Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রেললাইনের নাট কাপড়ে বাঁধা, ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন

রেললাইনের নাট কাপড়ে বাঁধা, ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন
রেললাইনের নাট কাপড়ে বাঁধা, ছবি: বার্তা২৪.কম
রাকিবুল ইসলাম রাকিব
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
গৌরীপুর
ময়মনসিংহ


  • Font increase
  • Font Decrease

কোথাও রেললাইন পাথর শূন্য। কোথাও রেললাইনের ফিশপ্লেটে নেই নাট-বল্ট। কোথাও আবার রেললাইনের ফিশপ্লেটের নড়বড়ে নাট-বল্ট পুরনো কাপড় দিয়ে বাঁধা। ট্রেন চলাচলের সময় রেললাইন নড়েচড়ে ওঠে। শব্দ হয় বিকট। যাত্রীরাও থাকেন আতঙ্কের মধ্যে।

এ চিত্র ময়মনসিংহের গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফরমের তিনটি রেললাইনের। প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্লাটফরম ও এর বাইরেও রেললাইনের অনেক স্থানে পর্যাপ্ত পাথর নেই, নেই ফিশপ্লেটে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নাট-বল্ট। ফলে ঝুঁকি নিয়ে ট্রেন চলাচল করছে। এতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে যে কোনো সময়।

i
চারটির মধ্যে তিনটি নাট-বল্ট আছে, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

এ বিষয়ে গৌরীপুর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদ সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম মিন্টু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রেললাইনের ফিশপ্লেটের নাট-বল্ট, হুক, ক্লিপ পুরনো হয়ে যাওয়ায় ট্রেন চলাচলের সময় খুলে পড়ে যায়। অনেক সময় আবার চুরিও হয়। দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন। নয়তো কুলাউড়ার মতো এখানেও ট্রেন দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।’

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিনটি রেলপথে প্রতিদিন আন্তঃনগর, লোকাল, কমিউটার ও মেইল ট্রেনসহ ৩২টি ট্রেন আসা যাওয়া করে। স্টেশনের প্লাটফরমে ট্রেন চলাচলের জন্য পাঁচটি পৃথক লাইন রয়েছে। কিন্তু দু’টি রেললাইন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় তিনটি দিয়ে ট্রেন চলাচল করে।

বুধবার বিকেলে গৌরীপুর স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, স্টেশন এলাকার চকপাড়া রেলগেট থেকে পশ্চিম ভালুকা পর্যন্ত এলাকায় তিনটি রেললাইনের অধিকাংশ জায়গা পাথর শূন্য। তিন রেললাইনের অর্ধ শতাধিক ফিশপ্লেটে পর্যাপ্ত নাট-বল্ট নেই। প্রতিটি ফিশপ্লেটে চারটি করে নাট-বল্ট থাকার কথা। কিন্তু এসব ফিশপ্লেটে তিনটি কিংবা দু’টি করে নাট-বল্ট রয়েছে। রেলওয়ের উপসহকারী কার্যালয়ের সামনে এক ও দুই নম্বর লাইনের কয়েকটি স্থানে ফিশপ্লেটে চারটি নাট-বল্ট মধ্যে কোথাও তিনটি, দু’টি দেখা গেছে। আউটার সিগন্যাল এলাকায় রেললাইনের সংযোগস্থলের হুক বের হয়ে গেছে।

স্টেশনের প্লাটফরম এলাকা সংলগ্ন দুই নম্বর রেললাইনের বিভিন্ন জায়গায় ফিশপ্লেটে পর্যাপ্ত নাট-বল্ট নেই। এখানকার এক জায়গায় ফিশপ্লেটের নড়বড়ে নাট-বল্ট বেঁধে রাখা হয়েছে পুরনো কাপড় দিয়ে।

n
রেললাইনের কিছু স্থানে হুক নেই, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

অপরদিকে স্টেশনের প্লাটফরম সংলগ্ন তিন নম্বর রেললাইনের অবস্থা অন্য দুই রেললাইনের চেয়ে তুলনামূলক ভালো। তবে ওই লাইনেও টিসিএম টেলিকম অফিসের সামনে ও রেলওয়ে কোয়ার্টার এলাকায় বেশ কয়েকটি জায়গায় রেললাইনের ফিশপ্লেটে চারটির বদলে তিনটি করে নাট-বল্ট দেখা গেছে।

গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আব্দুর রশিদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রেললাইনের ফিশপ্লেটে চারটি করে নাট-বল্ট থাকে। তিনটি থাকলে ট্রেন চলাচল করতে বড় ঝুঁকি থাকে না। কিন্তু দু’টি থাকলে ঝুঁকি থেকে যায়। কিন্তু এই সেক্টরটা আমার আওতাধীন নয়, এটা রেলওয়ের যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগ দেখভাল করে।’

গৌরীপুর রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওয়াহিদুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, রেলওয়ের এসব ত্রুটি মেরামত করার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গোলাম কিবরিয়া মিন্টু (৩৩) নামে মাদক মামলার এক আসামিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ সিদ্দিক উল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু স্থানীয় ইমান আলী চৌকিদার বাড়ির ইসমাইলের ছেলে। কোম্পানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, মিন্টু মাদক মামলাসহ মোট ছয়টি মামলার আসামি। গত ১৫ দিন আগে তিনি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পান।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্র্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির ভাই গোলাম আজম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে একই এলকার শেখ ফোরমানের বাড়ির আজাদের ছেলে তানভির (২৫), পাটোয়ারী হাটের পটু ডাক্তার বাড়ির নুর আমিনের ছেলে ফয়সালসহ কয়েকজন মিন্টুকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে চোখ, হাত ও পা বেঁধে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর হন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মিন্টুকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহত মিন্টুর পরিবার।

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ছেলেসহ বাবার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় হাফিজাবাদ ইউনিয়নে পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকার আইজুদ্দীনের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৬৩) এবং তার দুই ছেলে নাজিরুল ইসলাম (৩৬) ও আশাদুল (২২)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশে একটি খালে কারেন্ট জাল বসিয়েছিলেন নাজিরুল। কিন্তু বৈদ্যুতিক তার পানিতে পড়ে যাওয়ায় জাল তুলতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এরপর নাজিরুলের ছোট ভাই আশাদুল তার বড় ভাই ও বাবাকে উদ্ধার করতে পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ছেলেসহ বাবাকে আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু আক্কাস আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান' এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র