Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

টাঙ্গাইলে বন্যার পানিতে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে বন্যার পানিতে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
টাঙ্গাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বন্যার পানিতে ডুবে তানজিলা (৮) ও লিমা (৫) নামে দুইবোনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের চরদূর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা ওই গ্রামের আবু সাঈদের মেয়ে। তানজিলা স্থানীয় একটি প্রাইমারি বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ও লিমা প্রথম শ্রেণিতে পড়ত।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চর দূর্গাপুর গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করায় ওই দুই শিশু পানিতে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা বাড়ির পাশেই তাদের দেহ পানিতে ভাসতে দেখে উদ্ধার করেন।

দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন প্রামানিক জানান, ওই গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করায় দুই শিশু পানিতে পড়ে মারা যায়। তারা সম্পর্কে আপন বোন।

আপনার মতামত লিখুন :

ফেনীতে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরের মৃত্যু

ফেনীতে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরের মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত কিশোর, ছবি: সংগৃহীত

ফেনীতে ট্রেনে কাটা পড়ে ইমদাদুল হক অপু নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে শহরের গোডাউন কোয়ার্টার এলাকার রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের কাটা পড়ে মারাত্মক আহত হন তিনি। ফেনীতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম নেওয়ার পথে মারা যান ওই কিশোর।

নিহত অপু ফেনী সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের মৌলভীবাড়ীর জোবায়ের আহমদের ছেলে এবং ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮ ব্যাচের ছাত্র ছিল।

ফেনী জিআরপি থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন, 'দুপুরে চাঁদপুর থেকে চট্রগ্রামগামী মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি রেলক্রসিং পার হচ্ছিল। এ সময় অপু দ্রুত রেল লাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। চট্রগ্রাম নেওয়ার পথে ইমদাদুল হক মারা যায়।

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু তাসফিয়া

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু তাসফিয়া
তাসফিয়া জাহান মুনিরা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বিরল রোগে আক্রান্ত সাড়ে তিন বছরের মেয়ে তাসফিয়া জাহান মুনিরা। তাসফিয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার গোডাউন পাড়ার মাসুদুজ্জামান মামুনের ছোট মেয়ে।

জন্ম থেকেই তার সারা শরীর লম্বা লম্বা পশমে আবৃত। এমনকি মুখের মধ্যেও গজিয়ে উঠছে সেই পশম। পিঠের ছোট্ট একটি টিউমার থেকে এর উৎপত্তি বলে তাসফিয়ার মা তানজিলা খাতুন জানান।

তিনি জানান, যখন তাসফিয়ার বয়স ৬ দিন, তখন থেকেই পশম লক্ষ্য করা যায়। এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। তখন হাসপাতালের চিকিৎসকদের গঠিত মেডিকেল বোর্ড এটিকে বিরল চর্ম রোগ বলে শনাক্ত করেন। তখন তাসফিয়ার বয়স ৩-৪ বছর হলে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেয়া হয়। বর্তমানে তার বয়স সাড়ে তিন বছর।

তিনি আরও জানান, গরমের দিনে ওই শিশুর শরীর থেকে আগুনের মতো তাপ বের হতে থাকে। দিনে ২-৩ বার গোসল করাতে হয়। দিনরাত ফ্যানের নিচে রাখতে হয়। বিদ্যুৎ না থাকলে হাত পাখা দিয়ে বাতাস করতে হয়।

ডাক্তাররা বাচ্চাটিকে চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে রাজমিস্ত্রী বাবার পক্ষে শিশু তাসফিয়ার উন্নত চিকিৎসা করানো সম্ভব না। তাই বর্তমানে তার হোমিও চিকিৎসা চলছে।

তাসফিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছে তার বাবা-মা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র