Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

দৌলতদিয়ায় নিরাপত্তায় কাজ করছে ২৫০ পুলিশ

দৌলতদিয়ায় নিরাপত্তায় কাজ করছে ২৫০ পুলিশ
দৌলতদিয়া ঘাটে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ। ছবি: বার্তা২৪.কম
সোহেল মিয়া
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রাজবাড়ী


  • Font increase
  • Font Decrease

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই চাপ বাড়ছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের অন্যতম প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরি ঘাটে। হাজারো যাত্রীর পদচারণায় এখন ব্যস্ত হয়ে উঠেছে দৌলতদিয়া ঘাটে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৫০ সদস্য।

প্রচণ্ড রৌদ্রের মধ্যে দাঁড়িয়েই তারা তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। রোদ থেকে বাঁচতে কোনো কোনো পুলিশ সদস্য আবার মাথায় ছাতা ধরে দায়িত্ব পালন করছেন।

এখন পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাটে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে ঘরে ফিরতে পারছে যাত্রীরা। স্বস্তিতে ঘাট পার হতে পেরে এবার বেশ খুশি তারা। তবে ঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলছে যাত্রীরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559541783053.jpg

সোমবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় দৌলতদিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীদের জান-মালের নিরাপত্তায় ঘাট এলাকার প্রায় ১০টি স্পটে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। ঘাট এলাকায় এসে যাত্রীদের যাতে কোনো ধরনের যানজটে পড়তে না হয় সেজন্য ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা ইঞ্জিনচালিত অটোবাইক, ভ্যান-রিকশা এবং মাহেন্দ্র সড়কের মধ্যে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। ফলে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও ঘাট রয়েছে একেবারেই যানজটমুক্ত।

এদিকে এখন পর্যন্ত ঘাটে কোনো ধরনের ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি। এমনকি অজ্ঞান পার্টির খপ্পরেও কেউ পড়েনি।

সাতক্ষীরার একটি কীটনাশক কোম্পানির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) সাজেদুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, প্রায়ই তিনি অফিসের কাজে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাট পার হন এবং বেশির ভাগ সময়ই নদী পারের জন্য ঘাটে অপেক্ষা করতে হয়। তবে এবারের ঈদযাত্রা বেশ নিরাপদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559541804545.jpg

গোয়ালন্দ ঘাট পুলিশ কন্টোলরুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আবুল হোসেন বার্তা২৪.কমকে জানান, সোমবার (৩ জুন) সকাল থেকেই ঘাটে যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ চাপ আরও বাড়তে থাকবে। তাই ট্রাফিকের দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরাও প্রস্তুত রয়েছে।

রাজবাড়ী পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘যাত্রীদের সব ধরনের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের। যাত্রীদের জান-মালসহ নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে রাজবাড়ীর ২৫০ জন পুলিশ সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ঘাট এলাকায় যাত্রীদের জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

শিবিরে অপরাধ বন্ধে তৎপর রোহিঙ্গা নেতারা

শিবিরে অপরাধ বন্ধে তৎপর রোহিঙ্গা নেতারা
টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ফাইল ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে তৎপর রয়েছেন রোহিঙ্গা নেতারা। শিবিরে নানা অপরাধ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় রোহিঙ্গা নেতারা ইতোমধ্যে স্বোচ্ছার হয়েছেন।

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে টেকনাফের লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ অপরাধ বন্ধে এক সভার আয়োজন করা হয়েছে। শিবিরের নেতাদের স্ব-উদ্যোগে ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় রোহিঙ্গাদের নিয়ে এই সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় উপস্থিত রোহিঙ্গাদের ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে তৎপর থাকার আহ্বান জানান লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভেলপমেন্ট ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. আলম।

সভা শেষে বিকালে মো. আলমের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা নেতারা শিবিরের ইয়াবা মজুদের খবরে বি-ব্লকের ছালেহ আহমদ, মো. সেলিম, খালেদা ও জহুরার বাড়িতে তল্লাশি চালান। এ সময় পাচারের জন্য তৈরি করা ইয়াবার প্যাকেটসহ এক নারীকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় মো. আলম জানান, শিবিরে অপরাধ কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় রোহিঙ্গা নেতাদের নিয়ে সভা করা হয়েছে। শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে সবাই একই সঙ্গে কাজ করছে। তারই সূত্র ধরে শনিবার বিকালে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ এক নারীকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মো. আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জায়গা দিয়ে কি অপরাধ করেছে? যদি তা না হয় গুটি কয়েক রোহিঙ্গা অপরাধীদের জন্য গোটা রোহিঙ্গারা বদনামের ভাগ নেবে না। এখন থেকে রোহিঙ্গা শিবিরে কাউকে অপরাধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না। ইয়াবায় আসক্ত রোধে বিশেষ করে পরিবারের লোকজনকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী এদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জীবন যাপন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অপরাধ প্রবণতা বন্ধে রাত ৮টার পর লোকজন শিবিরে ঘোরাফেরা করতে পারবে না। শিবিরের ছয়টি ব্লকে তিন হাজার পরিবারের প্রায় ২২ হাজার লোকের বসতি। তাদের জন্য প্রায় ৬০ জনের মতো প্রহরী রয়েছে। তার মধ্যে বিশেষ জরুরি ভিত্তিতে ৩০ জন প্রহরী দায়িত্ব পালন করেন।’

বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার

বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার
লাইনে দাঁড়িয়ে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করছেন বন্যা কবলিত জনগণ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বন্যায় গাইবান্ধা জেলার প্রায় চার লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের টিউবয়েলগুলো পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট। বিশুদ্ধ পানির জন্য তাদের মধ্যে শুরু হয়েছে হাহাকার।

ডেভিট কোম্পানিপাড়ার বাসিন্দা স্বপন মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘এমনিতে আমাদের অন্নের সঙ্কট, সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব।’

এদিকে দূষিত পানির কারণে কারো যাতে ডায়রিয়া বা অন্য কোনো পানিবাহিত রোগ না হয়, সে জন্য কাজ করে যাচ্ছে ‘এভারগ্রিন জুম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ও ভলান্টিয়াররা প্লাবিত এলাকার মানুষদের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। শুধু পানিই নয়, তারা দিচ্ছেন পানি বিশুদ্ধ করণ ট্যাবলেট, খাবার স্যালাইন, কার্বলিক এসিড, অ্যামোডিস ও প্যারাসিটামলসহ বিভিন্ন ধরনের ত্রাণ সামগ্রী।

এরই মধ্যে জেলার গোদারহাট, পুলবন্দি, ফারাজিপাড়া ও কোটিপাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় এক হাজার ৩০০ পরিবারের মধ্যে এসব বিতরণ করেছে সংগঠনটি।

গাইবান্ধা শাখার এ সংগঠনের সমন্বয়ক মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন দাতদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ এবং সংগঠনের অর্থ সমন্বয় করে বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে নিরাপদ পানিসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করে আসছি। দানশীল মানুষরা সহযোগিতা করলে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র