Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

বগুড়ায় উপ-নির্বাচন: উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি প্রার্থীদের

বগুড়ায় উপ-নির্বাচন: উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি প্রার্থীদের
বগুড়া উপ-নির্বাচনের প্রার্থীরা, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত হতে পারলে এলাকার উন্নয়নের নানান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী সব দলের প্রার্থী।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর ১২টায় বগুড়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা এ প্রতিশ্রুতি দেন। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বগুড়া জেলা শাখা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সুজন বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি হাফিজুর রহমান মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী টি জামান নিকেতা, বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম ওমর, বাংলাদেশ মুসলীম লীগের মুফতী রফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের মনসুর রহমান। তবে দু’জন স্বতন্ত্র প্রার্থী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধারণ মানুষ বগুড়ার উন্নয়নে স্থবিরতার অভিযোগ করেন এবং আগামীতে কী ধরনের উন্নয়ন করা হবে, তা প্রার্থীদের কাছে জানতে চান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/18/1560849536955.jpg

প্রশ্নত্তোর পর্বে টি জামান নিকেতা জানান, সরকার দলের প্রার্থী নির্বাচিত হলে বগুড়ার উন্নয়ন করা সহজ হবে। তিনি নির্বাচিত হলে বগুড়ার সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।

আর নির্বাচিত হলে বগুড়ায় রেললাইন, বিমানবন্দর চালুর পরিকল্পনার কথা জানান জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুল ইসলাম ওমর। তবে সরকারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বগুড়ার উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ।

অন্যদিকে, নিজেকে আলেম দাবি করে বাংলাদেশ মুসলীম লীগের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জানান, সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই সংসদকে প্রাণবন্ত করতে দলবল নির্বিশেষে তাকে প্রয়োজন আছে।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ছড়াতে সক্রিয় কুচক্রী মহল

প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ছড়াতে সক্রিয় কুচক্রী মহল
রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কক্সবাজারের টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বকভাবে প্রত্যাবাসন করা হবে-এমন গুজব ও অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি কুচক্রী মহল। এসব গুজব ও অপপ্রচার রোধে  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে প্রত্যাবাসন নিয়ে যাতে ক্যাম্পে গুজব, অপপ্রচার, মানুষের মাঝে ভয়-ভীতি সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সর্তক থাকতে।  

রোববার (১৮ আগস্ট)  সকালে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া শালবন, লেদা ও নয়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি ক্যাম্পের সিআইসি সঙ্গে রোহিঙ্গাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ক্যাম্পের চেয়ারম্যান, টিম লিডার, হেড মাঝি, বল্ক মাঝি ছাড়াও মাস্টার, ইমাম ও মুরব্বিসহ এনজিও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া এলাকার শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ও অপপ্রচার রোধে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

টেকনাফের নয়াপাড়া ও শালবন (২৬-২৭) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের  ইনচার্জ মো: খালেদ হোসেন বলেন, ‘রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছি। বৈঠকে তাদের বিভিন্ন সমস্যা কথা শুনেছি। বিশেষ করে প্রত্যাবাসন নিয়ে যাতে ক্যাম্পে গুজব, অপপ্রচার, মানুষের মাঝে ভয়-ভীতি সৃষ্টি না হয় সেদিকে সর্তক থাকতে বলা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566163453040.jpg

তিনি আরও বলেন, সরকার জোর করে কাউকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না, এ বিষয়ে তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। তাদের যাতে ভালো হয় সরকার সেই বিবেচনায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’ 

বৈঠকে উপস্থিত রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, ‘হঠাৎ প্রত্যাবাসন নিয়ে রোহিঙ্গারা উদ্বিগ্ন-তো বটেই, এমনকি ভয়-ভীতির মধ্যে রয়েছে অনেকে, বিষয়টি সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। বৈঠকে ক্যাম্পের কর্মকর্তারা ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন বিষয়টি তুলে ধরেন। প্রত্যাবাসন নিয়ে যাতে কোন প্রকার গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। সরকার কাউকে জোর করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না বলেও আশ্বাস দেন উপস্থিত কর্মকর্তারা।

রোহিঙ্গা নেতারা বলেছেন, যেদেশ থেকে নির্যাতিত হয়ে এসেছি, সেই দেশে কিভাবে যাব? আবারো কি নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরে আসব এদেশে? গোপনে কি প্রত্যাবাসন হতে পারে না, তাই প্রত্যাবাসন বিষয় নিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলোচনা করার দাবি জানান তারা। 

টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো: আলম বলেন, ‘প্রত্যাবাসন বিষয়ে ক্যাম্পে যাতে কোন ভুল তথ্য প্রচার না করে, সেজন্য সর্তক থাকার নির্দেশ দিয়েছে সিআইসি। ক্যাম্পে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না ঘটে, জড়ো হয়ে লোকজনকে আলোচনা অথবা বৈঠক থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে ক্যাম্পের লোকজনকে সর্তক করা হয়েছে।

প্রত্যাবাসনকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব (এক্স), পিপিএম, বিএন। তিনি জানান, সরকারের নির্দেশে ক্যাম্পে টহল দিয়ে যাচ্ছে র‌্যাব সদস্যরা। এছাড়া প্রত্যাবাসন নিয়ে ক্যাম্পে কোন গুজব ছড়াতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে গুজবকারীরদের আইনি ব্যবস্থা নিতে সাদা পোশাকে র‌্যাবের গোয়ান্দারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা
খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনে খুলনাগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে রোববার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায়। এরপর পরপরই খুলনার সাথে সারা দেশের ট্রেন চলাচল অচল হয়ে পড়ে। কোটচাঁদপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত হবার ফলে খুলনা রুটে অন্যান্য ট্রেন চুয়াডাঙ্গার রেল লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে হাজারো যাত্রী নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

সরজমিনে রাত ১১ টার দিকে খুলনামুখী তিনটি যাত্রীবাহী ট্রেনকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন রেল লাইনের পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। চুয়াডাঙ্গা রেল স্টেশন হতে দুই কিলোমিটার দূরে ফার্মপাড়া ও উথলীতে এই তিনটি ট্রেন অপেক্ষমান রয়েছে। ট্রেনগুলো হলো খুলনামুখী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সুন্দরবন, চিলহাটি থেকে ছেড়ে আসা রূপসা ও গোয়ালন্দ থেকে ছেড়ে আসা নকশী। ট্রেনগুলোর বগিতে ৪ হাজারেরও বেশী যাত্রী। এসব যাত্রী দীর্ঘ সময় ট্রেনের মধ্যে বসে নিশ্চুপ সময় পাড় করছেন। তারা জানেন না কখন তাদের ট্রেন খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160769719.jpg

স্টেশন থেকে দুই কিলোমিটার দূরে আন্ত:নগর রূপসা ট্রেনকে যাত্রী নিয়ে নিরাপত্তাহীনভাবে শহরের অন্ধকারাচ্ছন্ন ফার্মপাড়ায় রেল লাইনে অপেক্ষমান অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।  যাত্রীদের নিরাপত্তায় ট্রেনের আশপাশে স্টেশনের কোনও জিআরপি পুলিশকে দেখা যায়নি। আর যাত্রীদের মালামাল রক্ষার্থে যে পুলিশ সদস্য দায়িত্বে থাকে-তাকেও দেখা গেছে ট্রেনের ভেতরে গভীর ঘুমে মগ্ন।

খুলনাগামী রূপসা ট্রেনের যাত্রী রোকন বলেন, স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি নাটোর থেকে খুলনায় ফিরছেন। সকালে তার অফিস। এখন কখন ট্রেন ছাড়বে তা কেউ বলতে পারছে না। এতে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160786981.jpg

সরকারী চাকরীজীবী মেরিনা বলেন, যে জায়গায় ট্রেন থামানো হয়েছে স্থানটি ভালো নয়। আশপাশের লোকজন বাজে বাজে কথা বলছে ট্রেনের জানালার ওপাশ থেকে। ট্রেনটি যদি প্লাটফর্মে থামাত তাহলে ভালো হত।

চুয়াডাঙ্গা স্টেশনের মাস্টার নাসরিন ফারহানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান সন্ধ্যার পরপরই তিনটি ট্রেন পর্যায়ক্রমে চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে ঢুকলে আমরা ট্রেনগুলোকে বিভিন্ন রুটে দাঁড় করিয়ে দেই। কোটচাঁদপরে কপোতাক্ষ ট্রেন সচল করতে ঈশ্বরদী থেকে এরই মধ্যে রিলিফ ট্রেন পোড়াদহ স্টেশন ছেড়ে এসেছে। রিলিফ ট্রেনটি গিয়ে লাইনচ্যুত ট্রেনকে উদ্ধার করার পরপরই চুয়াডাঙ্গায় অপেক্ষমান ট্রেনগুলো খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র