Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

পানির নিচে ফসলি জমি, দাম বেড়েছে সবজির

পানির নিচে ফসলি জমি, দাম বেড়েছে সবজির
তলিয়ে যাওয়া ফসলি মাঠে মাথা বের করে আছে পাট গাছ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
গনেশ দাস
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েস্টিফোর.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

গত কয়েক দিনে যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে তলিয়ে গেছে বগুড়ার ফসলি জমি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বিভিন্ন ধরনের সবজি এবং কাঁচা মরিচের জমি। এতে বাজারে সবজির দাম বেড়েছে কয়েকগুণ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বন্যা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ শুধু পানি আর পানি। তবে দু-এক জায়গায় মাথা বের করে থাকা পাট গাছ দেখে বোঝা যায় যে, এটি ফসলের মাঠ।

জানা গেছে- পূর্ব বগুড়ার গাবতলী, সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা উপজেলায় প্রচুর পরিমাণ সবজি ও মরিচ চাষ হয়ে থাকে। স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর ওই সবজি শহরে বিক্রি হয়। কিন্তু বন্যায় পূর্ব বগুড়ার সবজি শহরে আসছে না। এ কারণে গত কয়েকদিনে সবজির দাম বেড়েছ কয়েকগুণ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563454852700.jpg

বৃহস্পতিবার বগুড়ার বিভিন্ন হাট বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, কচুর মুখি ৫০ টাকা,করলা ৬০ টাকা,কাকরোল ৬০ টাকা, ঢেড়শ ৬০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, মিষ্টি লাউ ৩০ টাকা, পুইশাক ২০ টাকা, লাল শাক ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সাধারণত এ সময় সবজির দাম হতো এর অর্ধেক।

জেলা প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী- বন্যা কবলিত সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় ৮ হাজর ৯৭৮ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে আউশ ধান, বিভিন্ন ধরনের সবজি, মরিচ, আমন বীজতলা ও আখ।

এদিকে, বাঙ্গালী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যায় ফসলি জমির পাশাপাশি ওই তিন উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষগুলো পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

অন্যদিকে, যমুনা নদীর পানিও বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা পর্যন্ত পানি বিপদসীমার ১২৭ সেন্টিমটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আগামী শনিবার (২০ জুলাই) পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। এরপর পানি কমতে শুরু করবে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজাহার আলী মন্ডল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বন্যা দুর্গত এলাকায় ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে এবং ৩৩৭ মেট্রিক টন জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বিতরণের জন্য। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনকে অতিরিক্ত ত্রাণের জন্য স্থানীয়ভাবে সারিয়াকান্দিতে ৫ লাখ, সোনাতলায় ২ লাখ এবং ধুনটে ১ লাখ টাকার শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

পথভোলা সবুজ এখন মা-বাবার কাছে

পথভোলা সবুজ এখন মা-বাবার কাছে
শিশু জাহিদ হোসেন সবুজকে তার মা-বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঢাকার মিরপুর থেকে হারিয়ে যাওয়া শিশু জাহিদ হোসেন সবুজ (১০) প্রায় আড়াই মাস পরে তার মা-বাবার কাছে ফিরেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল কাদের সবুজকে তার মা-বাবার কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

পরে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী শিশুটিকে তার মা-বাবার কাছে বুঝিয়ে দেন। এদিকে হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে খুঁজে পেয়ে আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন তারা।

শিশু সবুজ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা কামাল হোসেনের ছেলে। কামাল ঢাকায় সিএনজি অটোরিকশা চালান।

সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র জানায়, ঢাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকত সবুজ। গত ৯ জুন মিরপুর থেকে বাসার পথ ভুলে গিয়ে হারিয়ে যায় সে। পরে যাত্রীবাহী বাসে করে লক্ষ্মীপুরে চলে আসে। রাস্তায় এক রাত কাটানোর পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় শিশুটিকে সদর থানা পুলিশ উদ্ধার করে। নাম-ঠিকানা বলতে না পারায় আদালতের নির্দেশে তাকে জেলা সরকারি শিশু পরিবারে রাখা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) শিশুটির বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনের সন্ধান খুঁজে বের করা হয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী বলেন, ‘শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার মা-বাবাকে খুঁজে বের করেছি। আদালতের নির্দেশে যথাযথ নিয়ম মেনে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

তেল ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে নোয়াখালীতে ২ জনের যাবজ্জীবন

তেল ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে নোয়াখালীতে ২ জনের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালী সদর উপজেলার জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী আরিফ হোসেনকে হত্যার দায়ে দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ফারুক এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের আরিফুর রহমান পিয়াস ও মোরশেদ আলী সুমন। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

দুই জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দণ্ডবিধির ৪১১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে উভয় আসামিকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জাকারুল ইসলাম বলেন, 'নিহত ব্যবসায়ী আরিফ পারিবারিকভাবে ভাইদের সঙ্গে জ্বালানি তেলের ব্যবসা করতেন। ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল তেল বিক্রির বাকি টাকা তোলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আমির হোসেন সুধারাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।'

পরের দিন ১৮ এপ্রিল চর দরবেশ গ্রামে আসামি আশিকুর রহমান পিয়াসের বসত ঘরের পাশের কচুক্ষেত থেকে মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ আরিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিনই আমির হোসেন বাদী হয়ে আরিফুর রহমান পিয়াস ও মোরশেদ আলীসহ ছয়জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আদালতে রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাড. মো. বোরহান আহমেদ ও এড.মাহমুদ হাসান। অপরদিকে, আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা- করেন অ্যাড. হারুনুর রশিদ হাওলাদার ও অ্যাড. স্বপন চন্দ্র পাল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র