Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

নরসিংদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীসহ নিহত ২

নরসিংদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীসহ নিহত ২
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
নরসিংদী


  • Font increase
  • Font Decrease

নরসিংদীর শিবপুরে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

নিহতরা হলেন- শিবপুর উপজেলার বৈলাব গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে রুপন মিয়া (৩৫) ও শিবপুর শহীদ আসাদ কলিজিয়েট গার্লস হাই স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদের মেয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী লামিয়া আক্তার (১৮)।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় নরসিংদী-মনোহরদী সড়কের শিবপুর উপজেলার পঁচারবাড়ি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শিবপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মনোহরদী থেকে শিবপুরগামী একটি সিএনজি শিবপুরের পঁচারবাড়ি নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা রয়েল পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়্।

এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই যাত্রী রুপন মিয়া মারা যান এবং চারজন যাত্রী আহত হন। আহতদের শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে মারা যান লামিয়া আক্তার।

আহতদের মধ্যে রহিম (৩৮) ও সিএনজিচালক মজিবুর রহমান (২৬) নামে দুইজনকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে এবং অপরজন নিহত লামিয়ার মা শিবপুর উপজেলার খালপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক আসমাউল হুসনাকে (৪২) গুরুতর আহতাবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

নিহতের সংবাদ পেয়ে শিবপুর কলেজ গেইটস্থ রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে ভাঙচুর চালিয়েছে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। ঘাতক বাসটিকে শিবপুর মডেল থানা পুলিশ আটক করেছে, ড্রাইভার পালিয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

শখের মোটরসাইকেলেই প্রাণ গেল কলেজছাত্রের

শখের মোটরসাইকেলেই প্রাণ গেল কলেজছাত্রের
নিহত ইব্রাহিম, ছবি: সংগৃহীত

শখের মোটরসাইকেল কেনার একদিন পরই দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ইব্রাহিম (১৭) নামের এক কলেজছাত্রের।

রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে ঘুম থেকে উঠে শখের মোটরসাইকেলটি নিয়ে ঘর থেকে বের হয় ইব্রাহিম। তাকে বেশিদূর যেতে হয়নি। বাড়ির সামনেই শহরের জেবি রোডে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ড্রেনের উপর পড়ে তিনি মাথায় আঘাত পান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত ইব্রাহীম লক্ষ্মীপুরের দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি ১ম বর্ষের ছাত্র।

নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এতে মুহূর্তেই হাসপাতাল এলাকা কলেজছাত্রের আত্মীয়-স্বজনদের কান্নায় ভারাক্রান্ত হয়ে উঠে। ভিড় জমে অন্যান্য রোগীর আত্মীয়-স্বজনদের।

শখের মোটরসাইকেলেই প্রাণ গেল কলেজছাত্রের

নিহতের স্বজনরা জানান, ইব্রাহিমের পিতা আবুল খায়ের সৌদি প্রবাসী। তিনি সম্প্রতি ছুটিতে দেশে এসেছেন। তারা লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাঞ্চানগর এলাকার বাসিন্দা। বিদেশ ফেরত বাবার কাছে ছেলে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরে। বাবাও ছেলের আবদার রক্ষায় শনিবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে মোটরসাইকেল কিনে দেন। কিন্তু সে ভালো করে মোটরসাইকেল চালাতেও পারত না।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, 'মোটরসাইকেল চালানোর সময় ছেলেটির মাথায় হেলমেট ছিল না। বেপরোয়া গতিতে চালাতে গিয়েই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ড্রেনের ওপর পড়ে যায়। এতে তার মৃত্যু হয়। তবে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়া নিয়ে পরিবারের সচেতন হওয়া উচিৎ ছিল।'

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রস্তুত বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রস্তুত বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার নুরুল আলম নেজামী। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার নুরুল আলম নেজামী।

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু নিয়ে এক জরুরি বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি। কক্সবাজার শহরে অবস্থিত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নুরুল আলম নেজামী বলেন, ‘২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শেষ করেছি। এখন শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে হয়তো এ কার্যক্রম আরও বাড়ানো হবে।’

প্রত্যাবাসন টাস্কফোর্সের কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, অতিরিক্ত আরআরসি শামসুদ্দৌজা নয়ন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এসএম সরওয়াল কামালসহ সেনাবাহিনী ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রতিনিধিরা।

বৈঠকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। এর আগে আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণা দেয় মিয়ানমার সরকার।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ১৫ নভেম্বর নির্ধারিত সময়ে রোহিঙ্গাদের প্রতিবাদের মুখে প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি। ওই সময় উখিয়ার ঘুমধুম ও টেকনাফের নাফ নদীর তীরে কেরুণতলী (নয়াপাড়া) প্রত্যাবাসন ঘাট নির্মাণ হয়েছিল। এর মধ্যে টেকনাফের প্রত্যাবাসন ঘাটে নির্মাণ করা প্যারাবনের ভেতর দিয়ে লম্বা কাঠের জেটি, ৩৩ আধাসেমি টিনের থাকার ঘর, চারটি শৌচাগার রয়েছে। সেখানে ১৬ আনসার ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পের সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে জরুরি বৈঠক চলছে

                রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে চলছে প্রস্তুতি!

                মিয়ানমারের আকস্মিক সিদ্ধান্তে বিস্মিত রোহিঙ্গারা

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র