Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

হবিগঞ্জে বন্যার আতঙ্ক কাটিয়ে রোদের ঝিলিক

হবিগঞ্জে বন্যার আতঙ্ক কাটিয়ে রোদের ঝিলিক
চার দিন পর হবিগঞ্জে রোদের দেখা মিলেছে/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

চার দিনের অবিরাম বৃষ্টিতে ভোগান্তি আর নদীপাড়ের মানুষের আতঙ্ক কাটিয়ে অবশেষে হবিগঞ্জে রোদের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে হবিগঞ্জের আকাশে রোদ দেখা দেয়। এতে স্বস্তি ফিরেছে হবিগঞ্জের জনসাধারণের মনে।

এদিকে, বর্তমানে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এছাড়া খোয়াই নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই হবিগঞ্জের আকাশ অনেকটা মেঘমুক্ত ছিল। বেলা ১১টার দিকে মাথার উপরে সূর্য দৃশ্যমান হয়। ফলে চার দিনের বৃষ্টিতে স্থবির জনজীবনে ফের কর্ম চাঞ্চল্য ফিরে আসে। যদিও শহরের বিভিন্ন এলাকায় এখনো পানি লেগে থাকায় অনেকটা ভোগান্তিতে রয়েছেন শহরবাসী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563264056571.gif

অপরদিকে, মঙ্গলবার বিকেল থেকে কুশিয়ারা নদীর পানি কমতে শুরু করবে বলে ধারণা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে পানি না বাড়লেও ভোগান্তি কমেনি নদীর পাড়ের মানুষের। প্লাবিত হওয়া প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা, ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। ফসলাদি ও মূল্যবান জিনিসপত্র পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বছরজুড়ে তীব্র খাদ্য সংকটে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের হতাশ না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

হবিগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। হবিগঞ্জে তেমন কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করা হবে। বন্যার পানি নেমে গেলে পুনরায় তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সরকার থেকে যতেষ্ট পরিমাণে সহযোগিতার পরিকল্পনা রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি
আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও দারিয়াপুর হাটসহ সকল হাট বাজারে আমনের চারা (বিছন) ক্রয় বিক্রয়ে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষক সমিতির আয়োজনে স্থানীয় দারিয়াপুর হাটের চারমাথা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুল ইসলাম মাস্টারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, কৃষক সমিতির জেলা সহ-সভাপতি সন্তোষ বর্মণ, সদর উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, দারিয়পুর অঞ্চল কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি গুলবদন সরকার, সাধারণ সম্পাদক কৃষক নেতা জাহাঙ্গীর আলম মাস্টারসহ অনেকে।

বক্তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। সেই সঙ্গে ইরি ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়া, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছ থেকে যাতে আমন চারা ক্রয় বিক্রয়ে কোনো প্রকার টোল আদায় না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ
দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় বাসের দীর্ঘ সারি

রাত যত বাড়ছে ততই নৈশ কোচের চাপ বাড়ছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে। নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক কোচ।

দুপুরের পর থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহনের তেমন কোন চাপ ছিল না। তবে লোকাল বাসের যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল দিনভর। সন্ধ্যা লাগার পর থেকে লোকাল বাসের যাত্রীদের চাপ কমলেও এখন নৈশ কোচের চাপ বেড়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টায় সরেজমিন দেখা যায় দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে প্রায় দুই শতাধিক নৈশ বাস। রাতে বাসের সারি আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে ধারণা করছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566057794700.jpg

তবে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও খুব বেশি সময় নদী পারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না বলে আশা করছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের শাখা ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, যানবাহন পার করার জন্য দৌলতদিয়া প্রান্তের ৬টি পন্টুনই সচল রয়েছে। তাছাড়া ১৯টি ফেরি নিয়মিত চলাচল করছে। আশা করছি নদী পারের জন্য ঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র