Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারী-শিশুকে বেনাপোলে হস্তান্তর

ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারী-শিশুকে বেনাপোলে হস্তান্তর
ভারতে পাচার হওয়া ৬ বাংলাদেশি নারী-শিশু, ছবি: সংগৃহীত
আজিজুল হক
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম



  • Font increase
  • Font Decrease

ভাল কাজের প্রলোভনে বিভিন্ন সময় ভারতে পাচার হওয়া ছয় বাংলাদেশি নারী ও শিশুকে দুই বছর পর বেনাপোলে হস্তান্তর করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ’র সদস্যরা।

সোমবার (১৭ জুন) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল ক্যাম্পের বিএসএফ ও ইমিগ্রেশন পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে বেনাপোল চেকপোস্ট বিজিবি ও ইমিগ্রেশন পুলিশ সদস্যদের হাতে তুলে দেয়। পরে বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি তাদের গ্রহণ করে।

ফিরে আসা নারী ও শিশুরা হলো- বাগেরহাটের হারেজের মেয়ে হেপি ( ১৬), হাফিজুর শেখের মেয়ে পপি খাতুন (১৮), নড়াইলের আলেমা বেগম (৩০), খুলনার ফাতিমা বেগম (২৫), নড়াইলের চুমকি খাতুন (১৭) ও ফরিদপুরের সিমা আক্তার (১৬)।

জানা যায়, ভাল কাজের প্রলোভন দেখিয়ে দুই বছর আগে দালালের খপ্পড়ে পড়ে সীমান্ত পথে এরা ভারতে যায়। এ সময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে। সেখান থেকে ভারতের একটি এনজিও সংস্থা তাদেরকে শেল্টার হোমে রাখে। পরবর্তীতে দু'দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পর তারা স্বদেশ ফিরে আসে।

বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির যশোর শাখার আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাসিমা খাতুন বার্তা২৪.কমকে জানান, পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ফেরত আসা বাংলাদেশি নারী ও শিশুদের গ্রহণ করা হয়েছে।

তাদের অভিভাবকরা যদি পাচারকারীদের সনাক্ত করে মামলা করতে চায় তাহলে আইনি সহায়তা করা হবে বলেও জানান এই এনজিও কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরে সেরা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ

ফরিদপুরে সেরা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ
ফরিদপুরের সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ/ ছবি: সংগৃহীত

২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় ফরিদপুরে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ। অপরদিকে সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে বাখুন্ডা কলেজ।

ফরিদপুর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে এক হাজার ৬০৯ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাশ করেছে এক হাজার ৩৬৮ জন। পাশের হার ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন।

সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘সকল শিক্ষার্থীকে গভীর নজরদারির মধ্যে রেখেছি। যারা বার্ষিক পরীক্ষায় খারাপ করেছে তখন তাদের অভিভাবকদের ডেকে এনে বিষয়টি বলেছি, যাতে তারা মেয়েদের পড়ার ব্যাপারে নজর রাখতে পারেন। এভাবে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত চেষ্টায় এ সাফল্য।’

এদিকে বাখুন্ডা কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ১০৩ জন। পাশ করেছে ২৩ জন। পাশের হার ২২ দশমিক ৩৩।

খারাপ ফলাফলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাখুন্ডা কলেজের অধ্যক্ষ মো. সেলিম মিয়া বলেন, ‘দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষরা বিনা বেতনে কাজ করছেন। ফলে নিয়মিত পাঠদান করা সম্ভব হয় না। এই কলেজে ভালো শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয় না। নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলেও রাজনৈতিক চাপে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হয়। এ কারণে ফল ভালো হয়নি।’

কৃষকের ঘরে ১৭ গোখরার বাচ্চা

কৃষকের ঘরে ১৭ গোখরার বাচ্চা
জাকির মোল্লার ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সাপগুলো। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আউশিয়া গ্রামে জাকির মোল্লা নামে এক কৃষকের বাড়ি থেকে ১৭টি গোখরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে তার বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে সাপের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয়।

কৃষক জাকির মোল্লা জানান, বিকেলে বসত ঘরের মাচার নিচে একটি গোখরা সাপের বাচ্চা দেখতে পান তার মা। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় ঘরের মেঝে খোঁড়ার কাজ শুরু করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা ১৭টি গোখরা সাপের বাচ্চা ও ২৩টি ডিমের খোসা উদ্ধার করেন। মা সাপ ও বাকি বাচ্চাগুলো উদ্ধারের আশায় মেঝের বাকি অংশে খননের কাজ চলছে।

তবে উদ্ধার হওয়া ওই ১৭ গোখরা সাপের বাচ্চাকে মেরে ফেলা হয়েছে বলেও জানান কৃষক জাকির মোল্লা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র