Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

চুয়াডাঙ্গায় শিশুদের দমাতে পারেনি বৃষ্টি

চুয়াডাঙ্গায় শিশুদের দমাতে পারেনি বৃষ্টি
শিশুদের ঈদ আনন্দ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
চুয়াডাঙ্গা


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের দ্বিতীয় দিন সকাল থেকেই চুয়াডাঙ্গাতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। যার ফলে ঈদের আনন্দে একটু ভাটা পড়ে বড়দের মাঝে। তবে দমাতে পারেনি ছোট্ট শিশুদেরকে। বিকেল শুরু হতেই চুয়াডাঙ্গার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের উপস্থিতি দেখা গেছে চোখে পড়ার মতো। শিশুদের সঙ্গে সঙ্গে বড়রাও এসেছে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সময় কাটাতে।

শহরের ফেরিঘাট রোডের শিশু স্বর্গে বিকেল থেকেই শিশুদের নিয়ে ঘুরতে আসে পরিবারের সদস্যরা। নাগরদোলা, চরকি আর দোলনায় চড়ে শিশুদের উচ্ছ্বাসে বিনোদন কেন্দ্রটির চারপাশ হয়ে ওঠে মুখরিত। ঘুরতে আসা শিশুরা অধিকাংশ বাইরে থেকে চুয়াডাঙ্গাতে বাবা মায়ের সঙ্গে ঈদ করতে এসেছে।

চুয়াডাঙ্গায় শিশুদের দমাতে পারেনি বৃষ্টি

শহরের পুলিশ পার্কে গিয়ে দেখা গেছে শিশুরা তাদের আনন্দ নিয়েই পার্কে মেতে বেড়াচ্ছে। বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী হরিণ খরগোশ বানরের সঙ্গে সেলফি, স্পিড বোটে পরিবারের সঙ্গে নদী ভ্রমণে দেখা গেছে শিশুদের।

চুয়াডাঙ্গায় শিশুদের দমাতে পারেনি বৃষ্টি

বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরতে আসা ছোট্ট শিশু সাইমা টাঙ্গাইল থেকে নানুর বাসা চুয়াডাঙ্গাতে প্রথম ঈদ করতে এসেছে। বাবার সঙ্গে বিকেলে ঘুরতে এসেছে পুলিশ পার্কে। সাইমা জানায়, সে দোলনা ট্রেনে চড়ে ভীষণ খুশি।

সাইমার মতোই টুসি চাচ্চুর সঙ্গে এসেছে বিনোদন কেন্দ্রে। সবার সাথে নৌকাতে চড়ে নদী দেখেছে সে।

চুয়াডাঙ্গায় শিশুদের দমাতে পারেনি বৃষ্টি

এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে শহরের বিএিডিসি এলাকা, স্টেডিয়াম সহ জেলার দামুড়হুদার ডিসি ইকো পার্কেও দেখা গেছে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। তবে আগত দর্শনার্থীরা বলছে, শিশুদের জন্যই তাদের ঘুরতে আসা।

আপনার মতামত লিখুন :

ছুটি শেষে চালু বুড়ীমারী স্থলবন্দর

ছুটি শেষে চালু বুড়ীমারী স্থলবন্দর
বুড়ীমারী স্থলবন্দর, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে টানা আটদিন বুড়িমারী স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকার পর স্থলবন্দরের কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে। তবে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপারে ঈদের ছুটিতেও বন্দর স্বাভাবিক ছিল বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০ টায় পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আমিন বাবুল এ তথ্য বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, উভয় দেশের যৌথ সিদ্ধান্তে পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে বন্দর ৮ দিন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। ঈদের ছুটি শেষ করে আবারও রোববার সকালে স্থলবন্দরের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (৯ আগস্ট) থেকে বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানি-রফতানি বন্ধ করা হয়।

বুড়িমারী ইমিগ্রেশন ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) খন্দকার মাহমুদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল। যে কারণে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা অনেকেই ভারতে ঘুরতে গেছেন। ভ্রমণ শেষে তারা দেশে ফিরতে শুরু করেছেন।’

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে জরুরি বৈঠক চলছে

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে জরুরি বৈঠক চলছে
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু নিয়ে জরুরি বৈঠক চলছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু নিয়ে জরুরি বৈঠক চলছে। আর এ বৈঠক করছেন প্রত্যাবাসন টাস্কফোর্সের কর্মকর্তারা।

রোববার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার শহরে অবস্থিত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে এ জরুরি বৈঠক শুরু হয়। বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ বৈঠক চলবে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালামের নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত আছেন (প্রত্যাবাসন টাস্কফোর্সের কর্মকর্তারা)- চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নুরুল আলম নেজামী, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, অতিরিক্ত আরআরসি শামসুদ্দৌজা নয়ন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এসএম সরওয়াল কামালসহ সেনাবাহিনী ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রতিনিধিরা।

বৈঠকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এর আগে আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণা দেয় মিয়ানমার সরকার।

বৈঠকে যাওয়ার সময় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যা যা প্রয়োজন সে বিষয়ে আলোচনা করব। সরকারের নির্দেশ যেভাবে রয়েছে তা আজকের বৈঠকে গুরুত্ব পাবে।’

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ১৫ নভেম্বর নির্ধারিত সময়ে রোহিঙ্গাদের প্রতিবাদের মুখে প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি। ওই সময় উখিয়ার ঘুমধুম ও টেকনাফের নাফ নদীর তীরে কেরুণতলী (নয়াপাড়া) প্রত্যাবাসন ঘাট নির্মাণ হয়েছিল। এর মধ্যে টেকনাফের প্রত্যাবাসন ঘাটে নির্মাণ করা প্যারাবনের ভেতর দিয়ে লম্বা কাঠের জেটি, ৩৩ আধাসেমি টিনের থাকার ঘর, চারটি শৌচাগার রয়েছে। সেখানে ১৬ আনসার ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পের সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে চলছে প্রস্তুতি!

                মিয়ানমারের আকস্মিক সিদ্ধান্তে বিস্মিত রোহিঙ্গারা

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র