Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

বেনাপোলে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬০২৮ কোটি টাকা

বেনাপোলে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬০২৮ কোটি টাকা
বেনাপোল কাস্টম হাউজ/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বেনাপোল(যশোর)


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের সর্বববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি পণ্যের উপর ছয় হাজার ২৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এত বড় অংকের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব জানালেও ব্যবসায়ীরা বলছেন অনশ্চিয়তার কথা।

এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এখানে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকার বিপরীতে আদায় হয়েছে চার হাজার ৪০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে ঘাটতি ছিল এক হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা।

ভারত-বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট ইমপোর্ট, এক্সপোর্ট সাব কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, এ পথে বাণিজ্য আরও গতিশীল করতে ভারত-বাংলাদেশ সরকার উভয় আন্তরিক। ইতোমধ্যে তার ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ-নেপাল-ভুটান চার দেশের বাণিজ্য চুক্তিও বাস্তবায়ন হয়েছে। কিন্তু বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানির ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত সমস্যায় ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় সুফল পাচ্ছেন না। অবকাঠামোর উন্নয়ন না হলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নাও হতে পারে।’

বেনাপোল সিআ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ‘বন্দরের ধারণ ক্ষমতা ৩৮ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু এখানে সবসময় পণ্য থাকে প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। জায়গার অভাবে খোলা আকাশের নিচে রোদ, বৃষ্টি, কাদায় পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হয়। অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে বর্তমানে যে রাজস্ব আদায় হয়, তখন তার দ্বিগুণ হবে।’

বেনাপোল বন্দরের আমদানিকারক উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, ‘বন্দরে পরীক্ষাগার না থাকায় পণ্যের নমুনা পরীক্ষণের জন্য ঢাকাতে পাঠাতে হয়। রিপোর্ট হাতে পেতে ১৫ থেকে ২০ দিন, কখনো মাসের অধিক সময় লেগে যায়। এতে আমদানি পণ্য বন্দরে আটকে থেকে যেমন লোকসান গুনতে হয়, তেমনি পণ্যের মান নষ্ট হয়।’

বেনাপোল বন্দর পরিচালক (ট্রাফিক) প্রদোষ কান্তি দাস বলেন, ‘পূর্বের চেয়ে বন্দরে নিরাপত্তা বেড়েছে। অবকাঠামো উন্নয়নের বেশ কিছু কাজও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বন্দরের জায়গা বাড়াতে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা
খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনে খুলনাগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে রোববার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায়। এরপর পরপরই খুলনার সাথে সারা দেশের ট্রেন চলাচল অচল হয়ে পড়ে। কোটচাঁদপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত হবার ফলে খুলনা রুটে অন্যান্য ট্রেন চুয়াডাঙ্গার রেল লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে হাজারো যাত্রী নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

সরজমিনে রাত ১১ টার দিকে খুলনামুখী তিনটি যাত্রীবাহী ট্রেনকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন রেল লাইনের পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। চুয়াডাঙ্গা রেল স্টেশন হতে দুই কিলোমিটার দূরে ফার্মপাড়া ও উথলীতে এই তিনটি ট্রেন অপেক্ষমান রয়েছে। ট্রেনগুলো হলো খুলনামুখী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সুন্দরবন, চিলহাটি থেকে ছেড়ে আসা রূপসা ও গোয়লন্দ থেকে ছেড়ে আসা নকশী। ট্রেনগুলোর বগিতে ৪ হাজারেরও বেশী যাত্রী। এসব যাত্রী দীর্ঘ সময় ট্রেনের মধ্যে বসে নিশ্চুপ সময় পাড় করছেন। তারা জানেন না কখন তাদের ট্রেন খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160769719.jpg

স্টেশন থেকে দুই কিলোমিটার দূরে আন্ত:নগর রূপসা ট্রেনটিকে যাত্রী নিয়ে নিরাপত্তাহীনভাবে শহরের অন্ধকারাচ্ছন্ন ফার্মপাড়ায় রেল লাইনে অপেক্ষমান অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।  যাত্রীদের নিরাপত্তায় অপেক্ষমান ট্রেনের আশপাশে স্টেশনের কোনও জিআরপি পুলিশকে দেখা যায়নি। আর ট্রেনের ভেতরে যাত্রীদের মালামাল রক্ষার্থে যে পুলিশ সদস্য দায়িত্বে-তাকে দেখা গেছে ট্রেনের ভেতরে গভীর ঘুমে মগ্ন।

খুলনাগামী রূপসা ট্রেনের যাত্রী রোকন বলেন, স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি নাটোর থেকে খুলনায় ফিরছেন। সকালে তার অফিস। এখন কখন ট্রেন ছাড়বে তা কেউ বলতে পারছে না। এতে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160786981.jpg

সরকারী চাকরীজীবী মেরিনা বলেন, যে জায়গায় ট্রেন থামানো হয়েছে স্থানটি ভালো নয়। আশপাশের লোকজন বাজে বাজে কথা বলছে ট্রেনের জানালার ওপাশ থেকে। ট্রেনটি যদি প্লাটফর্মে থামাত তাহলে ভালো হত।

চুয়াডাঙ্গা স্টেশনের মাস্টার নাসরিন ফারহানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান সন্ধ্যার পরপরই তিনটি ট্রেন পর্যায়ক্রমে চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে ঢুকলে আমরা ট্রেনগুলোকে বিভিন্ন রুটে দাঁড় করিয়ে দেই। কোটচাঁদপরে কপোতাক্ষ ট্রেন সচল করতে ঈশ্বরদী থেকে এরই মধ্যে রিলিফ ট্রেন পোড়াদহ স্টেশন ছেড়ে এসেছে। রিলিফ ট্রেনটি গিয়ে লাইনচ্যুত ট্রেনকে উদ্ধার করার পরপরই চুয়াডাঙ্গায় অপেক্ষমান ট্রেনগুলো খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।

সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত

সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত
ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জোবেদা বেগম (৫০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) আনুমানিক বিকেল ৫ টায় বাইপাস সড়কের মুজার মোড় এলাকায় সড়ক পার হতে গিয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাবেদা বেগম সৈয়দপুর পৌর শহরের কয়া গোলাহাট এলাকার দক্ষিণ পাড়ার মৃত আজিজার রহমানের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, দুর্ঘটনায় আহত জোবেদা বেগমকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) প্রেরণ করলে, হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃতবরণ করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র