Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

তথ্য গোপন করে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের ভারত সফর

তথ্য গোপন করে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের ভারত সফর
শম্ভুনাথ সরকার
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নেত্রকোণা


  • Font increase
  • Font Decrease

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শম্ভুনাথ সরকার স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমতি না নিয়ে চাকরির তথ্য গোপন করে ভারত সফরে যাওয়ায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দেশে ফিরলেই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

চাকরির তথ্য গোপন রেখে গত ২৯ মে বুড়িমারী চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যান শম্ভুনাথ সরকার। পাসপোর্ট ও ভিসায় প্রাইভেট চাকরির কথা উল্লেখ করে প্রায়ই ভারতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান তিনি।

জানা যায়, ২৫ মে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবর নৈমিত্তিক ছুটিসহ ২৯ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত ৪ দিনের জন্য ছুটির আবেদন করেন শম্ভুনাথ সরকার। ছুটির আবেদনে কোথায় অবস্থান করবেন উল্লেখ করেননি এবং মোবাইল নম্বরও দেননি।

২৮ মে রাতে ময়মনসিংহ থেকে যশোদা পরিবহনে বুড়িমারী চেকপোস্ট দিয়ে ভারতের চেংরাবান্দা হয়ে শিলিগুড়ির আশিঘর এলাকায় যান শম্ভুনাথ। ২৯ মে থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকে।

বুড়িমারী চেকপোস্টে কর্মরত বুলু আহম্মেদ বলেন, ২৯ মে শম্ভুনাথ সরকার ভারতে গিয়েছেন। ব্যবসায়িক কারণ দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বছরে ২/৪ বার ভারতে যান। পুরাতন পাসপোর্ট দেখিয়ে নতুন ডিজিটাল প্রাইভেট পাসপোর্ট করে নির্বিঘ্নে ভারত সফর করেন তিনি। তবে তিনি চাকরি করেন সে বিষয়টি আমাদের কোনদিন বলেননি।

ভারতের চেংরাবান্দা চেকপোস্টে কর্মরত বাবন জানান, শম্ভুনাথ সরকারের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তিনি প্রায়ই ভারতে যান। তথ্য গোপন করে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে শম্ভুনাথ সরকার ভারত গিয়ে থাকেন বলেও জানান বাবন।

মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুবীর রায় বলেন, শম্ভুনাথ সরকারের বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যাওয়ার নিয়ম নেই।

নেত্রকোনার সিভিল সার্জন ডা. মো. তাজুল ইসলাম খান বলেন, শম্ভুনাথ সরকারের বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্বে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী মাহমুদ আকন্দ বলেন, অফিস ফাঁকি দিয়ে বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে অবশ্যই শম্ভুনাথ সরকারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শম্ভুনাথ সরকার ভারতে অবস্থান করায় তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ রয়েছে। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরে সেরা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ

ফরিদপুরে সেরা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ
ফরিদপুরের সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ/ ছবি: সংগৃহীত

২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় ফরিদপুরে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ। অপরদিকে সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে বাখুন্ডা কলেজ।

ফরিদপুর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে এক হাজার ৬০৯ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাশ করেছে এক হাজার ৩৬৮ জন। পাশের হার ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন।

সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘সকল শিক্ষার্থীকে গভীর নজরদারির মধ্যে রেখেছি। যারা বার্ষিক পরীক্ষায় খারাপ করেছে তখন তাদের অভিভাবকদের ডেকে এনে বিষয়টি বলেছি, যাতে তারা মেয়েদের পড়ার ব্যাপারে নজর রাখতে পারেন। এভাবে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত চেষ্টায় এ সাফল্য।’

এদিকে বাখুন্ডা কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ১০৩ জন। পাশ করেছে ২৩ জন। পাশের হার ২২ দশমিক ৩৩।

খারাপ ফলাফলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাখুন্ডা কলেজের অধ্যক্ষ মো. সেলিম মিয়া বলেন, ‘দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষরা বিনা বেতনে কাজ করছেন। ফলে নিয়মিত পাঠদান করা সম্ভব হয় না। এই কলেজে ভালো শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয় না। নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলেও রাজনৈতিক চাপে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হয়। এ কারণে ফল ভালো হয়নি।’

কৃষকের ঘরে ১৭ গোখরার বাচ্চা

কৃষকের ঘরে ১৭ গোখরার বাচ্চা
জাকির মোল্লার ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সাপগুলো। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আউশিয়া গ্রামে জাকির মোল্লা নামে এক কৃষকের বাড়ি থেকে ১৭টি গোখরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে তার বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে সাপের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয়।

কৃষক জাকির মোল্লা জানান, বিকেলে বসত ঘরের মাচার নিচে একটি গোখরা সাপের বাচ্চা দেখতে পান তার মা। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় ঘরের মেঝে খোঁড়ার কাজ শুরু করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা ১৭টি গোখরা সাপের বাচ্চা ও ২৩টি ডিমের খোসা উদ্ধার করেন। মা সাপ ও বাকি বাচ্চাগুলো উদ্ধারের আশায় মেঝের বাকি অংশে খননের কাজ চলছে।

তবে উদ্ধার হওয়া ওই ১৭ গোখরা সাপের বাচ্চাকে মেরে ফেলা হয়েছে বলেও জানান কৃষক জাকির মোল্লা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র