Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আদিতমারীতে ট্রাকচাপায় বাবার পর প্রাণ গেল ছেলেরও

আদিতমারীতে ট্রাকচাপায় বাবার পর প্রাণ গেল ছেলেরও
পূর্ণ রায়, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লালমনিরহাট


  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার পলাশী বাজার এলাকায় ট্রাকচাপায় বাবার মৃত্যুর পর ছেলে পূর্ণ রায়ও (২০) প্রাণ হারালেন। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়াল।

বুধবার (২৬ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পূর্ণ রায়ের মৃত্যু হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় ঘটা এ দুর্ঘটনায় মারা যান পূর্ণ চন্দ্র রায়ের বাবা নান্দু রায় (৫৫) ও অটোরিকশার চালক রবিউল ইসলাম (৪২)। তারা লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা কাকিনা ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় নিহত ২

আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে ব্যাটারি চালিত একটি অটোরিকশা ভাড়া করে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে যাচ্ছিলেন অভিভাবকসহ কালীগঞ্জের ওয়াবদা বাজার এলাকার আটজন। পথে পলাশী বাজারের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের চাপায় অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার চালক রবিউল ও যাত্রী নান্দু চন্দ্র মারা যান। আহত হন নান্দুর ছেলে পূর্ণসহ আরো অন্তত ১০ জন। আহতদের মধ্যে চারজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মৃত্যু হয় পূর্ণ রায়ের।

 

আপনার মতামত লিখুন :

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত
খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসিদের, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি ধীর গতিতে কমতে শুরু করায় কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনও চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ অবস্থায় ঘর-বাড়ি থেকে পানি নেমে না যাওয়ায় চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার পরিবার ১০/১২ দিন নৌকায় বসবাস করছে। ঘরে ফিরতে পারছেন না উঁচু এলাকায় আশ্রয় নেয়া বানভাসি মানুষ। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসিদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563692543534.jpg
এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে ডায়রিয়া, জ্বরসহ নানা পানিবাহিত রোগ

 

এদিকে বাঁধ ভাঙা বন্যার পানিতে এখনও তলিয়ে আছে চিলমারী উপজেলা শহরের রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়ি, অফিসসহ বিভিন্ন স্থাপনা। 

বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে ডায়রিয়া, জ্বরসহ নানা পানিবাহিত রোগ। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ও কোনো  কাজ না থাকায় চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন বন্যা কবলিত দিনমজুর শ্রেণির মানুষ। 

সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ তৎপরতা শুরু হলেও তা জেলার ৯ উপজেলায় ৮ লক্ষাধিক বানভাসি মানুষের জন্য অপ্রতুল। 

শেষ হচ্ছে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ব্যস্ত জেলেরা

শেষ হচ্ছে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ব্যস্ত জেলেরা
২৩ জুলাই থেকে জেলেরা আবার সাগরে মাছ ধরতে পারবে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার শেষদিকে জেলেদের মাছ শিকারে যেতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আর এই প্রস্তুতির বড় একটি অংশ জুড়ে আছে ট্রলার ও নৌকা গুলো মাছ ধরার উপযোগী করে তোলা। এ কারণে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর-আলিপুর মৎস্য বন্দর সংলগ্ন ডকইয়ার্ড গুলোতে এখন চলছে রাত-দিন ব্যস্ততা।

ডকইয়ার্ডে কাজ শেষে নৌযান গুলো পানিতে নামানো হয়েছে। আবার কেউ শেষ মুহূর্তে জোড়া তালির কাজে ব্যস্ত। তবে ২৩ জুলাইয়ের কাজ শেষ করতে ট্রলার মালিক ও মাঝিদের মধ্যে চলছে জোরালো তাগিদ। তাই সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত শ্রমিকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563690802780.jpg
সমুদ্র সীমানায় ২০মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার

 

মহিপুর মৎস্য বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, এই অবরোধের সময়ে তারা অনেকই তাদের ট্রলার এবং নৌকা গুলোর প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ করিয়েছেন, যাতে করে এই মৌসুমে অন্তত নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারেন। এ ছাড়া অনেকেই ট্রলারের ইঞ্জিনের ছোট বড় কাজ গুলো সেরে নিয়েছেন। এর ফলে মৎস্য ব্যবসায়ী ও জেলেদের এবার বাড়তি টাকাও বিনিয়োগ করতে হয়েছে।

এদিকে জেলেদের দুই মাসেরও অধিক সময় মাছ শিকারের সুযোগ না থাকা এবং আয় না হওয়ায় অনেকেই টাকার অভাবে তাদের নৌযান মেরামত করতে পারেনি। এরপরও ধার দেনা করে কেউ নৌযান মেরামতের কাজ সম্পন্ন করেছেন। এই ক্ষেত্রে মহাজন ও মাছের গদির মালিকদের কাছ থেকে অনেকেই দাদন নিয়েছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563690966990.jpg
২৩ জুলাই রাতেই নৌযান নিয়ে মাছ শিকারে যাবে বলে জানান জেলেরা 

 

তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে আগামী ২৩ জুলাই রাতেই এসব নৌযান প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও খাবার নিয়ে আবারও সাগরে মাছ শিকারে যাবে বলে জানান উপকূলীয় জেলেরা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশর সমুদ্র এলাকার মৎস্য সম্পদ উৎপাদন ও মজুত বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবারই প্রথম বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানায় ২০মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে সকল ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র