Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চেয়ারম্যানের কেয়ারটেকারের রহস্যজনক মৃত্যু

চেয়ারম্যানের কেয়ারটেকারের রহস্যজনক মৃত্যু
নোয়াখালী জেলার মানিচত্র: ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
নোয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ২নং চরবাটা ইউনিয়নের চেয়রম্যান মোজাম্মেল হোসেনের বাড়ির কেয়ারটেকার ইসমাইল (৪৮)-এর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের বাড়ি হাতিয়া উপজেলায়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে কেয়ারটেকারের মৃত্যুর সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় সাংবাদিক ইমাম হোসেন সুমনের ওপর হামলা চালিয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীরা।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক সুমন মুঠোফোনে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, কেয়ারটেকারের মৃত্যুর সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন ও তার সঙ্গীরা আমার ওপর হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আসার পর ০১৮৩১৯৪৭১৩৪ নম্বর থেকে আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

অবশ্য চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন দাবি করেন, তার বাড়ির কেয়ারটেকার বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছে। সাংবাদিকের ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহেদ উদ্দিন চৌধুরী মুঠোফোনে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি কেয়ারটেকারের মৃত্যু হয়েছে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে। যেহেতু তার মৃত্যু দিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। তাই আমরা লাশ উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। আপনার সামনে সাংবাদিকের ওপর হামলা হয়েছে এমন প্রশ্ন করলে ওসি বলেন, আমার সামনে হামলা হয়নি। আমি দেখেছি কথা কাটাকাটি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

টাঙ্গাই‌লে বন্যা কবলিত এলাকায় পানিবাহিত রোগের আশঙ্কা

টাঙ্গাই‌লে বন্যা কবলিত এলাকায় পানিবাহিত রোগের আশঙ্কা
টাঙ্গাইলে বন্যা কবলিতদের দুর্ভোগ

যমুনা নদীর টাঙ্গাইল অংশে গত কয়েকদিনে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি পেলেও শুক্রবার  (১৯ জুলাই) সকাল থেকে কমতে শুরু করেছে। ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় পানিবাহিত রোগ-ব্যাধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।  এখনও পর্যন্ত বন্যা কবলিত এলাকায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট রয়েছে। জেলা-উপজেলা প্রশাসন থেকে পানীয় জল ও কোন প্রকার ওষুধ সরবরাহ করা হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর অংশে যমুনা নদীর পানি দুই সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৯১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে শুক্রবার বিকালে ওই অংশে যমুনা নদী পানি বিপদসীমার ৯৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বৃদ্ধির ফলে তারাকান্দি-ভূঞাপুর সড়কে টেপিবাড়ি নামকস্থানে ভেঙে সব ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হিসেবে ব্যবহৃত ওই সড়কটির ৬০ মিটার অংশ ধসে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাতে সড়কটি ভেঙে পড়ার পর শুক্রবার সকাল থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল সড়কটি মেরামতে কাজ করে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্যানুযায়ী, শনিবার (২০ জুলাই) সকাল পর্যন্ত বন্যায় জেলার ৬টি উপজেলার নদী তীরবর্তী ৩৪টি ইউনিয়নের ২১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ২টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা সম্পূর্ণ প্লাবিত হয়ে প্রায় তিনলাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

উপজেলাগুলো হচ্ছে- টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর, গোপালপুর, কালিহাতী, নাগরপুর ও মির্জাপুর।

চলতি বন্যায় এ পর্যন্ত এক হাজার ৩৩০টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়া ২১ হাজার ৯৭৪টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিন হাজার ৩৬ হেক্টর জমির ফসল পানিতে ডুবে গেছে। চারটি ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও জেলার ৬টি উপজেলার ১০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ৮৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ঢুকে গেছে। ১৬টিতে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বন্যার্তদের সাহায্যার্থে জেলায় মোট ১৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ টি ভূঞাপুরে এবং ২ টি গোপালপুরে। এই সব আশ্রয় কেন্দ্রে দুই হাজার চারশ লোক আশ্রয় নিয়েছে। তবে বন্যা দুর্গত এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৬৫ টন চাল ও নগদ তিন লাখ টাকা ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, গত কয়েকদিনে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পেলেও শুক্রবার বি‌কেল থেকে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে বন্যা কবলিত এলাকায় পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে পানি বাহিত রোগের প্রার্দুভাবের আশঙ্কা করা হচ্ছে।  এ বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে।

লক্ষ্মীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ১৯ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত

লক্ষ্মীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ১৯ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে সংলগ্ন বাড়িসহ ১৯টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

শনিবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় হাজিরপাড়া বাজারে চায়ের একটি দোকানের সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকান ও বাসাবাড়িতে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা পালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রেণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

আগুনে বাজারের প্রতিমা বস্ত্রালয়, জাবেদ স্টোর (মুদি দোকান), নুর ইলেকট্রিক, দ্বীপ অটো মেশিনারীজ অ্যান্ড হার্ডওয়্যার, কিরণ সাহার মিষ্টির দোকান, অভিরামের চা দোকান, প্রদীপ ও মানিকের সেলুন, নুর আলমের কুটিরশিল্প, জাবেদ ও বাবুলের মুদি মালামালের গুদাম, মাহফুজের ক্রোকারীজ সামগ্রী এবং পার্শ্ববর্তী বাসাবাড়িসহ ১৯টি ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান পুড়ে যায়।

Laksmipur Fire

হাজিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুল আলম বাবুল বলেন, আগুনে কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা আমাকে জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছি।

লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তার আগেই বাসাবাড়িসহ ১৯টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে যায়। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, পরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে তা ছড়িয়ে পড়ে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র