Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
সড়ক দুর্ঘটনার প্রতীকী ছবি
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বাস চাপায় শরীফ মিয়া (১৮) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) দুপুরে কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শরীফ উপজেলার বাদৈর ইউনিয়নের বাদৈর গ্রামের আওলাদ মিয়ার ছেলে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অপর আরোহী রিফাত মিয়া (১৬) নামের একজন আহত হয়। রিফাত একই এলাকার কামাল মিয়ার ছেলে।

আহত রিফাত মিয়া জানান, দুপুরে মোটরসাইকেলে করে কসবার মনকসাই এলাকা থেকে তিনলাখপীর এলাকায় যাওয়ার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাস মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই শরীফ নিহত হয়।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হোসেন সরকার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ট্রাকের চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় কাঁচা মরিচ এখন কৃষকের গলার কাঁটা

গাইবান্ধায় কাঁচা মরিচ এখন কৃষকের গলার কাঁটা
মরিচের উৎপাদন ভালো হলেও দাম পাচ্ছেন না চাষিরা, ছবি: বার্তা২৪

মরিচ উৎপাদন এলাকা হিসেবে পরিচিত গাইবান্ধার ধাপেরহাট। এ এলাকার কৃষকরা অধিক পরিমাণে মরিচের আবাদ করে থাকেন। অন্যান্য বছরে মরিচ আবাদ করে লাভের মুখ দেখলেও এবারের মৌসুমে মরিচ যেন কৃষকের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পানির দামে মরিচ বিক্রি করে লোকসানের হিসাব গুনছেন তারা।

বুধবার (২৬ জুন) সরেজমিনে বাজারের এই পরিস্থিতি বার্তা২৪.কম-এর কাছে ফুটে ওঠে।

গত বছর মরিচ চাষিরা ভালো দাম পেলেও এবার সেই দাম পাচ্ছেন না। যে কারণে উৎপাদন ভালো হলেও এতো পরিমাণ মরিচ কীভাবে বিক্রি করবেন সেটা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন চাষিরা। অনেকেই পচে যাওয়ার ভয়ে লোকসান দিয়েই বিক্রি করে ফেলছেন মরিচ।

কৃষক জয়নাল আবেদীন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘গত বছর ২৫ শতক জমিতে মরিচ আবাদ করেছিলাম। বাজারে দাম ঠিক থাকায় ভাল মুনাফা পেয়েছিলাম। এবারে ৪০ শতক জমিতে মরিচ চাষ করি। ফলন ভাল হলেও ন্যায্য মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমান বাজারের ৪০০-৫০০ টাকা মণ দরে মরিচ বিক্রি করতে হচ্ছে। এর ফলে লোকসানের হিসাব গুণতে হচ্ছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561548726617.jpg

আরেক কৃষক শাহাআলম মিয়া বার্তা২৪.কমকে জানান, মরিচ চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা। এতে প্রায় ৪০-৫০ মণ মরিচ উৎপাদন হয়। বাজারে মরিচের দাম ঠিক থাকলে ২০-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নীট লাভ করা সম্ভব। সপ্তাহ খানেক আগে প্রতি মণ মরিচের দাম ছিল আড়াই হাজার টাকা। আর এখন বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৪০০-৫০০ টাকা। এর ফলে জমিতে মরিচ রাখা কিংবা উত্তোলন করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

পাইকারি বাজারে মরিচের দাম কমলেও উত্তাপ কমেনি খুচরা বাজারে। ক্রেতারা এখনো বেশি দাম দিয়েই কাচা মরিচ কিনছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাজির হোসেন, খয়বার আলী ও লুৎফর রহমান নামের কয়েকজন ক্রেতা বার্তা২৪.কমকে অভিযোগ করে বলেন, ‘পাইকারি বাজারে মরিচের দাম কমলেও, কমেনি খুচরা বাজারের দাম। এখনো প্রতি কেজি মরিচ ১৫-২০ দিয়ে কিনতে হচ্ছে।’

উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, সম্প্রতি কাঁচা মরিচের উৎপাদন বেশি। তুলনামূলকভাবে চাহিদা কম থাকায় বাজার মূল্য কিছুটা কমেছে। তবে আর কিছু দিন পরই দাম বাড়তে পারে।

 

১৪ দিন ধরে অচল বেনাপোল কাস্টমসের স্ক্যানার

১৪ দিন ধরে অচল বেনাপোল কাস্টমসের স্ক্যানার
বেনাপোল স্থলবন্দরের স্ক্যানার, ছবি: বার্তা২৪

বেনাপোল স্থলবন্দরের কাস্টমস চেকপোস্টে চোরাচালান প্রতিরোধে ব্যবহৃত একমাত্র স্ক্যানারটি প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে অচল হয়ে আছে। এটি মেরামতে কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ মূল্যবান সামগ্রী পাচারের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, চোরাচালান প্রতিরোধে ব্যবহৃত এই স্ক্যানারটি প্রতিমাসে একবার করে অচল হয়। এতে চেরাকারবারীরা এ পথ দিয়ে নির্ভয়ে পাচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে, মেশিনটির যন্ত্রাংশ নষ্ট হলে দেশে পাওয়া যায় না। ফলে মেরামতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। বিষয়টি ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে বেনাপোল দিয়ে চিকিৎসা,ব্যবসা ও ভ্রমণসহ বিভিন্ন কাজে যাত্রীদের যাতায়াত বেশি। প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার যাত্রী যাতায়াত করছে। তেমনি অনুন্নত অবকাঠামোর কারণে, চোরাচালানীরাও এ পথকে নিরাপদ ভেবে স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রাসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী যাত্রীর ছদ্দবেশে পাচার করছে। বেনাপোল কাস্টমসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় এ সমস্ত চালানের অধিকাংশ আটক হচ্ছে ভারতের পেট্রাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে।

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে গিয়ে জানা যায়, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে যাত্রীর ব্যাগেজ পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত স্ক্যানারটি সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে আছে। ব্যাগ পরীক্ষা না করেই কাস্টমস সদস্যরা সব ধরনের যাত্রীদেরকে ভারত প্রবেশে অনুমতি দিচ্ছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী পারভেজ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘প্রতি বছর এপথ দিয়ে যে পরিমাণ যাত্রী যাতায়াত করে তা থেকে সরকার প্রায় শত কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত যাত্রী সেবা নেই কাস্টমসে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়নও নেই। এ প্রকার দুর্ভোগ ও হয়রানির মধ্য দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াত করতে হয়। এছাড়া কাস্টমসের সহযোগিতায় অবাধে পাচার হচ্ছে অনেক পণ্য। এতে কাস্টমসের কারও পকেট ভারী হলেও সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।’

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, স্ক্যানার অচল থাকায় পাচারের সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। পাঁচ হাজার যাত্রীর ব্যাগ তো আর হাতে তল্লাশি করা যায় না। বিষয়টি কাস্টমসের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। এছাড়া যে যন্ত্রটি নষ্ট হয়েছে তার মূল্য ১২ লাখ টাকা। দেশেও এটি কিনতে পাওয়া যায় না। তাই অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র