বাহুবলে ২০ গ্রাম প্লাবিত, বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, হবিগঞ্জ
নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শ্রেণিকক্ষে পানি ঢৃুকে গেছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শ্রেণিকক্ষে পানি ঢৃুকে গেছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

হবিগঞ্জের বাহুবলে করাঙ্গী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আশপাশের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। পানির স্রোতে নদীর বিভিন্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সেই সব স্থানে তিনদিন ধরেই রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন গ্রামবাসী ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

অন্তত ২০টি গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করায় সিমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নষ্ট হয়ে গেছে মৌসুমি ফসলসহ বিভিন্ন ফসলাদি। বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

জানা যায়, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে চলা করাঙ্গী নদীর পানি বিপদসীমার ৩২ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কোথাও কোথাও জলাদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে রাস্তাঘাট উপচে পানি প্রবেশ করছে বিভিন্ন গ্রামে। নদীর একপাশে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ না থাকায় অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563207982634.jpg

ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভাদেশ্বর ইউনিয়নের বড়গাঁও, শফিয়াবাদ, সাহানগর, গাংপাড়, রশিদপুর, পূর্ব ভাদেশ্বর, কসবাকরিমপুর, ডুমগাও, নোয়াগাঁও, পুরান মৌড়ি, জয়নাবাদ, বাহুবল, উত্তরসুর, কবিরপুর, মানিকা। এছাড়াও নিজগাঁও, পশ্চিম ভাদেশ্বর, ইসলামপুর ও দশকাহনিয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে, উপজেলা সদরের দীননাথ ইনস্টিটিউশন, সাতকাপন সরকারি হাই স্কুল, পশ্চিম ভাদেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশ ক্লাসরুমে পানি প্রবেশ করায় বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়েশা হক জানান, করাঙ্গী নদীতে বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ না থাকায় কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। তবে এখনো আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ হয়নি। তাই তাদের আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে বলা হচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন :