Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ত্রাণ পেতে ছুটছেন বানভাসি মানুষ

ত্রাণ পেতে ছুটছেন বানভাসি মানুষ
ত্রাণ নিতে আসা মানুষের ভিড়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
তোফায়েল হোসেন জাকির
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
গাইবান্ধা


  • Font increase
  • Font Decrease

বন্যায় গাইবান্ধার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী হওয়া ওইসব পরিবারে দেখা দিয়েছে আবাসনসহ খাদ্য সংকট। প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধিদের ত্রাণ বিতরণের খবর পেয়ে সেখানই ছুটছেন বানভাসি মানুষরা।

জানা যায়, গাইবান্ধার জেলার সুন্দরগঞ্জ, সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার প্রায় ২০০ গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। দুর্গত মানুষরা ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে। ক্ষতিগ্রস্তরা দৈনন্দিন রোজগার করতে না পারায় পরিবার পরিজন নিয়ে চরম দুর্ভোগে দিনযাপন করছেন। তাদের মাঝে চলছে নীরব দুর্ভিক্ষ। খাদ্য সংগ্রহে হাহাকার শুরু হয়েছে। রাত শেষে সকাল হলেই কোথায় ত্রাণ দেবে এমন সন্ধানে ছুটছেন তারা।

এদিকে বন্যা কবলিত মানুষদের সহায়তা দিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধিরাও তৎপর রয়েছে। প্রতিদিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন। অসহায় মানুষদের মাঝে পর্যায়ক্রমে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছাতে সক্রিয় দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।

ত্রাণ পেতে ছুটছেন বানভাসি মানুষ

এরই অংশ হিসেবে সোমবার (১৫ জুলাই) জেলা প্রশাসনের নির্দেশে বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করে জেলা পুলিশের একটি টিম। সদর উপজেলার গোদারহাট এলাকার বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এদিকে ত্রাণ বিতরণের খবর শুনে সেখানে ছুটে আসেন শত শত মানুষ। এই বিপদে একটু খাদ্য হাতে পেয়ে বানভাসি মানুষ জেলা পুলিশের ত্রাণ পেয়ে পুলিশ বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বন্যা দুরগত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার, ত্রাণকাজে সহায়তাসহ বানভাসি মানুষের পাশে আছি।'

জেলা প্রশাসক (রুটিন দায়িত্ব) রোখসানা বেগম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বন্যা দুগত মানুষদের ত্রাণ হিসেবে চাল, শুকনো খাবার, ঢেউটিন ও নগদ টাকা প্রদান করা হচ্ছে। বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে, যা বিতরণ চলমান থাকবে।'

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি
আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও দারিয়াপুর হাটসহ সকল হাট বাজারে আমনের চারা (বিছন) ক্রয় বিক্রয়ে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষক সমিতির আয়োজনে স্থানীয় দারিয়াপুর হাটের চারমাথা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুল ইসলাম মাস্টারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, কৃষক সমিতির জেলা সহ-সভাপতি সন্তোষ বর্মণ, সদর উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, দারিয়পুর অঞ্চল কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি গুলবদন সরকার, সাধারণ সম্পাদক কৃষক নেতা জাহাঙ্গীর আলম মাস্টারসহ অনেকে।

বক্তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। সেই সঙ্গে ইরি ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়া, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছ থেকে যাতে আমন চারা ক্রয় বিক্রয়ে কোনো প্রকার টোল আদায় না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ
দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় বাসের দীর্ঘ সারি

রাত যত বাড়ছে ততই নৈশ কোচের চাপ বাড়ছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে। নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক কোচ।

দুপুরের পর থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহনের তেমন কোন চাপ ছিল না। তবে লোকাল বাসের যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল দিনভর। সন্ধ্যা লাগার পর থেকে লোকাল বাসের যাত্রীদের চাপ কমলেও এখন নৈশ কোচের চাপ বেড়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টায় সরেজমিন দেখা যায় দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে প্রায় দুই শতাধিক নৈশ বাস। রাতে বাসের সারি আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে ধারণা করছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566057794700.jpg

তবে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও খুব বেশি সময় নদী পারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না বলে আশা করছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের শাখা ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, যানবাহন পার করার জন্য দৌলতদিয়া প্রান্তের ৬টি পন্টুনই সচল রয়েছে। তাছাড়া ১৯টি ফেরি নিয়মিত চলাচল করছে। আশা করছি নদী পারের জন্য ঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র