Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কানে ট্যাগ লাগিয়ে বেওয়ারিশ গরু নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ

কানে ট্যাগ লাগিয়ে বেওয়ারিশ গরু নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ
হলুদ রঙের এ ট্যাগ লাগানো হবে গরুর কানে, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পটুয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে বেওয়ারিশ ভাবে ঘুরে বেড়ানো গরুর মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গরুর কানে বিশেষ ধরনের ট্যাগ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে পটুয়াখালী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

এর ফলে গরুর মালিকানা নির্ধারণ করে ঘুড়ে বেড়ানো গরুগুলোর মালিকদের কাছ থেকে প্রথমে আর্থিক জরিমানা আদায় করা হবে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, শহরে কয়েকশ’ গরু দিনে এবং রাতে বেওয়ারিশ ভাবে ঘোরাফেরা করে রাস্তায় মলমূত্র ত্যাগ করে পরিবেশ নষ্ট করছে। এছাড়া এসব গরু বিভিন্ন সড়ক এবং বাসা বাড়ির গাছ পালা খেয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করছে, বিঘ্ন ঘটাচ্ছে যান চলাচলে। বিভিন্ন সময় গবাদিপশু আটক করলেও মালিকরা তা আর নিতে আসেন না। এজন্য পশুর খাবার এবং পরিচর্যা নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

আর সে কারণেই এখন থেকে বেওয়ারিশ গরু আটক করে গরুর কানে নম্বর যুক্ত ট্যাগ লাগানো হবে। একাধিকবার জরিমানার পর মালিকদের বিরুদ্ধে পৌরসভার বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, গত কয়েক বছর ধরে পটুয়াখালী শহরের কিছু মানুষ গবাদিপশু না বেঁধে খোলা ভাবে লালন পালন করছে। এর ফলে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিভিন্ন সভা সেমিনার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

বন্যার পানিতে নিমজ্জিত গাইবান্ধা গোরস্থান

বন্যার পানিতে নিমজ্জিত গাইবান্ধা গোরস্থান
বন্যার পানিতে প্লাবিত গাইবান্ধা পৌর গোরস্থান/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধা পৌর গোরস্থান বন্যার পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। ফলে বর্তমানে এই গোরস্থানে মৃত ব্যক্তিদের দাফন করা দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলমান বন্যায় গোরস্থানে প্রায় দুই ফুট পানি জমেছে।

জানা যায়, ১৯৩৬ সালে এই গোরস্থানটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে। এর পর থেকে বিভিন্ন এলাকার কয়েক লাখ মৃত্যু মানুষকে এখানে কবর দেওয়া হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563682960561.gif

গোরস্থানটির দায়িত্বরত কর্মী আলতাফ মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘শনিবার এক মৃত ব্যক্তির জন্য এখানকার একটু উঁচু জায়গায় কবর খনন করা হয়। তখন খনন করা কবরটিতে পানি উঠতে থাকে। ঐ অবস্থায়ই তাকে দাফন করা হয়েছে।’

গোরস্থানটির কেয়ারটেকার আ: ছোবাহান টুলু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘এবারের ভয়াবহ বন্যায় গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার পর গত চারদিন ধরে পৌর গোরস্থানে প্রায় দুই ফুট পানি জমে আছে।’

পদ্মায় প্রবল স্রোত, পুরনো ফেরিতে নদী পারাপারে বিলম্ব

পদ্মায় প্রবল স্রোত, পুরনো ফেরিতে নদী পারাপারে বিলম্ব
পদ্মায় ফেরি পারাপারের ফাইল ছবি

প্রবল স্রোতের কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চলাচলকারী ফেরিগুলোকে নদী পারাপারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। সাধারণত নদী পার হতে সময় লাগে ৩০-৩৫ মিনিট, এখন সেখানে সময় লাগছে ১ ঘণ্টা। কখনও কখনও ১ ঘণ্টাতেও নদী পারাপার করতে পারছে না ফেরিগুলো।

ফেরির ইঞ্জিনগুলো পুরাতন হওয়ায় নদীতে স্রোতের বেগ বাড়লেই তা আর চলতে পারে না। ফলে অনেক সময় ফেরিগুলোকে ঘাটে অলস সময় বসে থাকতে হচ্ছে। এ কারণে ঘাট এলাকায় তৈরি হয়েছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। নদী পারাপারের জন্য ঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে পদ্মার পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে গত সপ্তাহ থেকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে ফেরি পারাপার। স্রোতের তীব্রতায় ফেরিগুলো পার হতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ সময় নিচ্ছে। এতে করে ফেরির ট্রিপ সংখ্যা কমে যাওয়ায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে শত শত যানবাহনকে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563682142902.jpg
রোববার (২১ জুলাই) সকালে ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায় নদী পারের জন্য টার্মিনাল ও সড়কে অবস্থান করছে প্রায় ৪ শতাধিক যানবাহন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফেরি চালক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, এই নৌরুটের বেশির ভাগ ফেরি এত পুরাতন যে, নদীতে একটু স্রোত হলেই তা আর চলতে পারে না। ইঞ্জিনগুলো খুবই দুর্বল হয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবে নদী পার হতে সময় লাগার কথা ৩০-৩৫ মিনিট। কিন্তু এখন লাগছে প্রায় এক ঘণ্টা করে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশনের (বিআাইডাব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, তীব্র স্রোতের কারণে ফেরিগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না। ফলে নদী পার হতে যেখানে ৩০-৩৫ মিনিট সময় লাগত সেখানে এখন লাগছে প্রায় ১ ঘণ্টা। বেশি সময় লাগার কারণে নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে যানবাহনগুলো। আটকেপড়া যানবাহনগুলো দ্রুত নদী পার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র