Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১১ জনের দাফন সম্পন্ন

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১১ জনের দাফন সম্পন্ন
নিহতদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
সিরাজগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত বর-কনেসহ ১১ জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার থেকে বাদ জোহর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ, রামগাঁতি, কালিয়া হরিপুর, সয়াধানগড়া, দিয়ার ধানগড়া ঈদগাহ ও এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের ঘাটিনা ঈদগাহ মাঠ ও রায়গঞ্জের উপজেলার কৃষ্ণদিয়ার গ্রামে পৃথক পৃথকভাবে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় আশপাশের গ্রামের শত শত মানুষ অংশ নেয়। শেষবারের মতো মৃতদেহগুলো দেখতে বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ ছুটে এসে ভিড় জমায়। পৃথক পৃথকভাবে সাতটি জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। চোখের পানি ঠেকাতে পারেননি অনেকেই। সান্ত্বনা দেয়ারও ভাষা ছিল না কারও কাছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563272947300.jpg
দুর্ঘটনার পরবর্তী অবস্থা, ছবি: ফাইল ফটো

 

জানাজা নামাজ শেষে উত্তর কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে বর রাজন শেখ (২২), বরের মামাতো ভাই শিশু আলিফ বায়েজিদ (৮), চুনিয়াহাটি (কাজীপাড়া)র মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ভাষা সেখ (৫৫)কে কালিয়া হরিপুর করবস্থান, বরযাত্রী শহরের রামগাতি মহল্লার আব্দুল মতির ছেলে আব্দুস সামাদ (৫০), তার ছেলে শাকিল (২০), সয়াধানগড়া মহল্লার সুরুত আলীর ছেলে হেলপার আব্দুল আহাদ সুজন (২১), দিয়ারধানগড়া মহল্লার আলতাফ হোসেনের ছেলে শরীফুল ইসলাম (২৬)কে পৌর এলাকার মালশাপাড়া কবরস্থান, চালক স্বাধীন (৪৫)কে পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ কবরস্থান, রায়গঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণদিয়ার গ্রামের আলম শেখের ছেলে খোকন (৩৫)কে কৃষ্ণদিয়ার পারিবারিক কবরস্থান এবং উল্লাপাড়া পৌর এলাকার এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত গফুর সেখের মেয়ে নব বিবাহিত সুমাইয়া খাতুন (১৮) ও তার ভাবি আশরাফ আলীর স্ত্রী মমতা বেগম (৩৫)কে এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের ঘাটিনা কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে বিয়ের মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, বর-কনেসহ নিহত ১০

উল্লেখ্য, বিয়ের মাইক্রোবাসটি উল্লাপাড়া থেকে বেতকান্দি যাবার পথে সলপ এলাকায় রেলক্রসিং পার হবার সময় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে ঘটনাস্থলেই ১১ জন নিহত হয়।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ৬ জনের দাফন সম্পন্ন

আপনার মতামত লিখুন :

শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
শীতলক্ষ্যার তীর হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অর্ধশত কাঁচা পাকা স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। একই সঙ্গে নদী ভরাট করায় অ্যাসকোয়ার গার্মেন্টসকে নগদ ৫০ হাজার ও জয়া অ্যাপারেলস নামক গার্মেন্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে শীতলক্ষ্যায় তৃতীয় দফায় তৃতীয় দিনের মতো উচ্ছেদ অভিযানটি পরিচালিত হয়। এদিন নদীর তীরে একটি ৬তলা ভবনের আংশিক, জয়া অ্যাপারেলস, স্ক্যান সিমেন্ট, ডেল্টা ডকইয়ার্ড, সোনালী পেপার মিলস, রহমান কেমিক্যালসের আংশিক অংশ সহ অর্ধশত স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল জানান, অনেকেই গুলশান বনানীতে থাকেন অথচ নদীর তীরে জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ করে নাম দেন নদী বিলাস। শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও ধলেশ্বরীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি শীত মৌসুমের পূর্বে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরে নদীর তীর রক্ষায় সীমানা পিলার, ওয়াকওয়ে বনায়নের মাধ্যমে নদীর তীরে বসন্তের আবহাওয়া ফিরিয়ে আনা হবে।

শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নদীর তীর দখল ও ভরাটকারীরা কখনোই মানতে চান না। তারা বলেন, ভূমি অফিস থেকে তাদেরকে জমি মেপে বুঝিয়ে দিয়েছে। এ কারণে অনেক সময় উচ্ছেদ অভিযানে দীর্ঘসূত্রিতা দেখা দেয়। তবে দখলদাররা যতই বলুক না কেন নদী দখলের বিষয়টি দৃশ্যমান। নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।

পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ
নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

বিবদমান একটি বাড়ির প্রাচীর ভেঙে দেয়াসহ সেখানে পানি, বিদ্যুৎ ও স্যুয়ারেজ লাইন বন্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলা রয়েছে। অথচ মামলার বিষয়টি তোয়াক্কা না করে নিজে উপস্থিত থেকে বাড়ি ভেঙেছেন পৌর মেয়র। এ কারণে তিনি আদালত অবমাননা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজুল আলম ছোটন।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে নাটোর ইউনাইটেড প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566730280721.jpg

সংবাদ সম্মেলনে সিরাজুল আলম ছোটন বলেন, প্রায় ৩০ বছর আগে সুকুমার মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি ৬ শতাংশ এবং তার ভায়রা সামসুল হুদা ১৩ শতাংশসহ মোট ১৯ শতাংশ জমি কেনা হয়। সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন সিরাজুল ইসলাম ছোটন। পরবর্তীতে সামসুল হুদা তার অংশের জমি বিউটি ভৌমিক নামে এক নারীর কাছে বিক্রি করেন। গত ৭ জুলাই বিউটি ভৌমিক ও তার স্বামী অচিন্ত কুমার চক্রবর্তী দেড় শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ এনে সিরাজুল ইসলাম ছোটনের দেয়া বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে। তারা নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরীর সহযোগিতায় এ কাজ করেন।

পরে এ ঘটনায় নাটোর সহকারী জজ আদালতে বিউটি ভৌমিকসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন সিরাজুল ইসলাম ছোটন। এরপর হঠাৎ করেই ২৪ আগস্ট মেয়রের নেতৃত্বে সিরাজুল ইসলাম ছোটনের বাড়ির পানি, বিদ্যুৎ ও স্যুয়ারেজ লাইন বন্ধ করে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জানান, পৌরসভার পক্ষ থেকে ওই জমি মাপ দিয়ে দেখা যায় সিরাজুল ইসলাম ছোটন দেড় শতাংশ জমি অতিরিক্ত দখল করে রেখেছেন। এ বিষয়ে দুইবার নোটিশ দিয়ে জায়গা ছেড়ে দিতে বলা হয়। কিন্তু তিনি না করলে গতকাল বাদী পক্ষের জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আর এ কাজের মাধ্যমে তিনি কোনো আদালত অবমাননা করেননি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র