Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

কুশিয়ারা খনন ও বাঁধ নির্মাণে ৫১২ কোটি টাকার প্রকল্প

কুশিয়ারা খনন ও বাঁধ নির্মাণে ৫১২ কোটি টাকার প্রকল্প
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

কুশিয়রার নদীর পাঁচ কিলোমিটার জায়গায় বাঁধ নির্মাণ ও খননের জন্য ৫১২ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম।

তিনি বলেছেন, ‘হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় পারকুল থেকে কসবা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর পাঁচ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মেরামতে প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। চলতি বছরেই এই কাজ শুরু হতে পারে। সফলভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বর্ষাকালে আর বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।’

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার কসবা এলাকায় বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

এনামুল হক শামীম বলেন, ‘বন্যার এক সপ্তাহ পূর্বেই আমরা সতর্ক বার্তা পেয়েছি। সেই অনুযায়ী দুর্যোগ মোকাবেলায় শুকনো খাবার ও নগদ টাকাসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ মজুদ করে সব জেলায় পৌঁছে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণকে ভালবাসেন বলেই বন্যা দুর্গতদের পাশে মন্ত্রীদের পাঠিয়েছেন। তাঁর মতো পৃথিবীর আর কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী জনগণের পাশে দাঁড়ান না।’

Nabiganj

এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বন্যার্তদের পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। অনুষ্ঠানে এক হাজার বন্যার্তের মধ্যে ত্রাণ দেওয়া হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে- চাল, ডাল, তেল, মসলা, নুডলস, লবণ, সেমাই ইত্যাদি।

এতে বক্তব্য দেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসাইন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আলমগীর চৌধুরী, জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন: পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পায়নি বন্যার্তরা, হতবাক প্রতিমন্ত্রী

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি
আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও দারিয়াপুর হাটসহ সকল হাট বাজারে আমনের চারা (বিছন) ক্রয় বিক্রয়ে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষক সমিতির আয়োজনে স্থানীয় দারিয়াপুর হাটের চারমাথা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুল ইসলাম মাস্টারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, কৃষক সমিতির জেলা সহ-সভাপতি সন্তোষ বর্মণ, সদর উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, দারিয়পুর অঞ্চল কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি গুলবদন সরকার, সাধারণ সম্পাদক কৃষক নেতা জাহাঙ্গীর আলম মাস্টারসহ অনেকে।

বক্তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। সেই সঙ্গে ইরি ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়া, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছ থেকে যাতে আমন চারা ক্রয় বিক্রয়ে কোনো প্রকার টোল আদায় না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ
দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় বাসের দীর্ঘ সারি

রাত যত বাড়ছে ততই নৈশ কোচের চাপ বাড়ছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে। নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক কোচ।

দুপুরের পর থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহনের তেমন কোন চাপ ছিল না। তবে লোকাল বাসের যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল দিনভর। সন্ধ্যা লাগার পর থেকে লোকাল বাসের যাত্রীদের চাপ কমলেও এখন নৈশ কোচের চাপ বেড়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টায় সরেজমিন দেখা যায় দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে প্রায় দুই শতাধিক নৈশ বাস। রাতে বাসের সারি আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে ধারণা করছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566057794700.jpg

তবে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও খুব বেশি সময় নদী পারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না বলে আশা করছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের শাখা ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, যানবাহন পার করার জন্য দৌলতদিয়া প্রান্তের ৬টি পন্টুনই সচল রয়েছে। তাছাড়া ১৯টি ফেরি নিয়মিত চলাচল করছে। আশা করছি নদী পারের জন্য ঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র