Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

১৮০০ কেজি ভেজাল ঘি জব্দ

১৮০০ কেজি ভেজাল ঘি জব্দ
ভেজাল ঘি জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পাবনা


  • Font increase
  • Font Decrease

পাবনার সুজানগরের পল্লীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ভেজাল ঘি তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে। কারখানা থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৮০০ মণ ঘি, ঘি তৈরির নানা উপকরণ জব্দ করেছে টিমটি।

রোববার (২৬ মে) দুপুরে উপজেলার চরগোবিন্দপুর গ্রামের সুনিল কুন্ডুর বাড়িতে ভেজাল ঘি কারখানায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, জেলার সাঁথিয়া উপজেলার মিলন ঘোষের সঙ্গে যোগসাজশে চরগোবিন্দপুর গ্রামের সুনিল কুন্ডু তার বাড়িতে মাস তিনেক আগে ভেজাল ঘি’র কারখানা স্থাপন করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558877898035.JPG
ভেজাল ঘি আটক করে জব্দ করা হয়েছে, ছবি: সংগৃহীত

ওই কারখানায় দীর্ঘদিন ধরেই বেকিং পাউডার, মিল্ক পাউডার, কোকোয়া পাউডার, স্যাকারিন, বিষাক্ত রং এবং কেমিক্যাল দিয়ে শতশত মণ ভেজাল ঘি তৈরি করে দেশের খ্যাতনামা কোম্পানি প্রাণসহ বিভিন্ন কোম্পানির নামে পণ্য বিক্রি করে আসছিল।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বলেন, গোপন সংবাদে খবর পেয়ে রোববার দুপুরে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের ভিএস ডা: আব্দুল লতিফ, আমিনপুর থানা পুলিশের সহায়তায় ওই কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় কারখানাসহ আশ-পাশের বাড়ি থেকে ৪৫ মণ ক্ষতিকর ভেজাল ঘি এবং আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ঘি তৈরির বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল ও মালামাল জব্দ করা হয়।

আমিনপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র দাস বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার আগেই মিলন ঘোষ ও সুনিল কুন্ডু পালিয়ে যাওয়ায় তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558877930592.JPG
ভেজাল ঘি, ছবি: সংগৃহীত

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জব্দকৃত ভেজাল ঘি’র বাজার মূল্য ১৮ লক্ষ টাকা। পরে ভেজাল ঘি ধ্বংস করে দেয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

হজে গিয়ে নিখোঁজ সুরুতুন নেছা

হজে গিয়ে নিখোঁজ সুরুতুন নেছা
নিখোঁজ সুরুতুন নেছা (বামে) ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনে গিয়ে ৯দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন মোছা. সুরুতুন নেছা (৬০)।

তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার দূর্লভপুর গ্রামের মো. রজব আলীর স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে হজে যান। কিন্তু স্বামী মো. রজব আলী সুরুতুন নেছাকে হারিয়ে ফেলেন। এদিকে পরিবারের সদস্যরা কোনো খোঁজ না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।

সুরুতুন নেছার ছেলে ইয়াকবির আফিন্দী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, গত ১১আগস্ট থেকে সুরুতুন নেছা নিখোঁজ রয়েছেন। সুরুতুন নেছা বাংলাদেশ থেকে সিলেটের শাহপরান ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে গত ২৮ জুলাই জেদ্দা এয়ার লাইন্সে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান।

তিনি আরো জানান, গত ১১ আগস্ট রাতে সৌদি আরবের মিনায় তার স্বামী রজব আলী পাথর মারতে যাওয়ার সময় সুরুতুন নেছাকে তাবুতে বসিয়ে রেখে যান। পাথর মারা শেষ করে তাবুতে ফিরে এসে স্বামী তার স্ত্রী সুরুতুন নেছাকে আর খুঁজে পাননি।

সিলেটের শাহপরান ট্রাভেল এজেন্সির পরিচালক মোহাম্মদ যুবায়ের বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, নিখোঁজ নারী সুরুতুন নেছাকে পাওয়ার জন্য আমরা সব জায়গায় লোক পাঠিয়েছি। এর মধ্যে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের হজ ট্রাভেলসকে জানায়। তারাও তাদের মাধ্যমে সব জায়গায় যোগাযোগ করছে। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বরগুনায় পানিবন্দি ৪০ পরিবারের ২০০ মানুষ

বরগুনায় পানিবন্দি ৪০ পরিবারের ২০০ মানুষ
সদর উপজেলার অনিন্দিতা আশ্রয়ণ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার সদর উপজেলার অনিন্দিতা আশ্রয়ণের ৪০টি পরিবারের পানিবন্দি হয়ে আছে। পায়রা নদীর বেড়িবাঁধ অবৈধভাবে কেটে ফেলার ফলে ২০০ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন।

সোমবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের পূর্ব বুড়িরচর পায়রা নদী পাড়ের বেড়িবাঁধের উপরে সিইআইপি-০১ প্রকল্পের আওতায় চায়না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিকো স্লুইজ নির্মানে চার'শ ফুট বেড়িবাঁধ কেটে ফেলে। এতে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন অনিন্দিতা আশ্রয়ণ প্রকল্পে জোয়ারের পানিতে ৪০টি পরিবারের প্রায় ২০০ মানুষ প্রতিনিয়ত জোয়ারের পানিতে পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আশ্রয়ণ সংলগ্ন বাঁধ না থাকায় পায়রা নদীর জোয়ারের পানিতে আশ্রয়ণের ঘরগুলো মেঝে পর্যন্ত তলিয়ে যায়। এ অবস্থায় শিশুসহ নারী পুরুষ সবাই পানিবন্দি হয়ে আছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566251953023.jpg

 

এদিকে বেড়িবাঁধ কেটে মাটি দ্বারা স্লুইজের পাশের প্রাচীর ভরাট দিয়েছেন চায়না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিকো যার কারণে জোয়ারের পানি নদীতে যেতে পারে না।

আশ্রয়ণের বাসিন্দা কহিনুর বেগম জানান, পায়রা নদীর পানিতে আমরা ভাসছি। ছোট বাচ্চাদের কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে রাত কাটাই। ঘরে পানি ওঠায় বসার জায়গাটুকু পর্যন্ত থাকেনা। বাথরুম, পাকঘর পানিতে তলিয়ে যায়। হাঁস, মুরগী, গরু, ছাগল কোথায় রাখবো? আশ্রয়ণের চারদিকে শুধু পানি। আমরা গরীব, তাই আমাদের দুঃখ দুর্দশা কারও চোখে পড়েনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566251980438.jpg

 

অনিন্দিতা আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি সেলিম মিয়া বলেন, চায়নার সিকো কোম্পানি আশ্রয়ণ সংলগ্ন বেড়িবাঁধ কেটে ফেলায় জোয়ারের পানিতে আশ্রয়ণ সম্পূর্ণ তলিয়ে যায়। আমরা সমবায় সমিতি লি: এর আওতায় সকল সদস্যরা চাঁদা তুলে আশ্রয়ণের একটি পুকুরে মাছের চাষ করি। সেই পুকুরের সব মাছ জোয়ারের পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। টয়লেট অকেজো, মহিলারা টয়লেটে যেতে পারছেনা। প্রতি জোয়ারে পাকঘর পানিতে তলিয়ে গেলে রান্না বন্ধ হয়ে যায়। কি খেয়ে আমরা বাঁচবো?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566252003369.jpg

 

এ বিষয়ে সিইআইপি-০১ প্রকল্পের সিএসই গিয়াস উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার কাছে জানানোর পরে ঘটনাস্থলে আমাদের প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566252024488.jpg

 

এ বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, ওখানের জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে সেটি নিরসন করবে। খুব দ্রুত আশ্রয়ণ প্রকল্পের সকল পরিবার সুন্দর পরিবেশে থাকতে পারবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র