নদীতে পানি বৃদ্ধি, ভেঙে যাচ্ছে কালভার্ট



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নেত্রকোনা
পানির চাপে ভাঙতে শুরু করেছে কালভার্ট, ছবি: বার্তা২৪

পানির চাপে ভাঙতে শুরু করেছে কালভার্ট, ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সকল নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। অতিরিক্ত পানির চাপে দুর্গাপুর-শ্যামগঞ্জ সড়কের একটি কালভার্টের মাটি সরে গিয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন বলছে, নদীর পানি কমলে শিগগিরই সড়কটি রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা গেছে, ভারতের মেঘালয়ে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি ঢলের পানি নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় নেমে আসছে। আর এই পানি সোমেশ্বরী নদীর বিপদসীমা পার হয়ে ঢুকছে আশাপাশের নিম্ন এলাকায়। এতে বন্যার আশঙ্কাসহ ভাঙন দেখা দিয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থার।

দুর্গাপুর-শ্যামগঞ্জ মহাসড়কের কাকৈরগড়ার ইন্দ্রপুরের কালভার্টটি অতিরিক্ত পানির চাপে ভেঙে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম সড়ক এ মহাসড়কটি। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। রোগী ও ব্যবসার মালামাল পরিবহনের জন্য সড়কটিই একমাত্র ভরসা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/29/1561810524008.jpg

স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বিকেলে কালভার্টের নিচ দিয়ে পানি প্রবাহের চাপ বাড়তে শুরু করলে শুক্রবার (২৮ জুন) বিকেলে কালভার্টের মাটি সরে ভাঙতে শুরু করে। কালভার্টটি র্নিমাণের আগে এলাকাবাসী বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাধা উপেক্ষা করে ওই স্থানটিতে কালভার্ট র্নিমাণ করে।

খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেলেই ক্ষতিগস্ত এলাকা পরির্দশন করেন জেলা প্রশাসক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তাৎক্ষণিক জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ভাঙন রোধে বালির বস্তা, ব্লকসহ বাশঁ দিয়ে কালভার্টেরে চারপাশে বাধঁ দেওয়া হয়। সড়কটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেন জেলা প্রশাসক।

এদিকে, শনিবার (২৯ জুন) সকাল থেকে সোমেশ্বরী নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে বলে জানান দুর্গাপুর উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা খানম।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঝুমা তালুকদার জানান, সড়কের ভাঙন রোধে স্থানীদের সহায়তায় বালির বস্তা ও বাশঁ দিয়ে ভাঙন প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকেও অবগত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নেত্রকোনার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দিদারুল আলম তরফদার বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘কিছু দিন হলো কালভার্টটির কাজ শেষ হয়েছে। সিসি ব্লকও দেওয়া হয়নি। তাই পানির চাপে কালভার্টটি কিছুটা ক্ষতিগস্ত হয়েছে। পানি চলে গেলে সিসি ব্লকসহ কাজ করা হবে।’