Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

দুর্বৃত্তের এসিডে ঝলসে গেল গৃহবধুর মুখ

দুর্বৃত্তের এসিডে ঝলসে গেল গৃহবধুর মুখ
সিরাজগঞ্জে গৃহবধুর উপর এসিড নিক্ষেপ/ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
সিরাজগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

দুর্বৃত্তের এসিড নিক্ষেপে  সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে আঙ্গুর খাতুন (১৯) নামে এক গৃহবধুর মুখ,পিঠ ও হাত ঝলসে গেছে। তাকে গুরুতর অবস্থায় সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) রাতে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের দোগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসিড আক্রান্ত আঙ্গুরী খাতুন উপজেলার দোগাছী গ্রামের তাঁত শ্রমিক শাহাদত হোসেনের স্ত্রী।

গৃহবধুর স্বামী শাহাদত হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে নিজ ঘরের দরজার পাশে বসে খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ অজ্ঞাত এক ব্যক্তি এসে তার মুখে এসিড ছুঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল ইসলাম জানান, গৃহবধুর শরীরে এসিড নিক্ষেপে করা হয়েছে বলে জেনেছি। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শামীমুল ইসলাম জানান, ভিকটিমের শরীরের প্রায় ৮ থেকে ১০ শতাংশ ঝলসে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
শীতলক্ষ্যার তীর হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অর্ধশত কাঁচা পাকা স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। একই সঙ্গে নদী ভরাট করায় অ্যাসকোয়ার গার্মেন্টসকে নগদ ৫০ হাজার ও জয়া অ্যাপারেলস নামক গার্মেন্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে শীতলক্ষ্যায় তৃতীয় দফায় তৃতীয় দিনের মতো উচ্ছেদ অভিযানটি পরিচালিত হয়। এদিন নদীর তীরে একটি ৬তলা ভবনের আংশিক, জয়া অ্যাপারেলস, স্ক্যান সিমেন্ট, ডেল্টা ডকইয়ার্ড, সোনালী পেপার মিলস, রহমান কেমিক্যালসের আংশিক অংশ সহ অর্ধশত স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল জানান, অনেকেই গুলশান বনানীতে থাকেন অথচ নদীর তীরে জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ করে নাম দেন নদী বিলাস। শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও ধলেশ্বরীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি শীত মৌসুমের পূর্বে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরে নদীর তীর রক্ষায় সীমানা পিলার, ওয়াকওয়ে বনায়নের মাধ্যমে নদীর তীরে বসন্তের আবহাওয়া ফিরিয়ে আনা হবে।

শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নদীর তীর দখল ও ভরাটকারীরা কখনোই মানতে চান না। তারা বলেন, ভূমি অফিস থেকে তাদেরকে জমি মেপে বুঝিয়ে দিয়েছে। এ কারণে অনেক সময় উচ্ছেদ অভিযানে দীর্ঘসূত্রিতা দেখা দেয়। তবে দখলদাররা যতই বলুক না কেন নদী দখলের বিষয়টি দৃশ্যমান। নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।

পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ
নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

বিবদমান একটি বাড়ির প্রাচীর ভেঙে দেয়াসহ সেখানে পানি, বিদ্যুৎ ও স্যুয়ারেজ লাইন বন্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলা রয়েছে। অথচ মামলার বিষয়টি তোয়াক্কা না করে নিজে উপস্থিত থেকে বাড়ি ভেঙেছেন পৌর মেয়র। এ কারণে তিনি আদালত অবমাননা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজুল আলম ছোটন।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে নাটোর ইউনাইটেড প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566730280721.jpg

সংবাদ সম্মেলনে সিরাজুল আলম ছোটন বলেন, প্রায় ৩০ বছর আগে সুকুমার মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি ৬ শতাংশ এবং তার ভায়রা সামসুল হুদা ১৩ শতাংশসহ মোট ১৯ শতাংশ জমি কেনা হয়। সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন সিরাজুল ইসলাম ছোটন। পরবর্তীতে সামসুল হুদা তার অংশের জমি বিউটি ভৌমিক নামে এক নারীর কাছে বিক্রি করেন। গত ৭ জুলাই বিউটি ভৌমিক ও তার স্বামী অচিন্ত কুমার চক্রবর্তী দেড় শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ এনে সিরাজুল ইসলাম ছোটনের দেয়া বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে। তারা নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরীর সহযোগিতায় এ কাজ করেন।

পরে এ ঘটনায় নাটোর সহকারী জজ আদালতে বিউটি ভৌমিকসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন সিরাজুল ইসলাম ছোটন। এরপর হঠাৎ করেই ২৪ আগস্ট মেয়রের নেতৃত্বে সিরাজুল ইসলাম ছোটনের বাড়ির পানি, বিদ্যুৎ ও স্যুয়ারেজ লাইন বন্ধ করে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জানান, পৌরসভার পক্ষ থেকে ওই জমি মাপ দিয়ে দেখা যায় সিরাজুল ইসলাম ছোটন দেড় শতাংশ জমি অতিরিক্ত দখল করে রেখেছেন। এ বিষয়ে দুইবার নোটিশ দিয়ে জায়গা ছেড়ে দিতে বলা হয়। কিন্তু তিনি না করলে গতকাল বাদী পক্ষের জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আর এ কাজের মাধ্যমে তিনি কোনো আদালত অবমাননা করেননি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র