Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মনিরুল হত্যা: অস্ত্রসহ ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

মনিরুল হত্যা: অস্ত্রসহ ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামি, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁপাইনবাবগঞ্জের বহুল আলোচিত যুবলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী মনিরুল হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবদুস সালামকে গ্রেফতার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি ছোড়া উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আবদুস সালাম ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের মোসলেম উদ্দীনের ছেলে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার টিএম মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা মনিরুল হত্যা মামলার আদালত রায় ঘোষণা করেন আজ (বৃহস্পতিবার)। এ মামলায় পলাতক আবদুস সালামসহ নয়জনকে ফাঁসির রায় দেওয়া হয়। পরে পুলিশ তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।’

এর আগে দুপুরে মনিরুল হত্যা মামলায় নয় জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে মনিরুল হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ১২ আসামি উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিন আসামি পলাতক। এর একজন আবদুস সালামস।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর সোনামসজিদ স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলামকে দাওয়াতের নাম বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান আসামিরা। পরস্পর যোগসাজশ করে শিবগঞ্জ স্টেডিয়ামের কাছে তাকে গুলি করে হত্যা করে। পরে ওইদিন রাতেই পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় তখনকার সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের নেতা আখিরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মুন্সি, তহুরুল ইসলাম টুটুলসহ ১৫ জনকে আসামি করে নিহতের স্ত্রী রহিমা বেগম বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়েছে কৃষকলীগ নেতা

স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়েছে কৃষকলীগ নেতা
ময়ুরী বেগমের মরদেহ। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বগুড়ার নন্দীগ্রামে স্ত্রী ময়ুরী বেগমকে (২৬) হত্যা করে পালিয়েছে স্বামী কৃষকলীগ নেতা মাসুদ রানা। স্বামীর পরকীয়ায় বাঁধা দেয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২১ জুলাই) ভোররাতে নন্দীগ্রাম পৌর শহরের কলেজপাড়ায় এ হত্যার ঘটনা ঘটে। বেলা ১১টায় নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ স্বামীর বাড়ি থেকে ময়ুরীর মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনার পর থেকে ময়ুরীর স্বামী নন্দীগ্রাম পৌর কৃষকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা ও তার বাবা উপজেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমান ফকিরসহ পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছে।

নিহত ময়ুরীর বাবা আনোয়ার হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘মাসুদ রানার পরকীয়া নিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। শনিবার (২১ জুলাই) রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে মাসুদ ফোন করে আমাকে বলে, রাতেই তোর মেয়েকে মেরে ফেলব। রোববার সকালে খবর পেয়ে এসে দেখি মেয়ের মরদেহ।’

নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) শওকত কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত
খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসিদের, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি ধীর গতিতে কমতে শুরু করায় কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনও চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ অবস্থায় ঘর-বাড়ি থেকে পানি নেমে না যাওয়ায় চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার পরিবার ১০/১২ দিন নৌকায় বসবাস করছে। ঘরে ফিরতে পারছেন না উঁচু এলাকায় আশ্রয় নেয়া বানভাসি মানুষ। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসিদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563692543534.jpg
এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে ডায়রিয়া, জ্বরসহ নানা পানিবাহিত রোগ

 

এদিকে বাঁধ ভাঙা বন্যার পানিতে এখনও তলিয়ে আছে চিলমারী উপজেলা শহরের রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়ি, অফিসসহ বিভিন্ন স্থাপনা। 

বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে ডায়রিয়া, জ্বরসহ নানা পানিবাহিত রোগ। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ও কোনো  কাজ না থাকায় চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন বন্যা কবলিত দিনমজুর শ্রেণির মানুষ। 

সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ তৎপরতা শুরু হলেও তা জেলার ৯ উপজেলায় ৮ লক্ষাধিক বানভাসি মানুষের জন্য অপ্রতুল। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র