ধারণ ক্ষমতার ৬ গুণ বন্দী মানিকগঞ্জ কারাগারে

খন্দকার সুজন হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, মানিকগঞ্জ
মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারের ফটক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারের ফটক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে ১০০ জন হাজতি-কয়েদির ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে ২০ জন নারী ও ৮০ জন পুরুষ। তবে বর্তমানে এই কাাগারে ধারণ ক্ষমতার ছয় গুণ বেশি হাজতি-কয়েদি রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) সকালে মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার একেএএম মাসুম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে ২০ নারী হাজতি-কয়েদির থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বর্তমানে রয়েছে মাত্র ১১ জন। আর ৮০ জন পুরুষের স্থলে রয়েছে ৬০৫ জন। কারাগারের মোট ৬১৬ জনের মধ্যে ১৯৩ জন কয়েদি। আর বাকিরা সবাই হাজতি।’

এদিকে, কারাগারের বর্তমান ব্যবস্থাপনা নিয়ে হাজিত-কয়েদিরা সন্তুষ্ট থাকলেও হাজিরার দিন দুপুরের খাবার নিয়ে বেশ বিপাকে পড়তে হয় বলে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন সদ্য জামিনে আসা একাধিক হাজতিরা। হাজিরার দিন দুপুরে খাবার হিসেবে বরাদ্দ থাকে ৩.৯৯ টাকার ৫০ গ্রাম চিড়া ও ০.০২৩৭ গ্রাম আঁখের গুড়। যা কিনা পরিমাণে খবুই সামান্য বলে মন্তব্য করেন তারা।

মাদক মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হাজতি জানান, হাজিরার দিন প্রায় অর্ধশত লোকের জন্য একটি পলিথিনে করে চিড়া আর গুড় দেওয়া হয়। আদালত থেকে কারাগারে যেতে রাত হয়ে যায়।

তাই হাজিরার দিন বেশ কষ্ট হয়ে যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ধারণ ক্ষমতার অধিক হাজতির বিষয়ে জানতে চাইলে জেলার মাসুম জানান, অধিক হাজতি-কয়েদিদের জন্য নতু্ন একটি তিন তলা ভবনের কাজ চলছে। ওই ভবনটি খুব শিগগিরই উদ্ভোধন হয়ে গেলে তাদের থাকার সমস্যাটা কমে আসবে।

হাজিরার দিন দুপুরের খাবার হিসেবে চিড়া-গুড়ের বিষয়ে সিনিয়র কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে নুতন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :