পঞ্চগড়ে জমজামাট মেহেদির বাজার

মোহাম্মদ রনি মিয়াজী, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পঞ্চগড়
দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মেহেদি / ছবি: বার্তা২৪

দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মেহেদি / ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি আর ঈদ মানে নতুন কিছু পাওয়া। তাই আসন্ন ঈদুল ফিতরকে ঘিরে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের নতুন পোশাক কেনার ধুম পড়েছে। ইতোমধ্যে ঈদের কেনাকাটা শেষ হলেও এখন তালিকায় রয়েছে হাতে দেওয়ার মেহেদি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদের বাকি আছে আর মাত্র দুই থেকে তিনদিন। ছোট বড় সকলে ঈদের আগের দিন রাতে চাঁদ দেখে হৈ চৈ করে আনন্দে মেতে ওঠে। ওই দিন থেকেই ‘ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক’ বলে শোরগোলের মাধ্যমে ঈদের আনন্দ উপভোগ করে শিশু কিশোররা।

একই সঙ্গে ঈদ উপলক্ষে হাতে মেহেদি দেওয়া ছোট বড় সকলের কাছে একটি অন্যতম আনন্দের মুহূর্ত। চাঁদ রাতে দেওয়া মেহেদির রং কার হাতে কতটা গাঢ় হয়েছে তা নিয়ে থাকে ব্যাপক উৎসাহ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559550761430.jpg

এদিকে, শিশু-কিশোরদের চাহিদা মেটাতে বাজারের দোকানগেুলোতে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মেহেদি। মেহেদি বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরাও।

ঈদকে ঘিরে দোকানগুলোতে- এলিট, একটিভ গোল্ড, আলফা, মমতাজ, বৌ চৌধুরানী, ম্মার্ট, লীজান, সাত ভাই চাম্পা,গাজীসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে মেহেদি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মেহেদি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৬০ টাকা দরে।

বাবার হাত ধরে মেহেদি কিনতে আসা ছোট্ট শিশু রোজা মনি বার্তা২৪.কমকে বলে, ‘আমি মেহেদি কিনতে আব্বুর সঙ্গে বাজারে এসেছি। ঈদের দিন দু’হাতে মেহেদি দিব। বন্ধুদের সঙ্গে মজা করব।’

মেহেদি নিতে আসা সেলিনা খাতুন নামে এক নারী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘হাতে মেহেদি দেওয়া সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে শখের বশেই ঈদ উপলক্ষে হাতে মেহেদি দেই। তাই কিনতে আসা।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559550792377.jpg

এ বিষয়ে পঞ্চগড় শহরের ফজলুল করিম নামে এক দোকানদার বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ঈদুল ফিতরে মেহেদির অনেক চাহিদা থাকে। ঈদের আগেই মেহদি বেশি বিক্রি হয়।’

একই কথা জানালেন তেঁতুলিয়া উপজেলার মুসলিম উদ্দিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমি ঈদের আগে শুধু মেহেদি বিক্রি করি। এবার অনেক সাড়া পাচ্ছি। আশা করি চাঁদ রাত পর্যন্ত বিক্রি হবে মেহেদি। শিশুদের পাশাপাশি নারী ও পুরুষরাও হাতে মেহেদি দেওয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন :