Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ওসি মোয়াজ্জেমের পালানো ঠেকাতে বেনাপোলে সতর্কতা

ওসি মোয়াজ্জেমের পালানো ঠেকাতে বেনাপোলে সতর্কতা
ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বেনাপোল (যশোর)


  • Font increase
  • Font Decrease

মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় ফেনী সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনেকে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। নিষেধাজ্ঞায় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডকে (বিজিবি) সর্বোচ্চ সর্তক থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ জুন) দিবাগত রাতে সতর্কতার বিষয়টি বেনাপোল ইমিগ্রেশন ও বিজিবি কর্তৃপক্ষ বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করেছেন।

কর্তৃপক্ষ জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় বেনাপোল ইমগ্রেশন ও সীমান্ত পথে বিভিন্ন কৌশলে ভারতে যাওয়ার সুযোগ থাকে।

এদিকে ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের গ্রামের বাড়ি যশোরে হওয়ায় সীমান্ত পথে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। এজন্য কর্তৃপক্ষ বেনাপোল সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছেন।

বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবির বেনাপোল ক্যাম্পের সুবেদার সাইফুল ইসলাম শুক্রবার দিবাগত রাতে বার্তা২৪.কম-কে জানান, সীমান্ত পথে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে তারা সবসময় সতর্ক আছেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবুল বাশার শুক্রবার দিবাগত রাতে বার্তা২৪.কম-কে জানান, ঢাকা পুলিশের এসবি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) থেকে একটি নির্দেশনায় ওসি মোয়াজ্জেমের বেনাপোল ইমিগ্রেশন হয়ে দেশ ত্যাগ না করতে পারার বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এর আগে, মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে এবং তা ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানোর অভিযোগে ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমন। এ মামলায় তার বিরুদ্ধে গত ২৭ মে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। বর্তমানে তিনি পলাতক অবস্থায় আছেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলার নামে থানায় অভিযোগ করা হয়। পরে পুলিশ মাদরাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলাকে আটক করে। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগিরা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচদিন মুত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা যায় নুসরাত জাহান রাফি।

আপনার মতামত লিখুন :

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত
খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসিদের, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি ধীর গতিতে কমতে শুরু করায় কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনও চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ অবস্থায় ঘর-বাড়ি থেকে পানি নেমে না যাওয়ায় চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার পরিবার ১০/১২ দিন নৌকায় বসবাস করছে। ঘরে ফিরতে পারছেন না উঁচু এলাকায় আশ্রয় নেয়া বানভাসি মানুষ। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসিদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563692543534.jpg
এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে ডায়রিয়া, জ্বরসহ নানা পানিবাহিত রোগ

 

এদিকে বাঁধ ভাঙা বন্যার পানিতে এখনও তলিয়ে আছে চিলমারী উপজেলা শহরের রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়ি, অফিসসহ বিভিন্ন স্থাপনা। 

বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে ডায়রিয়া, জ্বরসহ নানা পানিবাহিত রোগ। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ও কোনো  কাজ না থাকায় চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন বন্যা কবলিত দিনমজুর শ্রেণির মানুষ। 

সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ তৎপরতা শুরু হলেও তা জেলার ৯ উপজেলায় ৮ লক্ষাধিক বানভাসি মানুষের জন্য অপ্রতুল। 

শেষ হচ্ছে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ব্যস্ত জেলেরা

শেষ হচ্ছে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ব্যস্ত জেলেরা
২৩ জুলাই থেকে জেলেরা আবার সাগরে মাছ ধরতে পারবে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার শেষদিকে জেলেদের মাছ শিকারে যেতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আর এই প্রস্তুতির বড় একটি অংশ জুড়ে আছে ট্রলার ও নৌকা গুলো মাছ ধরার উপযোগী করে তোলা। এ কারণে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর-আলিপুর মৎস্য বন্দর সংলগ্ন ডকইয়ার্ড গুলোতে এখন চলছে রাত-দিন ব্যস্ততা।

ডকইয়ার্ডে কাজ শেষে নৌযান গুলো পানিতে নামানো হয়েছে। আবার কেউ শেষ মুহূর্তে জোড়া তালির কাজে ব্যস্ত। তবে ২৩ জুলাইয়ের কাজ শেষ করতে ট্রলার মালিক ও মাঝিদের মধ্যে চলছে জোরালো তাগিদ। তাই সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত শ্রমিকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563690802780.jpg
সমুদ্র সীমানায় ২০মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার

 

মহিপুর মৎস্য বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, এই অবরোধের সময়ে তারা অনেকই তাদের ট্রলার এবং নৌকা গুলোর প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ করিয়েছেন, যাতে করে এই মৌসুমে অন্তত নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারেন। এ ছাড়া অনেকেই ট্রলারের ইঞ্জিনের ছোট বড় কাজ গুলো সেরে নিয়েছেন। এর ফলে মৎস্য ব্যবসায়ী ও জেলেদের এবার বাড়তি টাকাও বিনিয়োগ করতে হয়েছে।

এদিকে জেলেদের দুই মাসেরও অধিক সময় মাছ শিকারের সুযোগ না থাকা এবং আয় না হওয়ায় অনেকেই টাকার অভাবে তাদের নৌযান মেরামত করতে পারেনি। এরপরও ধার দেনা করে কেউ নৌযান মেরামতের কাজ সম্পন্ন করেছেন। এই ক্ষেত্রে মহাজন ও মাছের গদির মালিকদের কাছ থেকে অনেকেই দাদন নিয়েছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563690966990.jpg
২৩ জুলাই রাতেই নৌযান নিয়ে মাছ শিকারে যাবে বলে জানান জেলেরা 

 

তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে আগামী ২৩ জুলাই রাতেই এসব নৌযান প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও খাবার নিয়ে আবারও সাগরে মাছ শিকারে যাবে বলে জানান উপকূলীয় জেলেরা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশর সমুদ্র এলাকার মৎস্য সম্পদ উৎপাদন ও মজুত বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবারই প্রথম বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানায় ২০মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে সকল ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র