Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

বন্ধ হতে পারে মংলা-ঘাষিয়াখালী নৌ চ্যানেলের ড্রেজিং

বন্ধ হতে পারে  মংলা-ঘাষিয়াখালী নৌ চ্যানেলের ড্রেজিং
মংলা-ঘাষিয়াখালী নৌ চ্যানেলের খনন কাজ চলছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
আবু হোসাইন সুমন
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বাগেরহাট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নদী থেকে উত্তোলিত পলি ফেলার জায়গা সংকটের কারণে বাগেরহাটের মংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের খনন কাজ প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চ্যানেলটির মংলা ও রামপাল অংশের প্রায় ২৬ কিলোমিটার নদীর দু’পাড়ের জায়গা ভরাটের পর এখন নতুন করে পলি ফেলার আর কোনো জায়গা অবশিষ্ট নেই। 

সোমবার (১৫ জুলাই) বিআইডব্লিউটি-এর ড্রেজিং বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনিচ্ছুজামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মংলা-ঘাষিয়াখালী নৌ চ্যানেলের নাব্যতা ঠিক রাখতে পর্যন্ত ২৭৭ দশমিক ৪৬ লাখ ঘনমিটার মাটি খনন করা হয়েছে। মাটি নদীর দু’পাড়েই ফেলা হয়েছে। একই জায়গায় একাধিকবার এ মাটি ফেলায় উঁচু টিলার সৃষ্টি হয়েছে। যা যে কোন সময় ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিনা মূল্যে মাটি দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি দিয়েও কোন জায়গা পাচ্ছেন না তারা।  

এদিকে নদীর নাব্যতা সংকটে দূরীকরণে বিআইডব্লিউটি-এর চলমান কার্যক্রমকে বাঁধাগ্রস্ত করতে একটি স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল নানা ধরণের অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

বিআইডব্লিউটির কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০১০ সালে চ্যানেলটির ২২ কিলোমিটার নৌপথ পলি পড়ে ভরাট হয়ে নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।  ২০১৪ সালের ১ জুলাই ২৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ভরাট হয়ে যাওয়া চ্যানেলটির পলি ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে অপসারণ করে পুনরায় চালু করা হয়। তারপর থেকেই নিয়মতিভাবেই চলছে এ চ্যানেলটির খনন কাজ। কিন্তু দ্রুত পলি পড়তে থাকায় বর্তমানে খননকৃত মাটি ফেলার জায়গা সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ চ্যানেলের দুই পাড়ে খননকৃত মাটি ফেলতে ফেলতে আর কোন জায়গা অবশিষ্ট নেই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563206383626.jpg
নদীর দু’পাড়ের নিচু জমি ভরাট হয়ে যাওয়ায় মোংলা বন্দরের আমদানি-রপ্তানিতে গুরুত্ব বেড়েছে।

 

একইসঙ্গে পলি মাটি দিয়ে নদীর দু’পাড়ের নিচু জমি ভরাট হয়ে যাওয়ায় কৃষি ও শিল্পায়ন সৃষ্টির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জমির দামও বেড়েছে কয়েকগুণ।

মংলা বন্দর ব্যবহারকারী এইচ এম দুলাল বলেন, আন্তর্জাতিক এ নৌ চ্যানেলটি পুনরায় চালু হওয়ায় মংলা বন্দরের আমদানি-রফতানি গুরুত্ব বেড়েছে। স্থায়ীভাবে এ চ্যানেলটির নাব্যতা ঠিক রাখতে পারলে অর্থনৈতিকভাবেও বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। 

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী গোলাম মোহাম্মদ কাকন বলেন, চ্যানেলে খনন কাজে বাধার সৃষ্টি হলে নৌ চলাচলও বন্ধ হয়ে যাবে। তাই চ্যানেলটি চালু রাখতে সরকারের সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

বিআইডব্লিউটি-এর ড্রেজিং বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাবের হোসেন মজুমদার বলেন, মংলা-ঘাষিয়াখালী নৌ চ্যানেল খননের মাটি দিয়ে কয়েক’শ একর সরকারি বেসরকারি জমি ভরাট করা হয়েছে।  

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি
আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও দারিয়াপুর হাটসহ সকল হাট বাজারে আমনের চারা (বিছন) ক্রয় বিক্রয়ে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষক সমিতির আয়োজনে স্থানীয় দারিয়াপুর হাটের চারমাথা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুল ইসলাম মাস্টারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, কৃষক সমিতির জেলা সহ-সভাপতি সন্তোষ বর্মণ, সদর উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, দারিয়পুর অঞ্চল কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি গুলবদন সরকার, সাধারণ সম্পাদক কৃষক নেতা জাহাঙ্গীর আলম মাস্টারসহ অনেকে।

বক্তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। সেই সঙ্গে ইরি ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়া, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছ থেকে যাতে আমন চারা ক্রয় বিক্রয়ে কোনো প্রকার টোল আদায় না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ
দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় বাসের দীর্ঘ সারি

রাত যত বাড়ছে ততই নৈশ কোচের চাপ বাড়ছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে। নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক কোচ।

দুপুরের পর থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহনের তেমন কোন চাপ ছিল না। তবে লোকাল বাসের যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল দিনভর। সন্ধ্যা লাগার পর থেকে লোকাল বাসের যাত্রীদের চাপ কমলেও এখন নৈশ কোচের চাপ বেড়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টায় সরেজমিন দেখা যায় দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে প্রায় দুই শতাধিক নৈশ বাস। রাতে বাসের সারি আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে ধারণা করছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566057794700.jpg

তবে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও খুব বেশি সময় নদী পারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না বলে আশা করছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের শাখা ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, যানবাহন পার করার জন্য দৌলতদিয়া প্রান্তের ৬টি পন্টুনই সচল রয়েছে। তাছাড়া ১৯টি ফেরি নিয়মিত চলাচল করছে। আশা করছি নদী পারের জন্য ঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র