Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সড়ক নয়, যেন রেলপথ

সড়ক নয়, যেন রেলপথ
রেল লাইনের মতো রাস্তার মাঝেই এমন উঁচু হয়ে গেছে, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুষ্টিয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

সদ্য নির্মাণ হওয়া কুষ্টিয়া-রাজশাহী মহাসড়কে বেশ কয়েক জায়গায় পিচ-পাথর উঁচু হয়ে অসংখ্য ঢিবির সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে ছোট-বড় যানবাহন। দেখে যেন মনে হয় সড়ক তো নয় যেন রেলপথের লাইন।

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা সড়কে এমন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, মাত্র পাঁচ মাস আগে গোল চত্বর এবং সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই সড়কে পিচ ও পাথর উঠে ঢিবি হয়ে গেছে। এতে যান চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন অনেক যাত্রী।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের তালবাড়িয়ায় জ্যোতি পাম্প এলাকার ৮০০ মিটার জায়গা জুড়ে পিচ-পাথর উঠে অসংখ্য জায়গায় ঢিবি হয়ে গেছে।

কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্রে জানা যায়, এ সড়কের সাড়ে ১০ কিলোমিটার কাজে ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ২৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। গত বছরের ২৯ মার্চ কাজ শুরু করে শেষ হয় ৩১ ডিসেম্বর। কিন্তু কাজ চলমান থাকা অবস্থায় অক্টোবর মাসে জ্যোতি তেল পাম্প এলাকার শতাধিক জায়গায় ঢিবি হয়ে যায়। সেসময় সেগুলো সংস্কার করা হয়। তারপরও আবারও সেখানে ঢিবি হয়ে গেছে।

এ সময় তালবাড়িয়ার রানাখড়িয়ার কয়েকজন বাসিন্দা জানান প্রতিদিনই দূরপাল্লাগামী দ্রুতগতির কোনো না কোনো যান এসব ঢিবির সঙ্গে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনাও ঘটে। ঢিবির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার শিকার হয় প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাস। কাজের মান খারাপ হাওয়ায় পিচ ও পাথরগুলো ঢিবি হয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

প্রাইভেটকার চালক জলিল মন্ডল বলেন, 'মহাসড়কের পাশ দিয়ে চলার সময় শত চেষ্টার পরও এখন আতঙ্কে থাকতে হয়। ঢিবির সঙ্গে ঘষা লেগে গাড়ির চাকা ও যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে বলেও জানান তিনি।'

কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, 'মহাসড়কের জ্যোতি তেলপাম্প এলাকায় সড়কটির পাকা অংশের নিচে পিচ শক্ত হয়ে জমাট বেঁধে ওপরের দিকে উঁচু হওয়ায় ঢিবির মতো হয়েছে। সড়কের সহ্য-ক্ষমতার চেয়ে যানবাহনগুলো মাত্রাতিরিক্ত মালামাল বহন করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।'

যে এলাকায় বালু বোঝাই ভারী ট্রাক বেশি চলাচল করে সেখানে সবচেয়ে বেশি ঢিবি হয়েছে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গোলাম কিবরিয়া মিন্টু (৩৩) নামে মাদক মামলার এক আসামিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ সিদ্দিক উল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু স্থানীয় ইমান আলী চৌকিদার বাড়ির ইসমাইলের ছেলে। কোম্পানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, মিন্টু মাদক মামলাসহ মোট ছয়টি মামলার আসামি। গত ১৫ দিন আগে তিনি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পান।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্র্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির ভাই গোলাম আজম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে একই এলকার শেখ ফোরমানের বাড়ির আজাদের ছেলে তানভির (২৫), পাটোয়ারী হাটের পটু ডাক্তার বাড়ির নুর আমিনের ছেলে ফয়সালসহ কয়েকজন মিন্টুকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে চোখ, হাত ও পা বেঁধে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর হন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মিন্টুকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহত মিন্টুর পরিবার।

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ছেলেসহ বাবার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় হাফিজাবাদ ইউনিয়নে পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকার আইজুদ্দীনের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৬৩) এবং তার দুই ছেলে নাজিরুল ইসলাম (৩৬) ও আশাদুল (২২)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশে একটি খালে কারেন্ট জাল বসিয়েছিলেন নাজিরুল। কিন্তু বৈদ্যুতিক তার পানিতে পড়ে যাওয়ায় জাল তুলতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এরপর নাজিরুলের ছোট ভাই আশাদুল তার বড় ভাই ও বাবাকে উদ্ধার করতে পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ছেলেসহ বাবাকে আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু আক্কাস আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান' এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র