Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মানিকগঞ্জে মাদক বিক্রির দায়ে নারীসহ আটক ৯

মানিকগঞ্জে মাদক বিক্রির দায়ে নারীসহ আটক ৯
প্রতীকী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মানিকগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মাদকদ্রব্য সেবন ও বিক্রির দায়ে এক নারীসহ ৯ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৩০৬ পিস ইয়াবা ও ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (১২ জুলাই) ভোরে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।

মাদকদ্রব্য সেবন ও বিক্রির দায়ে আটক ব্যক্তিরা হলেন, জেলার সিংগাইর উপজেলার দক্ষিণ জাইল্যা গ্রামের শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী নাছিমা বেগম (২৫), দৌলতপুর উপজেলার দেশগ্রাম এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে হুমায়ন মিয়া (২৮), মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বাসুদেবপুর এলাকার ফজলুল হকের ছেলে আলমগীর হোসেন (২৮), হরিরামপুর উপজেলার আন্ধারমানিক এলাকার বিল্লাল মোল্লার ছেলে জীবন মোল্লা (২০), একই উপজেলার গোপিনাথপুর এলাকার সানালের ছেলে আলম (৫২), পান্নু কসাইয়ের ছেলে আলাল মিয়া (২২), শিবালয়ের দাশকান্দি এলাকার নুরুল ইসলামের পারভেজ খান (২৪) এবং ঘিওর উপজেলার গোয়াল্ডাঙ্গী এলাকার আক্কাছ আলীর ছেলে রবিন মিয়া (২২) এবং একই এলাকার ছলিম মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া (২২)।

মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার সহকারী পুলিশ সুপার হামিদুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন :

মধুমতি নদীতে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার

মধুমতি নদীতে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

মাগুরা জেলার শ্রীপুরের মধুমতি নদী থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।  

শুক্রবার (১৯ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে মাঝআইল গ্রামের শেখপাড়া এলাকার মধুমতি নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাগুরা থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী আহসান হাবীব বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, মরদেহটির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারনা করা হচ্ছে মরদেহটি ২/৩ দিন আগের এবং আশে-পাশের কোনো জেলা থেকে ভেসে আসতে পারে।   

স্থানীয়রা জানান, নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়।

ফেরি পারাপারে ভোগান্তি, মহাসড়কে কমেছে যানবাহন

ফেরি পারাপারে ভোগান্তি, মহাসড়কে কমেছে যানবাহন
ফেরি পারাপারে ভোগান্তির কারণে ঢাকা-আরিটা মহাসড়কে যানবাহনের চাপ নেই

পদ্মায় প্রচণ্ড স্রোতের কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় যানবাহনের চাপ কমে গেছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে। দূরপাল্লার কিছু কিছু যানবাহন চলাচল করলেও সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ির তেমন চাপ নেই।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে দীর্ঘ ভোগান্তির কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে ভিন্ন রুট হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিামাঞ্চলে যাতায়াত করছেন ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি ও পণ্যবাহী ট্রাকের চালকরা।

ভিন্ন রুটে যাতায়াত করায় পণ্য পরিবহনে বাড়ছে খরচ। অতিরিক্ত শ্রম দিতে হচ্ছে পরিবহন চালকদের। আবার রাজস্ব আয় কমছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষের।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563523215177.jpg
নদীতে স্রোতের কারণে আপাতত কয়েক দিন এমন ভোগান্তি থেকে রেহাই পাওয়ার কোন উপায় নেই বলে দাবি ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষের। তবে দ্রুত সময়ে এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানান ট্রাক চালকরা।

পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোত থাকার কারণে ফেরিঘাট এলাকায় দীর্ঘ ভোগান্তিতে পড়েছে ৪ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও দুই শতাধিক বাস চালক ও যাত্রীরা। ঘাট এলাকায় যানবাহনের চাপ বেশি থাকার কারণে মহাসড়কের বাথুলী ও উথুলী এলাকায় আটকে রাখা হচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক চালকদের। তবে জরুরি পণ্যবাহী ট্রাকের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাই উপজেলার বাথুলী এলাকায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক চালকদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। ঘাট থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার আগেই এসব ট্রাক চালকদের আটকে দিচ্ছে হাইওয়ে পুলিশ।

খুলনাগামী ট্রাক চালক হুমায়ন মিয়া জানান, নৌরুটে বিপর্যয় হলেই ভোগান্তিতে পড়ে ট্রাক চালকরা। ভিন্ন পথে যাতায়াতের জন্য নির্দেশনা দিচ্ছে হাইওয়ে পুলিশ। কিন্তু ভিন্ন পথে যাতায়াতের জন্য আমাদের খরচ বেড়ে যায় দ্বিগুণ। যে কারণে ভোগান্তি হওয়ার পরও বাধ্য হয়েই আমাদের এই মহাসড়ক হয়ে যাতায়াত করতে হয়। তবে সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামণা করেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563523243568.jpg
মহাসড়কের বাথুলী ও উথুলী এলাকায় আটকে রাখা হচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক

গোলড়া হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ঘাট এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই ট্রাক চালকদের আটকে রাখা হচ্ছে। ঘাটে চাপ কমে গেলে এখান থেকে কিছু কিছু ট্রাক পাঠানো হয়। আবার বিকল্প পথে যাতায়াতে সুযোগ থাকলেও ট্রাক চালকদের ওই পথে যাতায়াতে অনুরোধ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন হোসেন জানান, নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৫টি ফেরি রয়েছে। তবে নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় সেগুলো নিয়মিত চলাচল করতে পারছে না। যে কারণে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ভোগান্তি হচ্ছে। এতে করে আগের তুলনায় পারাপার করা গাড়ির সংখ্যাও অনেক কমে গেছে বলে জানান তিনি।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার সাথে রাজধানীতে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক। প্রায় পাঁচ হাজার বাস, ট্রাক ও ছোট গাড়ি প্রতিদিন যাতায়াত করে এই মহাসড়ক দিয়ে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র