Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঝালকাঠির সুগন্ধা তীরে হচ্ছে 'ডিসি পার্ক'

ঝালকাঠির সুগন্ধা তীরে হচ্ছে 'ডিসি পার্ক'
সুগন্ধা নদীর তীর, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঝালকাঠি


  • Font increase
  • Font Decrease

ঝালকাঠি শহরের মানুষের চিত্ত বিনোদনের জন্য তেমন কোনো স্থান নেই। তাই বিভিন্ন উৎসবে গাবখান সেতুতে মানুষের ঢল নামে। ওই সেতুই ছিল ঘুরতে পছন্দ করা মানুষের একমাত্র বিনোদনের স্থান।

স্থানীয়দের চিত্তবিনোদনের কথা চিন্তা করে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে তোলা হচ্ছে ‘ডিসি পার্ক’। শহরের সুগন্ধা নদী তীরের লিচু তলা এলাকায় মনোরম পরিবেশে পার্কটি করা হচ্ছে। দ্রুত গতিতে পার্কের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে।

জানা যায়, ঝালকাঠি শহরের সুগন্ধা নদী তীরের লিচুতলা এলাকায় বিনোদনপ্রেমীদের যাতায়াত ছিল আগে থেকেই। জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক ওই স্থানটির সৌন্দর্য বর্ধন করে ডিসি পার্ক হিসেবে গড়ে তেলার সিদ্ধান্ত নেন।

গাছের ছায়ায় সারাক্ষণই শীতল থাকে স্থানটির পরিবেশ। ছায়াসুনিবির পার্কে বসে দেখা যাবে সুগন্ধা নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। পড়ন্ত বিকেলে পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয়ে উঠবে পার্ক। রাতেও ঘুরতে আসা মানুষের সুবিধার্থে স্থাপন করা হয়েছে নানা ধরনের আলোকসজ্জা। পার্কের মধ্যে থাকবে পিকনিক স্পট। শিশুদের জন্য বিভিন্ন খেলনা নির্মাণের প্রস্তুতিও চলছে। এছাড়া থাকবে কফি কর্নার, একটি ওভার ব্রিজ। সীমানা প্রাচীর দিয়েও নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়া হবে।

ঝালকাঠির শহরের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট শামীম আলম বাবু বলেন, ‘শহরের মধ্যে ঘুরতে যাওয়ার কোনো পরিবেশ বা স্থান নেই। মানুষ ঈদ বা অন্য কোনো বিশেষ সময় গাবখান সেতুতে ঘুরতে যায়। আমরাও অনেকবার গিয়েছি। এখন শহরের মধ্যেই নদীতীরে একটি পার্ক হচ্ছে। এখানে মানুষের ভীর বেশি থাকবে। কারণ পরিবেশটা অত্যন্ত ভাল ও মনোরম।’

টিআইবির সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সহ-সভাপতি সাংবাদিক হেমায়েত উদ্দিন হিমু বলেন, ‘পার্কটি গড়ে উঠলে মানুষের চিত্তবিনোদনের একটি নির্দিষ্ট স্থান হবে। নদীর তীরে বসে 'সমুদ্র বিচে ঘোরার মতো' তৃপ্তি পাওয়া যাবে। সন্ধ্যায় সূর্যাস্ত দেখাও যাবে। জেলা প্রশাসকের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। এ কর্মের জন্য জেলাবাসী তাকে দীর্ঘদিন মনে রাখবে।’

ঝালকাঠি সরকারি হরচন্দ্র বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তৌহিদ হোসেন খান বলেন, ‘আমাদের শহরের মধ্যে একটি সুন্দর পার্ক হচ্ছে, এটা আনন্দের খবর। সুগন্ধা নদীর সৌন্দর্যও দেখা যাবে পার্কে বসে। একই সঙ্গে নদী দেখা হলো, আবার মনোরম পরিবেশে সময় কাটানোও গেলো। তবে পার্কের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। তাহলে শিশু, কিশোর ও বয়স্করাও সেখানে গিয়ে বসতে পারবে।’

ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের সভাপতি, শিশু সংগঠক কাজী খলিলুর রহমান বলেন, ‘পার্কটির সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শেষ হলেও এটি জেলার আকর্ষণীয় স্থান হবে। এখানে মানুষ চিত্তবিনোদনের জন্য ছুটে আসবে। জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক একজন ভালো মানুষ বিধায়, সব ভালো কাজগুলো হচ্ছে। ডিসি পার্ক এবং কালেক্টরেট স্কুলটি করে জেলাবাসীকে ধন্য করেছেন।’

এ ব্যাপারে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক বলেন, ‘ঝালকাঠিতে কালেক্টরেট স্কুল ছিল না। আমরা সুগন্ধা নদী তীরে স্কুল করেছি। তার পেছনে ছায়াসুনিবির পরিবেশে আমরা ডিসি পার্ক করছি। পার্কের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে। কাজ সম্পন্ন হলে ডিসি পার্কটি একটি আকর্ষণীয় স্থান হবে। মানুষ নিরাপদে ঘুরতে পারবেন।’

 

আপনার মতামত লিখুন :

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গোলাম কিবরিয়া মিন্টু (৩৩) নামে মাদক মামলার এক আসামিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ সিদ্দিক উল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু স্থানীয় ইমান আলী চৌকিদার বাড়ির ইসমাইলের ছেলে। কোম্পানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, মিন্টু মাদক মামলাসহ মোট ছয়টি মামলার আসামি। গত ১৫ দিন আগে তিনি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পান।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্র্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির ভাই গোলাম আজম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে একই এলকার শেখ ফোরমানের বাড়ির আজাদের ছেলে তানভির (২৫), পাটোয়ারী হাটের পটু ডাক্তার বাড়ির নুর আমিনের ছেলে ফয়সালসহ কয়েকজন মিন্টুকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে চোখ, হাত ও পা বেঁধে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর হন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মিন্টুকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহত মিন্টুর পরিবার।

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ছেলেসহ বাবার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় হাফিজাবাদ ইউনিয়নে পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকার আইজুদ্দীনের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৬৩) এবং তার দুই ছেলে নাজিরুল ইসলাম (৩৬) ও আশাদুল (২২)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশে একটি খালে কারেন্ট জাল বসিয়েছিলেন নাজিরুল। কিন্তু বৈদ্যুতিক তার পানিতে পড়ে যাওয়ায় জাল তুলতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এরপর নাজিরুলের ছোট ভাই আশাদুল তার বড় ভাই ও বাবাকে উদ্ধার করতে পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ছেলেসহ বাবাকে আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু আক্কাস আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান' এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র