুজনে চাঁদপুর ক্যাবল নেটওয়ার্কের স্বত্বাধিকারী মালিক রমজানের স্টাফ হয়ে ডিস লাইনম্যান হিসেবে বাসা বাড়িতে সংযোগ দেওয়ার কাজ করত।

পিবিআই এসপি মোঃ ইকবাল  জানান, সারাদেশে যখন পদ্মা সেতু নিয়ে গলাকাটা গুজব ছড়িয়েছে ঠিক তখনই চাঁদপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টাফ কোয়ার্টারে গলা কেটে শিক্ষিকা জয়ন্তীকে হত্যা করা হয়েছে। আধুনিক টেকনোলজি ব্যবহার করে মূল হোতাদের আটক করা ও ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

আটক ডিসের স্টাফ আনিছ ও জামাল ঘটনার দিন দুপুরে কোয়ার্টারে গিয়ে শিক্ষিকা জয়ন্তীকে একা পেয়ে তাকে ধর্ষণ করে। তিনি চিৎকার দিলে ঘাতকরা বাসায় টেবিলে রাখা ফল কাটার ছুরি নিয়ে শিক্ষিকা জয়ন্তীর গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই রবিবার বিকালে পুলিশ চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টাফ কোয়ার্টার থেকে ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জয়ন্তী চক্রবর্তীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে।

প্রেমিকার স্বজনের মারধরে আহত প্রেমিকের মৃত্যু

প্রেমিকার স্বজনের মারধরে আহত প্রেমিকের মৃত্যু
মাসুদ রানা সোহেলের লাশ। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

লালমনিরহাটে প্রেমিকার ম্যাসেজ পেয়ে দেখা করতে গিয়ে মারধরের শিকার আহত মাসুদ রানা সোহেল (২৯) মারা গেছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকেলে লালমনিরহাট পৌরসভার টিএনটি ভবন এলাকার নিজ বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

মৃত মাসুদ রানা সোহেল লালমনিরহাট পৌরসভার টিএনটি ভবন এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সোহেলের সঙ্গে লালমনিরহাট শহরের নর্থ বেঙ্গল মোড় এলাকার আতিয়ার রহমানের মেয়ে আশামনির (১৬) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তাদের বয়সের ব্যবধান ছিল অনেক। তাই মেয়ের পরিবার এই প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি। এরই জের ধরে পরিবারের কথায় গত বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে মোবাইলে ম্যাসেজ দিয়ে সোহেলকে ডেকে আনে আশামনি। পরে সোহেলকে আটকে রেখে রাতভর মারধর করে আশামনির স্বজনরা।

বিষয়টি স্থানীয়রা টের পেয়ে সোহেলকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। গত শনিবার (১৭ আগস্ট) রাতে বেশি অসুস্থ হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে মারা যায় সোহেল। পরে লাশ বাড়িতে নিয়ে যায় স্বজনরা।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম জানান, সোহেলের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের বাবা আইয়ুব আলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র