Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বগুড়া-৬ উপ-নির্বাচনে বৈধ ৮ প্রার্থী

বগুড়া-৬ উপ-নির্বাচনে বৈধ ৮ প্রার্থী
নির্বাচন কমিশন, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা ২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনীত ৩ প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বিএনপি ছাড়া আরও দুইজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। 

সোমবার (২৭ মে) প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ১১ জনের মধ্যে ৮ জনের প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা করেন।

যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত বগুড়া পৌর মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জাফর আলী ও আবুল হাসান।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ বার্তা ২৪.কমকে বলেন, ‘পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ না করায় বিএনপি মনোনীত অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলী ও আবুল হাসান মোট ভোটারের এক শতাংশ যে স্বাক্ষর জমা দিয়েছিলেন সেখানে গড়মিল থাকার কারণে তাদের দু’জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।’

যাচাই-বাছাই শেষে যে ৮জনের প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন - আওয়ামী লীগ মনোনীত এসএম টি জামান নিকেতা, জাতীয় পার্টি মনোনীত নুরুল ইসলাম ওমর, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মনসুর রহমান, বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, একই দলের রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের রফিকুল ইসলাম এবং দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী যথাক্রমে বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কবির আহম্মেদ মিঠু ও ব্যবসায়ী মিনহাজ।

উল্লেখ্য, বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সাংসদ নির্বাচিত হয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথগ্রহণ না করায় গত ৩০ এপ্রিল আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এরপর গত ৮ মে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়। তাতে ২৩ মে পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়। ওইদিন পর্যন্ত মোট ১১ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

২৭ মে যাচাই বাছাই এবং ৩ জুন প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ৪জুন প্রতীক বরাদ্দ শেষে আগামী ২৪ জুন ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) বগুড়ার এই আসনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

বরগুনায় রিফাত হত্যা, একজনকে গ্রেফতার

বরগুনায় রিফাত হত্যা, একজনকে গ্রেফতার
রিফতাকে কুপিয়ে আগাত করার সময় তার স্ত্রী ঠেকানোর চেষ্টা করেন, ছবি: সংগৃহীত

বরগুনায় শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফ (২৫) হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির হোসেন জানান, রিফাত হত্যার ঘটনায় তার বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। অভিযান চালিয়ে মামলার অভিযুক্ত চার নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন: আপ্রাণ চেষ্টা করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না স্ত্রী

আরও পড়ুন: ঘাতক নয়নকে আটকাতে বরগুনার মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট

বুধবার (২৬ জুন) সকালে রিফাত শরীফ তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে নিয়ে বরগুনা সরকারি কলেজে যান। কলেজ থেকে ফেরার পথে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ চার যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালান। এ সময় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এতে বাধা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেন রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামাতে পারেননি তিনি।

আরও পড়ুন: যে কারণে খুন করা হয় রিফাতকে

তারা রিফাত শরীফকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যাওয়ার পর তাকে প্রথমে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ভর্তির এক ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

মেয়াদ শেষ ৮৫ বছর আগে, ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন

মেয়াদ শেষ ৮৫ বছর আগে, ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন
তিস্তা রেলসেতু, ছবি: বার্তা২৪

লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের একমাত্র তিস্তা রেলসেতুর মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় ৮৫ বছর আগেই। বর্তমানে রেলসেতুটির কাঠের স্লিপারগুলো প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। অথচ মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে এ সেতু দিয়েই প্রতিদিন ১৮টি ট্রেন ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করছে।

স্থানীয়রা বলছেন, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর আগেই নতুন আরকেটি রেলসেতু নির্মাণের দাবি জানান তারা।

জানা গেছে, রাজধানীসহ সীমান্তবর্তী লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য তিস্তা নদীর উপর নির্মিত হয় রেলসেতু। নর্দান বেঙ্গল স্টেট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ১৮৩৪ সালে ২ হাজার ১১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এ সেতুটি নির্মাণ করে। এর মেয়াদ ধরা হয়েছিল শত বছর। বর্তমানে যার বয়স চলেছে ১৮৫ বছর। অর্থাৎ মেয়াদের প্রায় দ্বিগুণ সময় পার করছে এ রেল সেতুটি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561609713590.jpg

সরেজমিনে দেখা যায়, তিস্তা রেলসেতুসহ লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের কয়েকটি রেলসেতুর উপর বসানো অর্ধশত বছরের পুরনো কাঠের স্লিপারের অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। স্লিপারের সঙ্গে লাইন আটকানোর জন্য দুটি পিন দেওয়ার কথা থাকলেও রয়েছে একটি করে। এছাড়া লাইনের ক্লিপ চুরি হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে রেলপথ। 

কোনো কোনো স্থানে স্লিপারে লোহার প্লেটই নেই। এছাড়া সেতুর পাশে দুটি লাইনের জোড়ায় ফিসপ্লেটে চারটি নাট-বল্টু থাকার কথা থাকলেও সেখানে রয়েছে তিনটি। দিনের পর দিন এ পথের রেললাইন ঝুঁকিতে থাকলেও কর্মীদের নজর পড়ে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561609728231.jpg

এদিকে, মেয়াদ উত্তীর্ণ তিস্তা রেলসেতুর ভয়াবহতার কথা খোদ রেল বিভাগই স্বীকার করেছে। তবে তাদের দাবি, বিট্রিশ আমলের কাজ দেখে এখনো সেতুটি চলছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে সড়ক ও রেলপথের সকল সেতুর অবকাঠামো জরিপের নির্দেশ দিলেও তার কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না।

অবশ্য রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন সম্প্রতি বলেছেন, ‘বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে নতুন আরেকটি সংযোগ হলেই ঝুঁকিপূর্ণ লালমনিরহাট রেল সেতুর পাশে আরও একটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।’

তিস্তা রেল সেতু এলাকার রফিকুল ইসলাম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন ট্রেন চলাচল করছে। এখানকার মানুষ সব সময় আতঙ্কে থাকে, কখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে যায়। দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আগেই সমাধান করা প্রয়োজন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561609745312.jpg

রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগীয় ম্যানেজার মুহাম্মদ শফিকুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘মঙ্গলবার (২৫ জুন) একনেকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিভাগের (লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম) ছোট বড় ৪০৮টি সেতুর মেরামতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিস্তা রেলসেতু মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবুও তিস্তা রেলসেতুর পশ্চিম পাশে নতুন করে আরও একটি ডাবল ব্রোডগেজ সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে এ সেতু দিয়ে স্বাভাবিকভাবে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র