Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

পদ্মায় বিলীন হচ্ছে দোহারের ‘মিনি কক্সবাজার’

পদ্মায় বিলীন হচ্ছে দোহারের ‘মিনি কক্সবাজার’
ঢাকার দোহারের পদ্মা তীরবর্তী মৈনট ঘাটে দেখা দিয়েছেন তীব্র ভাঙন, ছবি: বার্তা২৪.কম
নবাবগঞ্জ(দোহার) করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বর্ষা আসতে না আসতেই ভাঙতে শুরু করেছে ঢাকার দোহারের পদ্মা তীরবর্তী মৈনট ঘাটে অবস্থিত মিনি কক্সবাজার খ্যাত পর্যটন এলাকা। প্রতিদিনই ভাঙছে এলাকার জমিসহ স্থাপনা। ভাঙনের ফলে আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, ইতোমধ্যে কয়েকটি দোকান ও স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়েছে। বিগত সময়ে পদ্মার ভাঙনে তাদের ফসলি জমি, ঘরবাড়ি পদ্মার গর্ভে চলে গেছে। কোনোমতে এলাকায় ব্যবসা করে পরিবার-পরিজন নিয়ে টিকে আছেন তারা।

চলতি মৌসুমে পদ্মায় স্রোতের বেগ বাড়ার ফলে নদীর পাড় ভেঙে যাচ্ছে। দোকান নিয়ে চিন্তিত তারা। মৈনট ঘাট এলাকার তীর সংরক্ষণ ও ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই নদীগর্ভে বিলীন হবে মিনি কক্সবাজার খ্যাত এই পর্যটন এলাকাটি। এতে বেকার হয়ে পড়বেন কয়েক হাজার ব্যবসায়ী ও শ্রমিক। বাড়বে ভূমিহীন মানুষের সংখ্যা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/27/1558952963894.jpg

মৈনট ঘাটের ব্যবসায়ীরা জানায়, প্রতি বছর এ ঘাট থেকে কোটি টাকার ওপরে রাজস্ব আয় হয়, কিন্তু ভাঙনরোধে দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। মৈনট ঘাটের ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সরকার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে। এ ছাড়া মিনি কক্সবাজার সংলগ্ন নারায়ণপুর, চরকুসুমহাটি গ্রামসহ আরও পাঁচ গ্রাম পদ্মার গর্ভে চলে যাবে।

মৈনট ঘাটের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, এক সময় আমার প্রচুর জমি ছিল। এই পদ্মা কেড়ে নিয়েছে। এখানে মৈনটঘাটে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কাছে বিভিন্ন ধরনের খাবার বিক্রি করি। সরকারে কাছে আমার দাবি, এলাকাটিকে পদ্মার ভাঙন থেকে রক্ষা করা হোক।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন মুন্সী বলেন, আমি উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি। মৈনটঘাট এলাকাটিকে রক্ষা করতে সরকারের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা করা।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, মৈনট ঘাটের ভাঙনের বিষয়টি আমি শুনেছি ও পরিদর্শন করে পানি সম্পদ মন্ত্রী মহোদয়ের দপ্তরে লিখিতভাবে জানিয়েছি।

আপনার মতামত লিখুন :

সিরাজগঞ্জে মা-ছেলেকে গলা কেটে হত্যা

সিরাজগঞ্জে মা-ছেলেকে গলা কেটে হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মাসহ সাবেক সেনা সদস্যকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বত্তরা। বুধবার (২৬ জুন) রাতে উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার মহেশপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আলতাফ হোসেন মুকুল ও তার বৃদ্ধা মা রিজিয়া খাতুন।

উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেওয়ান কওশিক আহম্মেদ বলেন, ‘থানার মহেশপুর গ্রামে মা ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার খবর পেয়েছি। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলায় একজনকে গ্রেফতার

বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলায় একজনকে গ্রেফতার
রিফতাকে কুপিয়ে আগাত করার সময় তার স্ত্রী ঠেকানোর চেষ্টা করেন, ছবি: সংগৃহীত

বরগুনায় শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফ (২৫) হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির হোসেন জানান, রিফাত হত্যার ঘটনায় তার বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। অভিযান চালিয়ে মামলার অভিযুক্ত চার নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন: আপ্রাণ চেষ্টা করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না স্ত্রী

আরও পড়ুন: ঘাতক নয়নকে আটকাতে বরগুনার মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট

বুধবার (২৬ জুন) সকালে রিফাত শরীফ তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে নিয়ে বরগুনা সরকারি কলেজে যান। কলেজ থেকে ফেরার পথে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ চার যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালান। এ সময় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এতে বাধা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেন রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামাতে পারেননি তিনি।

আরও পড়ুন: যে কারণে খুন করা হয় রিফাতকে

তারা রিফাত শরীফকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যাওয়ার পর তাকে প্রথমে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ভর্তির এক ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র