Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নেত্রকোনায় নড়বড়ে রেলসেতু, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

নেত্রকোনায় নড়বড়ে রেলসেতু, দুর্ঘটনার আশঙ্কা
কংশ নদীর উপর নির্মিত নড়বড়ে রেলসেতু। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নেত্রকোনা


  • Font increase
  • Font Decrease

নেত্রকোনায় নড়বড়ে হয়ে পড়েছে দুটি রেলসেতু। এ অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ ওই দুই রেলসেতুর উপর দিয়েই চলছে ট্রেন। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

জানা গেছে, জেলার সদর উপজেলার ঠাকুরাকোণা নামক স্থানে কংশ নদীর উপর নির্মিত রেলসেতুটি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সে সময় তা মেরামত করা হলেও গত ৪০ বছর ধরে চলছে নড়বড়ে অবস্থাতেই।

এছাড়া মোহনগঞ্জ রেলসেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561542229254.jpg

বর্তমানে রেল পারাপারের সময় সেতুগুলোতে কম্পনের সৃষ্টি হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয়রা।

স্থানীয় কদমদেওলী গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ জানান, খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে রেলসেতু দুটি। কিছুদিন আগে রেল লাইন সংস্কার হলেও রেলসেতুটি সংস্কার করেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে যেকোনো দিন বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

নেত্রকোনা জেলা শহরের সাতপাই এলাকার বাসিন্দা ইমন আহমেদ জানান, সেতু দিয়ে ট্রেন যাওয়ার সময় কাঁপতে থাকে। এতে ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে নেত্রকোনার বড় স্টেশনের মাস্টার রফিক উদ্দিন বলেন, ‘সেতু নির্মাণ ও সংস্কার করার বিষয়টি দেখার দায়িত্ব রেলের প্রকৌশল বিভাগের। আমরা শুধু পরিবহন সেক্টর দেখি। এ বিষয়ে আমাদের কিছুই করার নেই।’

আপনার মতামত লিখুন :

পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পায়নি বন্যার্তরা, হতবাক প্রতিমন্ত্রী

পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পায়নি বন্যার্তরা, হতবাক প্রতিমন্ত্রী
ত্রাণ বিতরণকালে বন্যার্তদের উদ্দেশে কথা বলছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বন্যার্তদের পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট না দেয়ার কথা জানতে পেরে হতবাক হয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। এ সময় বন্যার্তদের মধ্যে দ্রুত পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার কসবা এলাকায় (বিবিয়ানা পাওয়ার প্ল্যান্টের কাছে) একটি মাঠে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট না দেয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেন তিনি।

ত্রাণ বিতরণকালে বন্যার্তদের উদ্দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, ‘আপনারা সবাই পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পেয়েছেনতো ?’ এ সময় ত্রাণ নিতে আসা কয়েক শতাধিক নারী পুরুষ এক সঙ্গে বলেন না, পাইনি’। বিষয়টি শুনে অনেকটা হতবাক হন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি প্রশাসনের লোকজনের দিকে তাকিয়ে থাকেন। পরে বন্যার্তদের পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দেন।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তৌহিদ-বিন হাসান বলেন, ‘আমি যথেষ্ট পরিমাণে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পাইনি। এ কারণে শুধুমাত্র আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে দিতে পেরেছি। মাঠ পর্যায়ে দেয়া সম্ভব হয়নি।’

কুশিয়ারা খনন ও বাঁধ নির্মাণে ৫১২ কোটি টাকার প্রকল্প

কুশিয়ারা খনন ও বাঁধ নির্মাণে ৫১২ কোটি টাকার প্রকল্প
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

কুশিয়রার নদীর পাঁচ কিলোমিটার জায়গায় বাঁধ নির্মাণ ও খননের জন্য ৫১২ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম।

তিনি বলেছেন, ‘হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় পারকুল থেকে কসবা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর পাঁচ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মেরামতে প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। চলতি বছরেই এই কাজ শুরু হতে পারে। সফলভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বর্ষাকালে আর বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।’

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার কসবা এলাকায় বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

এনামুল হক শামীম বলেন, ‘বন্যার এক সপ্তাহ পূর্বেই আমরা সতর্ক বার্তা পেয়েছি। সেই অনুযায়ী দুর্যোগ মোকাবেলায় শুকনো খাবার ও নগদ টাকাসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ মজুদ করে সব জেলায় পৌঁছে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণকে ভালবাসেন বলেই বন্যা দুর্গতদের পাশে মন্ত্রীদের পাঠিয়েছেন। তাঁর মতো পৃথিবীর আর কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী জনগণের পাশে দাঁড়ান না।’

Nabiganj

এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বন্যার্তদের পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। অনুষ্ঠানে এক হাজার বন্যার্তের মধ্যে ত্রাণ দেওয়া হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে- চাল, ডাল, তেল, মসলা, নুডলস, লবণ, সেমাই ইত্যাদি।

এতে বক্তব্য দেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসাইন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আলমগীর চৌধুরী, জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন: পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পায়নি বন্যার্তরা, হতবাক প্রতিমন্ত্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র