Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ঈদ উপলক্ষে শিবগঞ্জে দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

ঈদ উপলক্ষে শিবগঞ্জে দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ
দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছে, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে বরাদ্দকৃত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ৪১ হাজার ২৫৫ অসহায় দুস্থ পরিবারের মাঝে সোয়া ৬ লাখ কেজি চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) দুপুরে নয়ালাভাঙা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নয়ালাভাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নয়ালাভাঙা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাকুল ইসলাম পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান এডু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম ও রানীহাটি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাসারসহ অন্যরা। 

জানাগেছে, শিবগঞ্জ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে ৪ হাজার ৫২টি, দাইপুখুরিয়ায় ৩ হাজার ১৮টি,  মোবারকপুরে ২ হাজার ৩০৫টি, চককীর্তি ইউনিয়নে ২ হাজার ৮১৯টি, কানসাটে ৩ হাজার ৪২টি, শ্যামপুরে ৩ হাজার ১১১টি, বিনোদপুরে ৩ হাজার ১৬৩টি, মনাকষায় ৪ হাজার ৫০টি, দূর্লভপুরে ৪ হাজার ২৩৯টি, উজিরপুরে ৭৩৫টি, পাঁকায় ১ হাজার ৬৬১টি, ঘোড়াপাখিয়ায় ১ হাজার ৩০৫টি, ধাইনগরে ২ হাজার ৯৮৫টি, নয়ালাভাঙায় ৩ হাজার ২১২টি ও ছত্রাজিতপুরে ১ হাজার ৫৫৮টি কার্ড বরাদ্দ দেয়া হয়।

সেই হিসাবে শিবগঞ্জ উপজেলার  ১৫টি ইউনিয়নের জন্য ৬ লাখ ১৮ হাজার ৮২৫ কেজি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, গুরুতর আহত শিশু

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, গুরুতর আহত শিশু
আহত শিশু মনিরা, ছবি: সংগৃহীত

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করায় লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মনিরা খাতুন (৮) নামে এক শিশুর রক্তাক্ত জখম হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে আদিতমারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে সে। তবে তার বাম কানের পাশে আঘাত পাওয়া কথা কম শুনতে পাচ্ছে। শিশু মনিরা আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের নামুড়ি মদনপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে। সে স্থানীয় মদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৬ জুন) রাতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সোহাগপুর থেকে দাদু সোলায়মান আলীর সঙ্গে ট্রেন যোগে বাড়ি ফিরছল শিশু মনিরা। জানালার পাশেই বসে ছিল সে। পথিমধ্যে হাতীবান্ধা এলাকায় হঠাৎ করে কে বা কারা পাথর নিক্ষেপ করে। সেই পাথরের আঘাতে আহত হয় মনিরা। পরে তাকে আদিতমারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বাড়ি নিয়ে যায়।

মনিরার দাদু সোলায়মান আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, ‘হাতীবান্ধা এলাকায় এলে কে বা কারা ট্রেনে পাথর ছুড়ে মারে। এ সময় তার নাতনি মনিরা রক্তাক্ত জখম হয়। বাম কানের পাশে আঘাত পায় সে। হাসপাতালে চিকিৎসাপত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।’

লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদম আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘চলন্ত ট্রেনে পাথর ছুড়ে শিশু আহতের খবর পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কলার বাগানে সাথী ফসল চাষে লাভবান কৃষকরা

কলার বাগানে সাথী ফসল চাষে লাভবান কৃষকরা
কলার বাগানে সাথী ফসল চাষ, ছবি: বার্তা২৪

কুষ্টিয়ার বিভিন্ন উপজেলায় কলা চাষের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন শাক-সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। এ পন্থা অবলম্বন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেক চাষি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এবার চার হাজার ১৯১ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে। এরমধ্যে অধিকাংশ জমিতে কলার সাথী ফসল হিসেবে মুগ, কলাই, তিল, পুঁইশাক, লাল শাক, বরবটি, ঢেড়সসহ অন্যান্য সবজি চাষ করা হয়েছে।

মিরপুর উপজেলার কেউপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমি আড়াই বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছি। কলাবাগানের মধ্যে সাথী ফসল হিসেবে পুঁইশাক, লাল শাক, বরবটি, ঢেড়শ চাষ করেছি। সবজি বিক্রি করে ইতোমধ্যেই এক লাখ টাকা আয় হয়েছে। এখনো কিছু সবজি বিক্রি করা যাবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561603442932.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘মিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শে প্রথমবার এক বিঘা জমিতে কলার পাশাপাশি সবজি চাষ করেছিলাম। কৃষি অফিস থেকে আমাকে কয়েকবার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।’

চিথলিয়া এলাকার কৃষক মফিজুল ইসলাম এক বিঘা জমিতে কলার বাগানে মুগ ডালও লাগিয়েছেন। কলা চাষ করতে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০ হাজার টাকার কলা বিক্রি হয়েছে। আর বাড়তি ১০ হাজার টাকার মুগ বিক্রি হবে বলে আশা করেন তিনি।

বারুইপাড়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহিরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা কৃষকদের বাড়িতে গিয়ে কলার পাশাপাশি সাথী ফসল চাষে উৎসাহ দিচ্ছি। এছাড়াও তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণসহ প্রণোদনা দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561603463185.JPG

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়নের দুর্বাচারা এলাকার আব্দুল লতিফ মোল্লা জানান, দেড় বিঘা জমিতে কলার সঙ্গে তিলের আবাদ করেছেন। তিল থেকে অন্তত ২০ হাজার টাকা বাড়তি আয় হবে বলে আশা তার।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ সাহা বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘একই জমিতে একাধিক ফসল চাষে আমরা কৃষকদের পরামর্শ দেই। পাশাপাশি সুষম সার ব্যবহারেও উৎসাহ দেওয়া হয়।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র