Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

খানাখন্দ আর ধুলায় আচ্ছন্ন সড়ক

খানাখন্দ আর ধুলায় আচ্ছন্ন সড়ক
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস-বল্লভপুর সড়ক
মাজেদুল হক মানিক
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা ২৪. কম
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

উপরের অংশের কার্পেটিং দেখলে মনে হবে বৃষ্টিতে ধুয়ে গেছে। মাঝে মাঝে ছোট-বড় গর্ত। ইটের খোয়ার লাল গুঁড়া উড়তে থাকে সড়কে। যানবাহন চলাচল করলে ধোঁয়ায় আছন্ন হয় সড়কের আশপাশ।গর্তের মধ্যে যানবাহন চলতে গিয়ে প্রায় ঘটে দুর্ঘটনা। এই চিত্র মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস-বল্লভপুর সড়কের।

আনন্দবাস গ্রামের ভ্যানচালক আব্দুল বাতেন বলেন, ধুলাবালি খাওয়া ছাড়া সড়কে চলাচল করা যায় না। চরম অস্বস্তি নিয়ে যাত্রী পরিবহন করতে হচ্ছে। বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় নিরুপায় আমরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুজিবনগরের কেদারগঞ্জ থেকে দর্শনা যাওয়ার পথে দক্ষিণ দিকে যে সরু রাস্তাটি বেরিয়ে গেছে সেটি বল্লভপুর-আনন্দবাস সড়ক। এই সড়ক দিয়ে বাগোয়ান, আনন্দবাস ও জয়পুর গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ মুজিবনগর উপজেলাসহ মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গায় নিয়মিত যাতায়াত করেন। ছোট ছোট যানবাহন ছাড়াও পণ্যবোঝাই ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে। পূর্বের সংস্কারের সময় নিম্নমানের কাজ অন্যদিকে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই ট্রাক চলার কারণে সড়কটির বেহাল অবস্থা বলে জানান স্থানীয়রা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/18/1560809653686.jpg
বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার যোগাযোগ করে সড়কটি সংস্কার হচ্ছে না। সড়কটির কারণেই সরকারের সব সফলতা যেন ম্লান হচ্ছে। সড়কটি স্থানীয় মানুষের কাছে অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ভাঙাচোরা সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় চার কিলোমিটার। দীর্ঘ তিন বছর ধরে একই অবস্থা। এই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে নাভিঃশ্বাস ওঠে যাত্রী ও পথচারীদের।

বেহাল অবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডি মুজিবনগর উপজেলা প্রকৌশলী শাহিন আক্তার বলেন, সড়কের অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত। দ্রুত টেন্ডারের মাধ্যমে সংস্কার করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরের তিন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ফরিদপুরের তিন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ফরিদপুরের তিন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গত ৩৬ ঘন্টায় ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর ও ভাঙ্গা উপজেলার (কিছু অংশ) পদ্মা পাড়ের নিম্নাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জেলার সদর উপজেলা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায়ই ১৫ হাজার পরিবার। শহরতলীর সাদীপুর এলাকার কাদেরের বাজার পয়েন্টে বাধ অতিক্রম করে নতুন কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে।

বন্যায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, ডিগ্রিরচর, চরমাধবদিয়া ও আলিয়াবাদ এবং চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা, হাজিগঞ্জ, চরহরিরামপুর ও গাজিরটেক, সদরপুর উপজেলার চরনাছিরপুর, দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া, ঢেউখালী ও চরমানাইর ইউনিয়নের বসতবাড়ী, কয়েক হাজার একর বিস্তীর্ণ ফসলী জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে। এছাড়া সদরপুর উপজেলার ৪৪টি ও ভাঙ্গা উপজেলায় ১৪টি বসতবাড়ি গত দুদিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563479989811.jpg

বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বৃহস্পতিবার আরও ৩৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। আমরা প্রবল কবলিত এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে কাজ করছি।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোখসানা রহমান জানান, এরমধ্যে সদর উপজেলায় ১৫ টন, চরভদ্রাসন উপজেলায় ১০ টন, সদরপুর উপজেলায় ১৫ টন ও ভাঙ্গা উপজেলায় ২ টন মোট ৪২ টন পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন তাদের ত্রাণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। চাহিদা অনুযায়ী দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, ফরিদপুর সদরসহ ৪টি উপজেলার আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উঁচুস্থানে থাকা স্কুল-মাদরাসা খোলা রাখতে বলা হয়েছে। চার উপজেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ৯২টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বিধবা ও কলেজ ছাত্রকে পেটানোর অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

বিধবা ও কলেজ ছাত্রকে পেটানোর অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে
আহত কলেজ ছাত্র সাফায়াত উল্লাহ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জোরপূর্বক সম্পত্তি দখলে নিতে এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধবা আমেনা বেগমকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় বিধবাকে বাঁচাতে গেলে সাফায়াত উল্লাহ নামে এক কলেজ ছাত্রকেও পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাতে ওই ছাত্র সাংবাদিকদের কাছে স্কুল শিক্ষক বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।

জানা গেছে, বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার কাশিমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

বিধবা আমেনা ওই গ্রামের মালের বাড়ির মৃত আানোয়ার উল্লাহ স্ত্রী। সাফায়াত একই বাড়ির মৃত হারুনুর রশিদ ছেলে ও রামগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্র।

অভিযুক্ত বাহাউদ্দিন উপজেলার কেএম ইউনাইটেড একাডেমির প্রধান শিক্ষক।

অভিযোগে বলা হয়, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে আমেনা বেগমের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারা করছে তার দেবর বাহাউদ্দিন ও সহিদুল্লাহ। ঘটনার সময় আমেনা গাছ থেকে নারিকেল পাড়ছিলেন। এসময় বাহাউদ্দিনরা গিয়ে বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বাহাউদ্দিন, সহিদুল্লাহ ও তার ছেলে মো. রিপন এবং নাজমুল আলম আরমান ক্ষিপ্ত হয়ে আমেনাকে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে পা ভেঙে দেয়। তাকে বাঁচাতে গেলে কলেজ ছাত্র সাফায়াতকেও পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয়। এসময় তার মাথায় গুরুতর জখম হয়।

এ ব্যাপারে আমেনা বেগম বলেন, আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে বাহাউদ্দিনরা জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করছে। নারিকেল পাড়তে গেলে তারা আমাকে পিটিয়ে পা ভেঙে দেয়। আমি এ ঘটনায় মামলা করবো।

অভিযোগ অস্বীকার করে বাহাউদ্দিন বলেন, মারামারির ঘটনা আমি শুনেছি। তবে ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমাকে কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র