Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

গাইবান্ধায় ‘মিথ্যা’ অভিযোগে আট মাস কারাভোগ

গাইবান্ধায় ‘মিথ্যা’ অভিযোগে আট মাস কারাভোগ
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নজরুল ইসলাম, পাশে তার ভাই ভুক্তভোগী আপেল মাহমুদের দুই সন্তান, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
গাইবান্ধা


  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মিথ্যা অভিযোগে আট মাস কারাভোগ করেছেন আপেল মাহমুদ (৩৫) নামের এক যুবক। সোমবার (১৭ জুন) বিকেলে জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন তার বড় ভাই নজরুল ইসলাম।

ভুক্তভোগী আপেল মাহমুদ সাঘাটা উপজেলার চাকলি গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।

লিখিত বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন আপেল মাহমুদ। তিনি তার স্ত্রী রেবেকা বেগম পিকচারকে নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জের শ্রীপতিপুর গ্রামে ভাড়া বাসায় বাস করতেন। রেবেকা বেগম ২০১৮ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় স্বামী আপেল নিকলী উপজেলায় তার কর্মস্থলে অবস্থান করছিলেন। ফলে প্রতিবেশী মো. সেলিম, শফিকুল ইসলাম, শিউলী বেগম ও তার মেয়ে চায়না বেগম গুরুতর অসুস্থ রেবেকা বেগমকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়।

‘পরদিন সকাল সাড়ে ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রেবেকার মৃত্যু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্ট্রোকে রেবেকার মৃত্যু হয়েছে বলে ছাড়পত্র দেয়। কিন্তু রেবেকার বেগম পিকচারের বাবা বাদী হয়ে এই মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ রেবেকার লাশ গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। এরপর গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ এই হত্যা মামলায় রেবেকার স্বামী আপেল মাহমুদকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।’

নজরুল ইসলাম তার ভাই আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা‘ মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবি জানান। হাসপাতালের ময়নাতদন্তের রিপোর্টের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানান তিনি। এছাড়া এই মিথ্যা হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে আপেল মাহমুদ ও তার পরিবারের লোকজন নানাভাবে পুলিশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন নজরুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন :

এনজিও কর্মী সেজে ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার

এনজিও কর্মী সেজে ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার
গ্রেফতারকৃত সাত্তার সরকার। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

এনজিও কর্মী সেজে ঋণ দেয়ার কথা বলে প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে বগুড়া সদর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত সাত্তার সরকার (৬০) বগুড়া সদরের তেলীহারা উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত কাশেম আলীর ছেলে।

সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা তেলীহারা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।

জানা গেছে, গত ১২ জুলাই দুপুরে তেলীহারা গ্রামের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫) বাজার থেকে ফেরার পথে বৃষ্টি শুরু হলে প্রতিবেশী দাদা সাত্তার সরকারের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সাত্তার ওই কিশোরীকে জোর করে ধর্ষণ করে। ওই কিশোরী বাড়ি ফিরে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। পরে পারিবারিকভাবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়া হয়।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হলে সাত্তার সরকার আত্মগোপন করে। পুলিশ তাকে কৌশলে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘সাত্তার সরকারকে গ্রেফতার করতে এনজিও কর্মী সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। পরে ঋণ নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হলে তিনি গ্রামের এক রাস্তায় দেখা করেন। এ সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।’

সিরাজগঞ্জে বরবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১০

সিরাজগঞ্জে বরবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১০
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় বরবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা লাগার ঘটনায় ১০ জন নিহত হয়েছেন । এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫ জন।

সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সিরাজগঞ্জ শহরের কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে রাজন (২৫), উল্লাপাড়া পৌর শহরের এনায়েতপুর গুচ্ছ গ্রামের আব্দুল গফুর শেখের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (১৯), সয়াধানগড়ার সুরুজ শেখের ছেলে সবুজ (২১), রামগাতী গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে আব্দুস সামাদ (৫৫) ও তার ছেলে শাকিল হোসেন (২১), সয়াগোবিন্দ মিলন মোড় এলাকার মৃত একরামুলের ছেলে মাইক্রোবাসের চালক স্বাধীন (৪০) ও দিয়ারধানগড়া আলতাফ হোসেনের ছেলে শরীফ (২৬), কালিয়া হরিপুর চুনিয়াহাটির মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ভাষা শেখ (৫৫) । বাকি ২ জনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563214174332.jpg

আহতরা হলেন- নাদেম তালুকদার (১৮), বায়েজিদ (১৮), নীরব তালুকদার (১৪), সুমন (২৭), নাজমুল আহসান (২৫) ও ইমরান (২০)।

আহতদের সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার পর ট্রেনটি প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকা পড়ে থাকে।

উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ জানান, বরযাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস উল্লাপাড়া থেকে বেতকান্দি যাবার পথে সলপ এলাকায় রেলক্রসিং পার হবার সময় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। প্রায় ২০০ গজ দূরে গিয়ে ট্রেনটি থামার পর মাইক্রোবাস থেকে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563214198607.jpg

উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার ‍দিকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপে একটি মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দেয় পদ্মা এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন। এতে মাইক্রোবাসের ১০ জন নিহত হওয়ার খবর জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছেছে। উদ্ধার কাজ চলছে। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র