Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

বন্যাদুর্গত এলাকায় সাপ আতঙ্ক

বন্যাদুর্গত এলাকায় সাপ আতঙ্ক
বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে পীরগাছার বাসিন্দারা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
পীরগাছা (রংপুর)


  • Font increase
  • Font Decrease

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রংপুরের পীরগাছায় তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলেও দুর্গত এলাকায় সাপ আতঙ্ক বিরাজ করছে।

খাদ্য সংকটের পাশাপাশি বন্যার পানিতে উজান থেকে বিভিন্ন প্রজাতির বিষাক্ত সাপ ভেসে আসায় বানভাসি লোকজন ভয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বন্যাকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তিস্তা নদীর তীরবর্তী গাবুড়ার চর, শিবদের চর, কিশামত ছাওলা, পূর্ব হাগুরিয়া হাশিম, ছাওলা, চর কাশিম, শিবদেব, রহমতের চর, চর তাম্বুলপু ও চর রহমত গ্রামের প্রায় চার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছে।

পানিবন্দি পরিবারের মানুষজনের মাঝে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও গবাদি পশুর জন্য গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এদিকে রোববার রাত থেকে বন্যার্তদের মাঝে সাপ আতঙ্ক বিরাজ করছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563277839312.gif

বানভাসিরা জানায়, বিভিন্ন স্থানে বিষাক্ত সাপ ঘোরাফেরা করছে। এসব সাপ বন্যার পানিতে ভেসে এসেছে। সাপের ভয়ে বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষ নিদ্রাহীন রাত্রী যাপন করছে।

চর ছাওল গ্রামের আবুল হোসেন (৭০) বলেন, ‘রোববার থেকে উজানের ঢলে বিষাক্ত সাপ ভেসে আসছে। সাপের ভয়ে বন্যার্তরা জেগে জেগে রাত কাটাচ্ছে।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, ‘বন্যাদুর্গতদের জন্য ৩০ মেট্রিক টন চাল বিতরণের প্রস্তুতি চলছে।‘

পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমীন প্রধান বলেন, ‘পানিবন্দি পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

পথভোলা সবুজ এখন মা-বাবার কাছে

পথভোলা সবুজ এখন মা-বাবার কাছে
শিশু জাহিদ হোসেন সবুজকে তার মা-বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঢাকার মিরপুর থেকে হারিয়ে যাওয়া শিশু জাহিদ হোসেন সবুজ (১০) প্রায় আড়াই মাস পরে তার মা-বাবার কাছে ফিরেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল কাদের সবুজকে তার মা-বাবার কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

পরে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী শিশুটিকে তার মা-বাবার কাছে বুঝিয়ে দেন। এদিকে হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে খুঁজে পেয়ে আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন তারা।

শিশু সবুজ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা কামাল হোসেনের ছেলে। কামাল ঢাকায় সিএনজি অটোরিকশা চালান।

সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র জানায়, ঢাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকত সবুজ। গত ৯ জুন মিরপুর থেকে বাসার পথ ভুলে গিয়ে হারিয়ে যায় সে। পরে যাত্রীবাহী বাসে করে লক্ষ্মীপুরে চলে আসে। রাস্তায় এক রাত কাটানোর পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় শিশুটিকে সদর থানা পুলিশ উদ্ধার করে। নাম-ঠিকানা বলতে না পারায় আদালতের নির্দেশে তাকে জেলা সরকারি শিশু পরিবারে রাখা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) শিশুটির বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনের সন্ধান খুঁজে বের করা হয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী বলেন, ‘শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার মা-বাবাকে খুঁজে বের করেছি। আদালতের নির্দেশে যথাযথ নিয়ম মেনে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

তেল ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে নোয়াখালীতে ২ জনের যাবজ্জীবন

তেল ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে নোয়াখালীতে ২ জনের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালী সদর উপজেলার জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী আরিফ হোসেনকে হত্যার দায়ে দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ফারুক এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের আরিফুর রহমান পিয়াস ও মোরশেদ আলী সুমন। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

দুই জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দণ্ডবিধির ৪১১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে উভয় আসামিকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জাকারুল ইসলাম বলেন, 'নিহত ব্যবসায়ী আরিফ পারিবারিকভাবে ভাইদের সঙ্গে জ্বালানি তেলের ব্যবসা করতেন। ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল তেল বিক্রির বাকি টাকা তোলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আমির হোসেন সুধারাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।'

পরের দিন ১৮ এপ্রিল চর দরবেশ গ্রামে আসামি আশিকুর রহমান পিয়াসের বসত ঘরের পাশের কচুক্ষেত থেকে মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ আরিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিনই আমির হোসেন বাদী হয়ে আরিফুর রহমান পিয়াস ও মোরশেদ আলীসহ ছয়জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আদালতে রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাড. মো. বোরহান আহমেদ ও এড.মাহমুদ হাসান। অপরদিকে, আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা- করেন অ্যাড. হারুনুর রশিদ হাওলাদার ও অ্যাড. স্বপন চন্দ্র পাল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র