Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

টাঙ্গাইলে সড়ক বর্ধিত করণে ধীরগতি, ঈদযাত্রীদের ভোগন্তির শঙ্কা

টাঙ্গাইলে সড়ক বর্ধিত করণে ধীরগতি, ঈদযাত্রীদের ভোগন্তির শঙ্কা
টাঙ্গাইলে সড়ক বর্ধিত করণে ধীরগতি / ছবি: বার্তা২৪
অভিজিৎ ঘোষ
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম.


  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের এলেঙা হতে ধনবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৪৬ কিলোমিটার সড়কের বর্ধিত করণের কাজ শুরু হয়েছে। এ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে চলছে ধীরগতি। এছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কাজে ব্যবহৃত নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে প্রতিদিনই যানজটে পড়তে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। ফলে আসন্ন ঈদেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ ও জামালপুর রুটের ঘরমুখো যাত্রী ও চালকদের।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে এলেঙা হতে জামালপুর পর্যন্ত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। সড়কের কাজে নিয়োজিত রয়েছে জামিল কন্ট্রাকশন ও ওয়াহেদ কন্ট্রাকশন নামের দু’টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড হতে থানা মোড় পর্যন্ত কাজে ধীরগতি। সড়কে চলাচলে উপযুক্ত ব্যবস্থা না করে দায়সারাভাবে কাজ করা হচ্ছে। ফলে সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক সময় চলাচল করতে গিয়ে ট্রাক বাস হঠাৎই বিকল হয়ে সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘাটাইলের মতো মধুপুরেও একই অবস্থা দেখা গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558872592463.jpg

 সোলায়মান হোসেন নামের এক পথচারী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সড়কে উন্নয়ন কাজের নামে মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। অন্যদিকে নিম্নমানের কাজ করছে ঠিকাদারিরা। চলাচলের জন্য সড়ক প্রস্তুত না করে কাজ করা হচ্ছে। পায়ে হাঁটার মতো জায়গা নেই।’

আশিকুর, এরশাদসহ অনেকেই বার্তা২৪.কমকে বলেন, বর্তমানে সড়কে যে ভোগান্তি শুরু হয়েছে তাতে আসন্ন ঈদে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হবে সড়ক ব্যবহারকারীদের। বাসস্ট্যান্ড হতে থানা মোড় পর্যন্ত দুই মিনিটের সড়ক পাড়ি দিতে ২০-৩০মিনিট লেগে যায়। ঈদে সড়কে গাড়ির চাপ আরও বাড়বে তখন যাত্রী ও চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে।

বিনিময় পরিবহনের চালক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘মধুপুর ও ঘাটাইল এই দুইটি জায়গায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। চলাচলের জন্য উপযুক্ত সড়ক তৈরি না করায় পরিবহনগুলো গর্তের কারণে বিকল হয়ে যায়। এতে গাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558872611854.jpg

ওই সড়কে চলাচলকারী ট্রাক চালকরা জানান, বোঝাই ট্রাক ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়। ঠিকাদারদের গাফিলতির কারণে এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে। জরাজীর্ণ সড়কের কারর্ণে ট্রাকের ক্ষতি হেচ্ছে।

সড়ক উন্নয়ন কাজ প্রকল্পে দায়িত্বরত সওজ’র সহকারী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ আগামী ২০২০ সালের জুন মাসে শেষ হবে। ঘাটাইল ও মধুপুর অংশে যানজট নিরসনে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সড়কের ঢালাইয়ের পাশে পরিবহন চলাচলে প্রাথমিকভাবে ইট দিয়ে সলিং নির্মাণ করে দেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, গুরুতর আহত শিশু

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, গুরুতর আহত শিশু
আহত শিশু মনিরা, ছবি: সংগৃহীত

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করায় লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মনিরা খাতুন (৮) নামে এক শিশুর রক্তাক্ত জখম হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে আদিতমারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে সে। তবে তার বাম কানের পাশে আঘাত পাওয়া কথা কম শুনতে পাচ্ছে। শিশু মনিরা আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের নামুড়ি মদনপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে। সে স্থানীয় মদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৬ জুন) রাতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সোহাগপুর থেকে দাদু সোলায়মান আলীর সঙ্গে ট্রেন যোগে বাড়ি ফিরছল শিশু মনিরা। জানালার পাশেই বসে ছিল সে। পথিমধ্যে হাতীবান্ধা এলাকায় হঠাৎ করে কে বা কারা পাথর নিক্ষেপ করে। সেই পাথরের আঘাতে আহত হয় মনিরা। পরে তাকে আদিতমারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বাড়ি নিয়ে যায়।

মনিরার দাদু সোলায়মান আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, ‘হাতীবান্ধা এলাকায় এলে কে বা কারা ট্রেনে পাথর ছুড়ে মারে। এ সময় তার নাতনি মনিরা রক্তাক্ত জখম হয়। বাম কানের পাশে আঘাত পায় সে। হাসপাতালে চিকিৎসাপত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।’

লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদম আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘চলন্ত ট্রেনে পাথর ছুড়ে শিশু আহতের খবর পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কলার বাগানে সাথী ফসল চাষে লাভবান কৃষকরা

কলার বাগানে সাথী ফসল চাষে লাভবান কৃষকরা
কলার বাগানে সাথী ফসল চাষ, ছবি: বার্তা২৪

কুষ্টিয়ার বিভিন্ন উপজেলায় কলা চাষের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন শাক-সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। এ পন্থা অবলম্বন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেক চাষি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এবার চার হাজার ১৯১ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে। এরমধ্যে অধিকাংশ জমিতে কলার সাথী ফসল হিসেবে মুগ, কলাই, তিল, পুঁইশাক, লাল শাক, বরবটি, ঢেড়সসহ অন্যান্য সবজি চাষ করা হয়েছে।

মিরপুর উপজেলার কেউপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমি আড়াই বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছি। কলাবাগানের মধ্যে সাথী ফসল হিসেবে পুঁইশাক, লাল শাক, বরবটি, ঢেড়শ চাষ করেছি। সবজি বিক্রি করে ইতোমধ্যেই এক লাখ টাকা আয় হয়েছে। এখনো কিছু সবজি বিক্রি করা যাবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561603442932.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘মিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শে প্রথমবার এক বিঘা জমিতে কলার পাশাপাশি সবজি চাষ করেছিলাম। কৃষি অফিস থেকে আমাকে কয়েকবার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।’

চিথলিয়া এলাকার কৃষক মফিজুল ইসলাম এক বিঘা জমিতে কলার বাগানে মুগ ডালও লাগিয়েছেন। কলা চাষ করতে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০ হাজার টাকার কলা বিক্রি হয়েছে। আর বাড়তি ১০ হাজার টাকার মুগ বিক্রি হবে বলে আশা করেন তিনি।

বারুইপাড়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহিরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা কৃষকদের বাড়িতে গিয়ে কলার পাশাপাশি সাথী ফসল চাষে উৎসাহ দিচ্ছি। এছাড়াও তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণসহ প্রণোদনা দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561603463185.JPG

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়নের দুর্বাচারা এলাকার আব্দুল লতিফ মোল্লা জানান, দেড় বিঘা জমিতে কলার সঙ্গে তিলের আবাদ করেছেন। তিল থেকে অন্তত ২০ হাজার টাকা বাড়তি আয় হবে বলে আশা তার।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ সাহা বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘একই জমিতে একাধিক ফসল চাষে আমরা কৃষকদের পরামর্শ দেই। পাশাপাশি সুষম সার ব্যবহারেও উৎসাহ দেওয়া হয়।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র