Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে মার্কিন নারী

প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে মার্কিন নারী
স্বামী সোহেলের সঙ্গে মার্কিন নাগরিক সারলেট, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রেম-ভালোবাসা মানে না কোনো বাধা। আর সেই প্রেমের টানেই দেশ ছেড়েছেন মার্কিন নারী সারলেট। সুদূর আমেরিকা ছেড়ে এসে ঘর বাঁধলেন বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে।

শ্রীরামপুর গ্রামের সফিক উল্যার ছেলে সোহেল হোসেনকে বিয়ে করে এখন তিনি বাংলাদেশের বধূ। তাকে দেখতে আশপাশের মানুষ ভিড় জমায় সোহেলদের বাড়িতে।

শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানায়, ২০১৩ সালের ৪ নভেম্বর ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয়। এরপর বন্ধুত্ব-প্রেম। দুই দেশের দুই সংস্কৃতি থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভালোবাসারই জয় হয়েছে। উভয়ের পরিবার মেনে নেওয়ার পর ১২ জুলাই বাংলাদেশে আসেন সারলেট।

প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে মার্কিন নারী

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বরণ করে নেয়া হয়। ভিনদেশি হলেও পুত্রবধূকে দেখে বেশ খুশি সোহেলের মা-বাবা।

এদিকে মার্কিন এই নারীকে দেখতে আসেন আশপাশ এলাকার বিভিন্ন বয়সী হাজারো নারী-পুরুষ। সারলেটর বাড়ি আমেরিকার নিউজার্সিতে। এর আগে ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই বাংলাদেশে তাদের বিয়ে হয়।

স্বামী সোহেল হোসেন বলেন, 'সাত বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে সারলেটের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর তার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। একপর্যায়ে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর সারলেট বাংলাদেশে আসে। ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই আমরা বিয়ে করেছি। পরে সে আমেরিকায় চলে যায়। ১২ জুলাই পুনরায় বাংলাদেশে আসলে আমাদের গ্রামের বাড়িতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বরণ করে নেওয়া হয়।'

প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে মার্কিন নারী

সোহেলের বাবা সফিক উল্যা বলেন, 'আমরা ছেলের বিয়েতে বেশ খুশি। এ বিয়ের মাধ্যমে প্রেমের জয় হয়েছে। আমার ছেলে ও তার বউয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন।'

জানতে চাইলে দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসানুল কবির রিপন বলেন, 'মার্কিন নারী আমাদের এলাকার বধূ। এ নিয়ে এলাকায় কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। তাকে এক নজর দেখতে মানুষজন ওই বাড়িতে ভিড় করছে।'

আপনার মতামত লিখুন :

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু তাসফিয়া

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু তাসফিয়া
তাসফিয়া জাহান মুনিরা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বিরল রোগে আক্রান্ত সাড়ে তিন বছরের মেয়ে তাসফিয়া জাহান মুনিরা। তাসফিয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার গোডাউন পাড়ার মাসুদুজ্জামান মামুনের ছোট মেয়ে।

জন্ম থেকেই তার সারা শরীর লম্বা লম্বা পশমে আবৃত। এমনকি মুখের মধ্যেও গজিয়ে উঠছে সেই পশম। পিঠের ছোট্ট একটি টিউমার থেকে এর উৎপত্তি বলে তাসফিয়ার মা তানজিলা খাতুন জানান।

তিনি জানান, যখন তাসফিয়ার বয়স ৬ দিন, তখন থেকেই পশম লক্ষ্য করা যায়। এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। তখন হাসপাতালের চিকিৎসকদের গঠিত মেডিকেল বোর্ড এটিকে বিরল চর্ম রোগ বলে শনাক্ত করেন। তখন তাসফিয়ার বয়স ৩-৪ বছর হলে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেয়া হয়। বর্তমানে তার বয়স সাড়ে তিন বছর।

তিনি আরও জানান, গরমের দিনে ওই শিশুর শরীর থেকে আগুনের মতো তাপ বের হতে থাকে। দিনে ২-৩ বার গোসল করাতে হয়। দিনরাত ফ্যানের নিচে রাখতে হয়। বিদ্যুৎ না থাকলে হাত পাখার বাতাস করতে হয়।

ডাক্তাররা বাচ্চাটিকে চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে রাজমিস্ত্রী বাবার পক্ষে শিশু তাসফিয়ার উন্নত চিকিৎসা করানো সম্ভব না। তাই বর্তমানে তার হোমিও চিকিৎসা চলছে।

তাসফিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছে তার বাবা-মা।

পথভোলা সবুজ এখন মা-বাবার কাছে

পথভোলা সবুজ এখন মা-বাবার কাছে
শিশু জাহিদ হোসেন সবুজকে তার মা-বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঢাকার মিরপুর থেকে হারিয়ে যাওয়া শিশু জাহিদ হোসেন সবুজ (১০) প্রায় আড়াই মাস পরে তার মা-বাবার কাছে ফিরেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল কাদের সবুজকে তার মা-বাবার কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

পরে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী শিশুটিকে তার মা-বাবার কাছে বুঝিয়ে দেন। এদিকে হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে খুঁজে পেয়ে আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন তারা।

শিশু সবুজ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা কামাল হোসেনের ছেলে। কামাল ঢাকায় সিএনজি অটোরিকশা চালান।

সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র জানায়, ঢাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকত সবুজ। গত ৯ জুন মিরপুর থেকে বাসার পথ ভুলে গিয়ে হারিয়ে যায় সে। পরে যাত্রীবাহী বাসে করে লক্ষ্মীপুরে চলে আসে। রাস্তায় এক রাত কাটানোর পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় শিশুটিকে সদর থানা পুলিশ উদ্ধার করে। নাম-ঠিকানা বলতে না পারায় আদালতের নির্দেশে তাকে জেলা সরকারি শিশু পরিবারে রাখা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) শিশুটির বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনের সন্ধান খুঁজে বের করা হয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী বলেন, ‘শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার মা-বাবাকে খুঁজে বের করেছি। আদালতের নির্দেশে যথাযথ নিয়ম মেনে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র