Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সিলেট রুটে হঠাৎ যাত্রীশূন্য ট্রেন

সিলেট রুটে হঠাৎ যাত্রীশূন্য ট্রেন
সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা 'জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস'এর একটি বগি, শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন থেকে তোলা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

মৌলভীবাজার জেলার কুলাউরায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার পর হঠাৎ করেই যেন সিলেট রুটে কমে গেছে ট্রেনের যাত্রী। অন্য সময় যেখানে টিকিট নিয়ে কাড়াকাড়ি চলত, সেখানে এখন যাত্রীশূন্য বগি নিয়ে চলছে ঢাকা-সিলেট রুটের ট্রেনগুলো।

জানা যায়, ১৭৬ কিলোমিটারের ঢাকা-সিলেট রেলপথটি ব্রিটিশ আমলের তৈরি। সম্প্রতি ঢাকা থেকে ভৈরব পর্যন্ত ডবল লাইন স্থাপন করা হলেও ভৈরব থেকে সিলেট পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561461031553.jpg

অথচ, শত বছরের পুরনো রেলব্রিজ ও ত্রুটিপূর্ণ লাইন দিয়েই বছরের পর বছর ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন সিলেট বিভাগের চার জেলার মানুষ। সামান্য ঝড় বৃষ্টি হলেই রেললাইনে নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয় ট্রেনযাত্রা। বিভিন্ন সময় ঘটছে দুর্ঘটনাও।

মৌলভীবাজার জেলার কুলাউরায় গত রোববার (২৩ জুন) সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা উপবন এক্সপ্রেসের কয়েকটি বগি সেতু ভেঙে খালে পড়ে চারজন নিহত হন।

এ ঘটনায় আহত হন অন্তত দেড় শতাধিক মানুষ। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনাটি ঢাকা-সিলেট রোডের যাত্রীদের মধ্যে অতঙ্ক বাড়িয়ে দেয়। ফলে হঠাৎ করেই কমে যায় এ রুটে রেলের যাত্রীর সংখ্যা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561461101689.jpg

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুর্ঘটনায় ঢাকা-সিলেট রেলপথ বন্ধ থাকার পর সোমবার (২৪ জুন) বিকাল থেকে রেল চলাচল ফের চালু হয়। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন রেলপথে যাত্রীদের আগ্রহ কমে গেছে। সোমবার বিকাল থেকে যতগুলো ট্রেন এই রুট দিয়ে চলেছে, এর সবগুলো ট্রেনই প্রায় খালি বগি নিয়ে আসা যাওয়া করছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেল জংশনে গিয়ে দেখা যায়, পুর্বের তুলনায় সেখানে যাত্রী অনেক কম। এছাড়া সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা 'জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস' ট্রেন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অনেকগুলো খালি বগি নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনে প্রবেশ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561461179148.jpg

শায়েস্তাগঞ্জ রেল জংশন সূত্র জানায়, সোমবার থেকেই এই রুটে আসা-যাওয়া করা ট্রেনগুলো প্রায় খালি বগি নিয়ে চলছে। এ স্টেশনেও যাত্রীদের আনাগোনা কম।

শায়েস্তাগঞ্জ সহকারী স্টেশন মাস্টার প্রসাদ দাস  বলেন, 'আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আর যাত্রীরা আতঙ্কিত হচ্ছেনও না। রেল চলাচল যে স্বাভাবিক হয়েছে, তা অনেকেই এখনো জানেন না। তাই যাত্রীর চাপ কম।’

আপনার মতামত লিখুন :

কেন্দুয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত

কেন্দুয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত
প্রতীকী ছবি

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জুবেদা আক্তার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে কেন্দুয়া পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জুবেদা আক্তার কমলপুর গ্রামের মৃত সাহাব উদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে জুবেদা আক্তার তার বাবার বাড়ি কেন্দুয়া পৌর শহরের বাদে আঠারবাড়ি গ্রাম থেকে অটোরিকশায় স্বামীর বাড়ি কমলপুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। কমলপুর এলাকায় গিয়ে অটোরিকশা থেকে নামলে একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। এতে মারাত্মক আহত তিনি। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসক ডা. পিয়াস পাল তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানিতে ডুবে আছে চিলমারী

ব্রহ্মপুত্রের পানিতে ডুবে আছে চিলমারী
বাঁশঝাড়ের নিচে মাচা তৈরি করে আশ্রয় নিয়েছে চিলমারীর এই পরিবারটি/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুড়িগ্রাম থেকেঃ ব্রহ্মপুত্রের পানিতে প্লাবিত হয়েছে চিলমারী উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন। উলিপুর-চিলমারী সড়কপথের বেশকিছু জায়গায় রাস্তার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি। ইতোমধ্যে চিলমারী থানায় কোমড় সমান পানি জমেছে।

চিলমারী খাদ্য গুদামে হাঁটু পানি, উপজেলা পরিষদ সহ সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান পানির নিচে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সাব-স্টেশনে পানি প্রবেশ করেছে। ফলে উপজেলার পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563529336611.gif

বন্যার পানিতে কুড়িগ্রাম-চিলমারী রেলপথের উলিপুর অংশের কয়েক জায়গা প্লাবিত হয়েছে। আরও কয়েক জায়গায় পানি রেলপথ ছুঁই ছুঁই করছে। এ অবস্থায় ঐ রেলপথে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও বন্যাদুর্গত লোকজন রেললাইনের ওপর আশ্রয় নেওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে কুড়িগ্রাম-চিলমারী রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563529351678.gif

চিলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান বীরবিক্রম শওকত আলী সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, '৩০ বছর পর এমন বন্যা দেখলাম। এর আগে ১৯৮৮ তে বন্যা দেখেছি। খুবই ভয়াবহ অবস্থা। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। তবে পানিবন্দি মানুষের তুলনায় পর্যাপ্ত ত্রাণ ও শুকনো খাবার এখন পৌঁছানো ও বিতরণ করা হয়নি।'

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানায়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৫০০ মেট্রিক টন চাল, ৪৫০টি তাবু ও ১৩ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। জেলার ১৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ বন্যাপ্লাবিত এলাকায় ৮৫টি মেডিকেল টিম স্বাস্থসেবা প্রদান করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র