Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সুন্দরগঞ্জে জমে উঠেছে ভোটের প্রচারণা

সুন্দরগঞ্জে জমে উঠেছে ভোটের প্রচারণা
ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
গাইবান্ধা


  • Font increase
  • Font Decrease

আর মাত্র একদিন বাদেই অনুষ্ঠিত হবে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। পঞ্চম ধাপের তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৮ জুন ১১১টি কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে এ ভোটগ্রহণ।

তিনটি পদের বিপরীতে ইতোমধ্যে ১৪ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে লড়ছেন। প্রায় সাড়ে তিন লাখ ভোটারের পেছনে বিরামহীনভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তারা। প্রার্থীদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে চারজন, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে ছয়জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চেয়ারম্যান পদে চার প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আশরাফুল আলম সরকার লেবু, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকে আহসান হাবীব সরকার খোকন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীকে খয়বর হোসেন সরকার মওলা ও মোটরসাইকেল প্রতীকে গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/16/1560648762285.jpg
চলছে প্রচারণা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

 

এদিকে নির্বাচনের শেষ সময়ে এসে এ প্রার্থীরা ভোরের সূর্য উঠার সাথেই নেমে পড়ছেন মাঠে। তারা নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে হাজির হচ্ছেন ভোটারদের সামনে। ফলে কদর বেড়েছে ভোটারদের। সেই সাথে নতুন ভোটাররা যেন সোনার হরিণ। সবমিলে ভোটের মাঠ এখন সরব হয়ে উঠেছে।

অপরদিকে সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ ভোট হবে, কি হবে না, এ নিয়ে নানা সংশয় রয়েছে ভোটারদের মাঝে। সেই সাথে কে হারবেন, কে জিতবেন এ নিয়ে চলছে নানা হিসাব নিকাশ। কী হলে কী হবে, সে নিয়েও চলছে আলোচনা।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৩৯ হাজার ২১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৬৫ হাজার ৩৪১ ও মহিলা ভোটার এক লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৭ জন।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সোলেমান আলী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ ধরে রাখতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

বিধবা ও কলেজ ছাত্রকে পেটানোর অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

বিধবা ও কলেজ ছাত্রকে পেটানোর অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে
আহত কলেজ ছাত্র সাফায়াত উল্লাহ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জোরপূর্বক সম্পত্তি দখলে নিতে এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধবা আমেনা বেগমকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় বিধবাকে বাঁচাতে গেলে সাফায়াত উল্লাহ নামে এক কলেজ ছাত্রকেও পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাতে ওই ছাত্র সাংবাদিকদের কাছে স্কুল শিক্ষক বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।

জানা গেছে, বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার কাশিমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

বিধবা আমেনা ওই গ্রামের মালের বাড়ির মৃত আানোয়ার উল্লাহ স্ত্রী। সাফায়াত একই বাড়ির মৃত হারুনুর রশিদ ছেলে ও রামগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্র।

অভিযুক্ত বাহাউদ্দিন উপজেলার কেএম ইউনাইটেড একাডেমির প্রধান শিক্ষক।

অভিযোগে বলা হয়, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে আমেনা বেগমের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারা করছে তার দেবর বাহাউদ্দিন ও সহিদুল্লাহ। ঘটনার সময় আমেনা গাছ থেকে নারিকেল পাড়ছিলেন। এসময় বাহাউদ্দিনরা গিয়ে বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বাহাউদ্দিন, সহিদুল্লাহ ও তার ছেলে মো. রিপন এবং নাজমুল আলম আরমান ক্ষিপ্ত হয়ে আমেনাকে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে পা ভেঙে দেয়। তাকে বাঁচাতে গেলে কলেজ ছাত্র সাফায়াতকেও পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয়। এসময় তার মাথায় গুরুতর জখম হয়।

এ ব্যাপারে আমেনা বেগম বলেন, আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে বাহাউদ্দিনরা জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করছে। নারিকেল পাড়তে গেলে তারা আমাকে পিটিয়ে পা ভেঙে দেয়। আমি এ ঘটনায় মামলা করবো।

অভিযোগ অস্বীকার করে বাহাউদ্দিন বলেন, মারামারির ঘটনা আমি শুনেছি। তবে ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমাকে কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি ঘাট/ ফাইল ছবি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া অভিমুখী একটি ফেরির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যাওয়ায় ফেরিটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ফেরিটি পাটুরিয়া ফেরিঘাট পন্টুনে এসে পৌঁছায়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি পাটুরিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল বলেন, ‘কেরামত আলী ফেরি ছোট বড় ২০টি যাত্রীবাহী গাড়ি নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

প্রবল স্রোতের বিপরীতে ফেরিটি দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে যায়। কিন্তু দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে নদীতে স্রোত বেশি থাকায় ফেরিটি বার বার চেষ্টা করেও ঘাটে ভিড়তে পারেনি।

স্রোতের বিপরীতে দফায় দফায় চেষ্টা করার কারণে এক পর্যায়ে ফেরিটির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যায়। ইঞ্জিন দুর্বল থাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

তবে এতে ফেরির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। ফেরিতে থাকা গাড়ি বা যাত্রীদেরও কোনো ক্ষতি হয়নি। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেরিটি দৌলতদিয়া থেকে রাতেই পাটুরিয়ায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ফেরিতে থাকা গাড়ি ও যাত্রীদের অন্য ফেরিতে নিরাপদে দৌলতদিয়া ঘাটে পাঠানোর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান মহিউদ্দিন রাসেল।

এদিকে ফেরির যাত্রীরা মোবাইল ফোনে কিংবা মেসেঞ্জারে ফেরিতে আগুন ধরার খবর তাদের পরিবার ও স্বজনদের জানালে মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এতে খুবই চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে যাত্রীদের পরিবার।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অঞ্চলের ডিজিএম আজমল হোসেন বলেন, ‘তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। ফলে বিপুল সংখ্যক গাড়ি পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে।’

ভাসমান কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী স্বদেশ প্রসাদ মণ্ডল বলেন, ‘পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌপথে যে ফেরিগুলো আছে তার অধিকাংশই পুরাতন। স্রোতের বিপরীতে চলতে যেয়ে মাঝে মধ্যেই ফেরি বিকল হয়ে পড়ছে। ছোট ফেরি স্রোতের প্রতিকূলে চলতেই পারছে না। তবে ফেরি মেরামতে সাধ্যমত চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পাটুরিয়া ঘাট পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আরাফাত রাসেল বলেন, ‘নদীতে তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকটে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। পানি বাড়ার ফলে পন্টুন ডুবে যাচ্ছে। এ কারণে প্রতিদিনই পন্টুন সরিয়ে উপরে উঠানো হচ্ছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র