Alexa

বান্দরবানে জমি দখলের অভিযোগ

বান্দরবানে জমি দখলের অভিযোগ

জমি দখলের অভিযোগে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে রামজাদীর প্রতিষ্ঠাতা বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু উচহ্লা ভান্তের বিরুদ্ধে খ্রিস্টান ক্যাথলিক মিশনসহ ২০ জনের একশ একর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১২ জুন) দুপুরে বান্দরবান শহরের রিস্বংসং রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বান্দরবান ফাতিমা রানী ক্যাথলিক মিশন গির্জার ফাদার জেরোম ডি’ রোজারিও, বান্দরবান বোমাং সার্কেলের মৌজা হেডম্যান রাজপুত্র নংমংপ্রু মারমা, জেলা বড়ুয়া কল্যাণ সমিতির প্রেসিডেন্ট দিলীপ বড়ুয়া, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ফিলিপস ত্রিপুরা, আমেনা বেগম প্রমুখ।

ফাদার জেরোম ডি’ রোজারিও অভিযোগ করে বলেন, উচহ্লা ভান্তে একজন ধর্মীয় গুরু। তারপরও তিনি কিভাবে আরেকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জমি জোরপূর্বক দখল করে নেন, বিষয়টি আমার বোধগম্য হয় না। ক্যাথলিক মিশনের ৫.৫৭ একর জমি উচহ্লা ভান্তের পিতার কাছ থেকে কেনা হয়েছিল। এই জায়গা থেকে উৎপাদিত ধান দিয়ে চলতো মিশনের শিশুদের খাওয়া-দাওয়া। কিন্তু ২০১৪ সালে রাতের আঁধারে জায়গাগুলো দখল করে নেওয়া হয়। অবৈধ দলখ উচ্ছেদ করতে আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে।

হেডম্যান রাজপুত্র নংমংপ্রু বলেন, আমার পিতা প্রয়াত রাজা মংশৈপ্রু চৌধুরীর আমল থেকেই জায়গাটি আমাদের দখলে ছিলো। ৮ একর জায়গায় আমাদের ধানের চাষাবাদ ছিল। কিন্তু গভীর রাতে জায়গাগুলো দখল করে নিয়েছেন উচহ্লা ভান্তে। শুধু আমার জমি নয়, পার্শ্ববর্তী ২০ জনের প্রায় একশ একর জমি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন তিনি। আমরা জমি ফিরে পেতে আদালতের আশ্রয় নিয়েছি।

জেলা বড়ুয়া কল্যাণ সমিতির প্রেসিডেন্ট দিলীপ বড়ুয়া বলেন, রামজাদীর প্রতিষ্ঠাতা উচহ্লা ভান্তে একজন বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু। ধর্মীয় নেতা হিসাবে আমরা তাকে সম্মান করি। কিন্তু ধর্মীয় নেতার হওয়ার পরও তিনি বড়ুয়া সমিতি’সহ ২০ জনের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছেন। যে কারণে তার সঙ্গে নিজের ধর্মের লোকজনের বিরোধ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন :