Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

লারেলাপ্পা বিক্রি করে চলে নুরু খাঁ’র সংসার

লারেলাপ্পা বিক্রি করে চলে নুরু খাঁ’র সংসার
শিশুদের কাছে খুব জনপ্রিয় লারেলাপ্পা বিক্রেতা নুরু খাঁ
আব্দুস সালাম আরিফ
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পটুয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

‘খালি লাফায়, খালি ঘোরে। লাফায় আর ঘোরে, লারেলাপ্পা, লারেলাপ্পা’—এভাবেই ক্যানভাস করে পটুয়াখালী শহরে লারেলাপ্পা (শিশু খেলনা) বিক্রি করে সংসার চালান নুরু খাঁ (৯৭)। তিনি সদর উপজেলার নবগঠিত ভুড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।

নুরু খাঁ জানান, স্বাধীনতার পর থেকেই তিনি বেলুন বিক্রি করতেন। এরপর বাঁশিও বিক্রি করেছেন। তবে গত দুই দশকের বেশি সময় বেলুনের মধ্যে পানি ভরে তাতে ইলাস্টিক লাগিয়ে বিক্রি করেন, যা স্থানীয়ভাবে লারেলাপ্পা নামে পরিচিত। লারেলাপ্পা শিশুদের কাছে খুবই জনপ্রিয় খেলনা। প্রতিটি তিন টাকা দরে বিক্রি হয়। তবে কেউ এক সাথে দুটি নিলে দাম রাখা হয় পাঁচ টাকা।

বয়স হলেও সংসার চালাতে কারও কাছে হাত পাততে রাজি নন নুরু খাঁ। তাই এই বয়সেও কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে বয়সের সাথে সাথে নুরু খাঁ’র সামনের অধিকাংশ দাঁত পড়ে গেছে। এছাড়া ডান পা ভেঙে যাওয়ায় অনেকটা খুড়িয়ে চলতে হয় তাকে।

জানা গেছে, নুর খাঁ’র সাত ছেলে মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে এবং বড় মেয়ে ছাড়া কেউ তার খোঁজ নেন না। তাইতো স্ত্রীকে নিয়ে অভাবের সংসার চালাতে তাকে নিয়মিত লারেলাপ্পা বিক্রি করতে হয় শহরের অলিগলিতে।

নুরু খাঁ জানান, অনেক সময় গরিব ছেলে মেয়েদের তিনি ফ্রি লারেলাপ্পা দেন। এরপরও প্রতিদিন দুইশ থেকে আড়াইশ টাকা বিক্রি হয়। তবে অনেকে খুশি হয়ে অনেক সময় বেশি দাম দেন।

নুরু খাঁ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘যে কালে দেহি ছোড পোলাপান লারেলাপ্পা হাতে খেলা করে, আমার মনডা হেকালে ভইরা যায়। তবে এখন আর তেমন হাঁটতে পারি না। এ কারণে আয়ও কমে আসছে। তাছাড়া বয়স হওয়ায় শরীরে বাসা বেঁধেছে বিভিন্ন রোগ। ফলে অর্থাভাবে নিজের চিকিৎসাও করাতে পারি না।’

আপনার মতামত লিখুন :

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা
খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনে খুলনাগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে রোববার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায়। এরপর পরপরই খুলনার সাথে সারা দেশের ট্রেন চলাচল অচল হয়ে পড়ে। কোটচাঁদপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত হবার ফলে খুলনা রুটে অন্যান্য ট্রেন চুয়াডাঙ্গার রেল লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে হাজারো যাত্রী নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

সরজমিনে রাত ১১ টার দিকে খুলনামুখী তিনটি যাত্রীবাহী ট্রেনকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন রেল লাইনের পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। চুয়াডাঙ্গা রেল স্টেশন হতে দুই কিলোমিটার দূরে ফার্মপাড়া ও উথলীতে এই তিনটি ট্রেন অপেক্ষমান রয়েছে। ট্রেনগুলো হলো খুলনামুখী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সুন্দরবন, চিলহাটি থেকে ছেড়ে আসা রূপসা ও গোয়লন্দ থেকে ছেড়ে আসা নকশী। ট্রেনগুলোর বগিতে ৪ হাজারেরও বেশী যাত্রী। এসব যাত্রী দীর্ঘ সময় ট্রেনের মধ্যে বসে নিশ্চুপ সময় পাড় করছেন। তারা জানেন না কখন তাদের ট্রেন খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160769719.jpg

স্টেশন থেকে দুই কিলোমিটার দূরে আন্ত:নগর রূপসা ট্রেনটিকে যাত্রী নিয়ে নিরাপত্তাহীনভাবে শহরের অন্ধকারাচ্ছন্ন ফার্মপাড়ায় রেল লাইনে অপেক্ষমান অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।  যাত্রীদের নিরাপত্তায় অপেক্ষমান ট্রেনের আশপাশে স্টেশনের কোনও জিআরপি পুলিশকে দেখা যায়নি। আর ট্রেনের ভেতরে যাত্রীদের মালামাল রক্ষার্থে যে পুলিশ সদস্য দায়িত্বে-তাকে দেখা গেছে ট্রেনের ভেতরে গভীর ঘুমে মগ্ন।

খুলনাগামী রূপসা ট্রেনের যাত্রী রোকন বলেন, স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি নাটোর থেকে খুলনায় ফিরছেন। সকালে তার অফিস। এখন কখন ট্রেন ছাড়বে তা কেউ বলতে পারছে না। এতে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160786981.jpg

সরকারী চাকরীজীবী মেরিনা বলেন, যে জায়গায় ট্রেন থামানো হয়েছে স্থানটি ভালো নয়। আশপাশের লোকজন বাজে বাজে কথা বলছে ট্রেনের জানালার ওপাশ থেকে। ট্রেনটি যদি প্লাটফর্মে থামাত তাহলে ভালো হত।

চুয়াডাঙ্গা স্টেশনের মাস্টার নাসরিন ফারহানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান সন্ধ্যার পরপরই তিনটি ট্রেন পর্যায়ক্রমে চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে ঢুকলে আমরা ট্রেনগুলোকে বিভিন্ন রুটে দাঁড় করিয়ে দেই। কোটচাঁদপরে কপোতাক্ষ ট্রেন সচল করতে ঈশ্বরদী থেকে এরই মধ্যে রিলিফ ট্রেন পোড়াদহ স্টেশন ছেড়ে এসেছে। রিলিফ ট্রেনটি গিয়ে লাইনচ্যুত ট্রেনকে উদ্ধার করার পরপরই চুয়াডাঙ্গায় অপেক্ষমান ট্রেনগুলো খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।

সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত

সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত
ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জোবেদা বেগম (৫০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) আনুমানিক বিকেল ৫ টায় বাইপাস সড়কের মুজার মোড় এলাকায় সড়ক পার হতে গিয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাবেদা বেগম সৈয়দপুর পৌর শহরের কয়া গোলাহাট এলাকার দক্ষিণ পাড়ার মৃত আজিজার রহমানের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, দুর্ঘটনায় আহত জোবেদা বেগমকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) প্রেরণ করলে, হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃতবরণ করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র