Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

২০ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্র উজ্জল মিয়ার

২০ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্র উজ্জল মিয়ার
খোঁজ মিলেনি মাদরাসা ছাত্র উজ্জল মিয়ার, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

নিখোঁজের ২০ দিনেও খোঁজ মিলেনি মাদরাসা ছাত্র উজ্জল মিয়ার (১৩)। উজ্জলের সন্ধান চেয়ে তার স্বজনরা প্রায় পাগল প্রায়। সে বেঁচে আছে কি-না তাও জানেন না তার স্বজনরা।

উজ্জল হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের শুকদেবপুর গ্রামের তাহির মিয়ার ছেলে। সে ‘ইমাম আহম্মদ রেজা শাহ শামসু উদ্দিন সুন্নিয়া মাদরাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্র।

নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্র উজ্জলের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৫মে উজ্জল চিনি কিনতে স্থানীয় আমুরোড বাজারে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে গত ২৩ মে উজ্জলের পরিবারের পক্ষ থেকে চুনারুঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এরপর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি শুরু করলেও তার সন্ধান এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ হওয়ার সময় উজ্জলের গায়ে লাল রঙের হাফ হাতা গেঞ্জি ও পরনে জিন্সের প্যান্ট ছিল। উজ্জলের গায়ের রঙ শ্যামলা। উচ্চতা অনুমান ৪ ফুট।

এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমিরুজ্জামান জানান- পুলিশ বিভিন্নস্থানে উজ্জলকে খুঁজছে। বিভিন্ন থানায় ইতোমধ্যে তথ্য পাঠানো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত উজ্জলের সন্ধান পাওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়াদ শেষ ৮৫ বছর আগে, ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন

মেয়াদ শেষ ৮৫ বছর আগে, ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন
তিস্তা রেলসেতু, ছবি: বার্তা২৪

লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের একমাত্র তিস্তা রেলসেতুর মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় ৮৫ বছর আগেই। বর্তমানে রেলসেতুটির কাঠের স্লিপারগুলো প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। অথচ মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে এ সেতু দিয়েই প্রতিদিন ১৮টি ট্রেন ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করছে।

স্থানীয়রা বলছেন, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর আগেই নতুন আরকেটি রেলসেতু নির্মাণের দাবি জানান তারা।

জানা গেছে, রাজধানীসহ সীমান্তবর্তী লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য তিস্তা নদীর উপর নির্মিত হয় রেলসেতু। নর্দান বেঙ্গল স্টেট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ১৮৩৪ সালে ২ হাজার ১১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এ সেতুটি নির্মাণ করে। এর মেয়াদ ধরা হয়েছিল শত বছর। বর্তমানে যার বয়স চলেছে ১৮৫ বছর। অর্থাৎ মেয়াদের প্রায় দ্বিগুণ সময় পার করছে এ রেল সেতুটি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561609713590.jpg

সরেজমিনে দেখা যায়, তিস্তা রেলসেতুসহ লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের কয়েকটি রেলসেতুর উপর বসানো অর্ধশত বছরের পুরনো কাঠের স্লিপারের অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। স্লিপারের সঙ্গে লাইন আটকানোর জন্য দুটি পিন দেওয়ার কথা থাকলেও রয়েছে একটি করে। এছাড়া লাইনের ক্লিপ চুরি হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে রেলপথ। 

কোনো কোনো স্থানে স্লিপারে লোহার প্লেটই নেই। এছাড়া সেতুর পাশে দুটি লাইনের জোড়ায় ফিসপ্লেটে চারটি নাট-বল্টু থাকার কথা থাকলেও সেখানে রয়েছে তিনটি। দিনের পর দিন এ পথের রেললাইন ঝুঁকিতে থাকলেও কর্মীদের নজর পড়ে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561609728231.jpg

এদিকে, মেয়াদ উত্তীর্ণ তিস্তা রেলসেতুর ভয়াবহতার কথা খোদ রেল বিভাগই স্বীকার করেছে। তবে তাদের দাবি, বিট্রিশ আমলের কাজ দেখে এখনো সেতুটি চলছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে সড়ক ও রেলপথের সকল সেতুর অবকাঠামো জরিপের নির্দেশ দিলেও তার কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না।

অবশ্য রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন সম্প্রতি বলেছেন, ‘বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে নতুন আরেকটি সংযোগ হলেই ঝুঁকিপূর্ণ লালমনিরহাট রেল সেতুর পাশে আরও একটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।’

তিস্তা রেল সেতু এলাকার রফিকুল ইসলাম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন ট্রেন চলাচল করছে। এখানকার মানুষ সব সময় আতঙ্কে থাকে, কখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে যায়। দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আগেই সমাধান করা প্রয়োজন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561609745312.jpg

রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগীয় ম্যানেজার মুহাম্মদ শফিকুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘মঙ্গলবার (২৫ জুন) একনেকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিভাগের (লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম) ছোট বড় ৪০৮টি সেতুর মেরামতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিস্তা রেলসেতু মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবুও তিস্তা রেলসেতুর পশ্চিম পাশে নতুন করে আরও একটি ডাবল ব্রোডগেজ সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে এ সেতু দিয়ে স্বাভাবিকভাবে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।’

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, গুরুতর আহত শিশু

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, গুরুতর আহত শিশু
আহত শিশু মনিরা, ছবি: সংগৃহীত

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করায় লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মনিরা খাতুন (৮) নামে এক শিশুর রক্তাক্ত জখম হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে আদিতমারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে সে। তবে তার বাম কানের পাশে আঘাত পাওয়া কথা কম শুনতে পাচ্ছে। শিশু মনিরা আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের নামুড়ি মদনপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে। সে স্থানীয় মদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৬ জুন) রাতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সোহাগপুর থেকে দাদু সোলায়মান আলীর সঙ্গে ট্রেন যোগে বাড়ি ফিরছল শিশু মনিরা। জানালার পাশেই বসে ছিল সে। পথিমধ্যে হাতীবান্ধা এলাকায় হঠাৎ করে কে বা কারা পাথর নিক্ষেপ করে। সেই পাথরের আঘাতে আহত হয় মনিরা। পরে তাকে আদিতমারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বাড়ি নিয়ে যায়।

মনিরার দাদু সোলায়মান আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, ‘হাতীবান্ধা এলাকায় এলে কে বা কারা ট্রেনে পাথর ছুড়ে মারে। এ সময় তার নাতনি মনিরা রক্তাক্ত জখম হয়। বাম কানের পাশে আঘাত পায় সে। হাসপাতালে চিকিৎসাপত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।’

লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদম আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘চলন্ত ট্রেনে পাথর ছুড়ে শিশু আহতের খবর পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র