Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

পূর্বধলা উপজেলায় ভোটগ্রহণ মঙ্গলবার

পূর্বধলা উপজেলায় ভোটগ্রহণ মঙ্গলবার
ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নেত্রকোনা


  • Font increase
  • Font Decrease

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ৭৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার (১৮ জুন)। নির্বাচনকে ঘিরে এরই মধ্যে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাবিহা সুলতানা জানান, অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা পরিষদে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ জুন) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে নেত্রকোনা জেলার ১০ উপজেলার মধ্যে ৯ উপজেলার নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে নির্বাচনের প্রচারণা চলাকালে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সমর্থিত প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ, পোস্টার লিফলেট ছিঁড়ে ফেলা, নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগে শেষ মুহূর্তে পূর্বধলা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

পূর্বধলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন জানান, নির্বাচন কমিশন গত মে মাসে পূর্বধলাসহ স্থগিত বেশ কয়েকটি উপজেলার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী ১৮ জুন পূর্বধলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম সুজন নৌকা প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করছেন। তার সঙ্গে আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যুবলীগ নেতা মো. মাছুদ আলম তালুকদার টিপু। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তিনি আরও জানান, পূর্বধলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৭৪টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৫৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৪ হাজার ২৫৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ২৮৩ জন।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে
রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মিয়ানমারের দেয়া প্রত্যাবাসনের তালিকায় যে সব রোহিঙ্গার নাম রয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে। তাদের মতামতের ওপর ভিত্তি করেই শুরু হবে প্রথমবারের মতো মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে কক্সবাজার টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা শিবিরে এ মতামত নেয়া শুরু হয়েছে।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছে, মূলত মিয়ানমার যাদের নাম দিয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে। তাদের মতামতের ওপর নির্ভর করছে আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের সূচনা হবে কী হবে না। মতামত নেয়ার কাজ করছে ইউএনএইচসিআর ও আরআরআরসি’র প্রতিনিধিরা। রোহিঙ্গা নারী-পুরুষদের পৃথকভাবে মতামত নেয়া হচ্ছে।

টেকনাফের জাদিমোরা শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ (সিআইসি) মোহাম্মদ খালেদ হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘প্রত্যাবাসনের তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এজন্য ক্যাম্প ইনচার্জ অফিসের পাশে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ৩ হাজার ৩১০ জনের পর্যায়ক্রমে মতামত নেওয়া হবে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যদি স্ব-ইচ্ছে যেতে রাজি হয় তাহলে আমরা চূড়ান্ত প্রত্যাবাস প্রক্রিয়া শুরু করব। তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছুই করব না আমরা। তাই তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে।’

উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

আজ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী
মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ, ছবি: সংগৃহীত

আজ মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮৬ সালের আজকের এই দিনে ৮৬ বছর বয়সে তৎকালীন ঢাকা পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) রাতের শেষ প্রহরে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার তারুটিয়া গ্রামে এক পীর বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতা আজিজুন্নেছা।

আজীবন সংগ্রামী মানুষ ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ। তার নেতৃত্বে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনে সলঙ্গা হাটে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লোক হতাহত হয়। ১৯৫২ সালে তারই নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন হয়। ১৯৫৫ সালে ১২ আগস্ট পাকিস্তানের গণপরিষদে রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলার দাবিতে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তব্য দেন।

১৯৫৭ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি কৃষক আন্দোলন, খেলাফত আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলনসহ দেশ ও জাতীর ক্রান্তিকালে সকল মুক্তির আন্দোলনে সামনে থেকে জাতীর অধিকার আদায়ে আজীবন সচেষ্ট ভূমিকা রেখেছেন।

এ মহান জাতীয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে রায়গঞ্জের নুরুন্নাহার তর্কবাগিশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, উল্লাপাড়া উপজেলার চড়িয়া মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ বিজ্ঞান মাদরাসা, পাটধারী মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ উচ্চ বিদ্যালয়, সলঙ্গা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ পাঠাগার, সলঙ্গা সমাজ কল্যাণ সমিতি, মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র