হাসপাতালের বর্জ্য শোধনাগার সংস্কারে নেই উদ্যোগ!

অভিজিৎ ঘোষ, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, টাঙ্গাইল, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
হাসপাতালের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে খোলা জায়গায়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

হাসপাতালের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে খোলা জায়গায়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর সরকারি হাসপাতালের বর্জ্য শোধনাগার নির্মিত হলেও দীর্ঘদিন এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। কিন্তু শোধনাগারটি সংস্কারে উদ্যোগ নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। ফলে হাসপাতালের বর্জ্য বাইরে ফেলা হচ্ছে। এতে শোধনাগারটিই এখন বর্জ্যে পরিণত হয়েছে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছেন রোগীরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/29/1567080264047.jpg

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ব্যবহার না করায় আধাপাকা ঘরের টিনের চালে গাছের পাতা জমে মরিচা ধরেছে। এতে চালও ভেঙ্গে পড়েছে। চারপাশে জরাজীর্ণ অবস্থায় জঙ্গলে ঢেকে রয়েছে। এছাড়া দেয়ালে লতাপতা আচ্ছন্ন হয়ে আছে। এছাড়া হাসপাতালের নিয়মিত বর্জ্য ফেলা হচ্ছে হাসপাতালের রাস্তার উপর। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বর্জ্য অপসারণে পৌর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/29/1567080131035.jpg

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আইসিডিডিআর’বি কর্তৃক উপজেলা সরকারি হাসপাতালে বর্জ্য শোধনাগার নির্মিত হয়। হাসপাতালে ব্যবহৃত সুই, সিরিঞ্জ, ওষুধের মোড়ক, স্যালাইনের ব্যাগ, ব্যান্ডেজ, গজসহ বিভিন্ন বর্জ্য এই শোধনাগারে ফেলা হতো। আবার এই বর্জ্যগুলো কোনটা কিভাবে শোধন করে ধ্বংস করা হবে সে বিষয়েও আইসিডিডিআর’বি হাসপাতালের পাঁচ কর্মীকে প্রশিক্ষণও দেয়। কিন্তু হাসপাতালে শোধনাগার নির্মাণ ও প্রশিক্ষণ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে এই কার্যক্রম।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহীউদ্দিন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'এ হাসপাতালের বর্জ্য অপসারণের জন্য পৌরসভার দায়িত্ব প্রাপ্তদের কয়েকবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা বর্জ্য অপসারণ করছেন না। শোধনাগারটি দীর্ঘদিন ব্যবহার না করায় এ চাল ভেঙে গেছে। শিগগিরই শোধনাগারটি মেরামত করে ব্যবহারের উপযোগী করা হবে।' 

আপনার মতামত লিখুন :