Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

নিখোঁজের দুইমাস পর খণ্ড-বিখণ্ড কঙ্কাল উদ্ধার

নিখোঁজের দুইমাস পর খণ্ড-বিখণ্ড কঙ্কাল উদ্ধার
উদ্ধারকৃত কঙ্কাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঠাকুরগাঁও


  • Font increase
  • Font Decrease

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নের নুরুল হক (৭০) নামের এক ব্যক্তির নিখোঁজের দুইমাস পরে ভুট্টা ক্ষেত থেকে খণ্ড-বিখণ্ড কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ঐ ইউনিয়নের স্কুলপাড়া গ্রামের আলি আখতার রাজুর ভুট্টা ক্ষেত থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান সদর থানার এসআই মুকুল।

নিহত ব্যক্তি আরাজী কুমারপুর গ্রামের মৃত তমির উদ্দীনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, দুপুরের দিকে ভুট্টা ক্ষেতে কৃষকেরা ভুট্টা তুলতে গেলে এই বৃদ্ধার কঙ্কালটি দেখতে পায়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খণ্ড-বিখণ্ড কঙ্কালটি উদ্ধার করে।

এ সময় উদ্ধারকৃত কঙ্কালটির পরনে থাকা একটি কাপড় দেখে তাকে চিনতে পারেন তার স্বজনেরা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি আশিকুর রহমান বলেন, 'উদ্ধারকৃত কঙ্কালটি নিয়ে আসা হয়েছে। মেডিকেল পরীক্ষার পরে কঙ্কালটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'

আপনার মতামত লিখুন :

পথভোলা সবুজ এখন মা-বাবার কাছে

পথভোলা সবুজ এখন মা-বাবার কাছে
শিশু জাহিদ হোসেন সবুজকে তার মা-বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঢাকার মিরপুর থেকে হারিয়ে যাওয়া শিশু জাহিদ হোসেন সবুজ (১০) প্রায় আড়াই মাস পরে তার মা-বাবার কাছে ফিরেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল কাদের সবুজকে তার মা-বাবার কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

পরে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী শিশুটিকে তার মা-বাবার কাছে বুঝিয়ে দেন। এদিকে হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে খুঁজে পেয়ে আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন তারা।

শিশু সবুজ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা কামাল হোসেনের ছেলে। কামাল ঢাকায় সিএনজি অটোরিকশা চালান।

সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র জানায়, ঢাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকত সবুজ। গত ৯ জুন মিরপুর থেকে বাসার পথ ভুলে গিয়ে হারিয়ে যায় সে। পরে যাত্রীবাহী বাসে করে লক্ষ্মীপুরে চলে আসে। রাস্তায় এক রাত কাটানোর পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় শিশুটিকে সদর থানা পুলিশ উদ্ধার করে। নাম-ঠিকানা বলতে না পারায় আদালতের নির্দেশে তাকে জেলা সরকারি শিশু পরিবারে রাখা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) শিশুটির বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনের সন্ধান খুঁজে বের করা হয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী বলেন, ‘শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার মা-বাবাকে খুঁজে বের করেছি। আদালতের নির্দেশে যথাযথ নিয়ম মেনে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

তেল ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে নোয়াখালীতে ২ জনের যাবজ্জীবন

তেল ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে নোয়াখালীতে ২ জনের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালী সদর উপজেলার জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী আরিফ হোসেনকে হত্যার দায়ে দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ফারুক এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের আরিফুর রহমান পিয়াস ও মোরশেদ আলী সুমন। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

দুই জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দণ্ডবিধির ৪১১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে উভয় আসামিকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জাকারুল ইসলাম বলেন, 'নিহত ব্যবসায়ী আরিফ পারিবারিকভাবে ভাইদের সঙ্গে জ্বালানি তেলের ব্যবসা করতেন। ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল তেল বিক্রির বাকি টাকা তোলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আমির হোসেন সুধারাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।'

পরের দিন ১৮ এপ্রিল চর দরবেশ গ্রামে আসামি আশিকুর রহমান পিয়াসের বসত ঘরের পাশের কচুক্ষেত থেকে মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ আরিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিনই আমির হোসেন বাদী হয়ে আরিফুর রহমান পিয়াস ও মোরশেদ আলীসহ ছয়জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আদালতে রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাড. মো. বোরহান আহমেদ ও এড.মাহমুদ হাসান। অপরদিকে, আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা- করেন অ্যাড. হারুনুর রশিদ হাওলাদার ও অ্যাড. স্বপন চন্দ্র পাল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র