জালিয়াতির অভিযোগে আইনজীবী কারাগারে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, মানিকগঞ্জ
ছবি: প্রতীকী

ছবি: প্রতীকী

  • Font increase
  • Font Decrease

একটি মামলার আদেশ নামা, আরজি, স্বাক্ষর জাল ও নকল সিল তৈরি করার অভিযোগে মানিকগঞ্জের এক সিনিয়র আইনজীবী ও তার সহকারীকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মানিকগঞ্জ সদর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহমেদ এ আদেশ দেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে ওই আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল করিমসহ তার সহকারীর বিরুদ্ধে দুইদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। পরে আদালত আইনজীবীর সহকারী মো. মহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এছাড়া আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল করিমকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুমতি দেয়া হয়।

মানিকগঞ্জ জেলা জজ আদালতের নকলকারক কাজী গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে ওই দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের পাশে আব্দুল্লাহের দোকানে দাপ্তরিক কাজে ফটোকপি করতে যান কাজী গিয়াস উদ্দিন। এ সময় ওই দোকানে ঘিওর উপজেলার পুখরিয়া গ্রামের চিকুন্দির ছেলে বারেক বেশ কিছু কাগজপত্র ফটোকপি করান। ওই কাগজে বিচারকের স্বাক্ষর জালের বিষয়টি দেখতে পান কাজী গিয়াস উদ্দিন। বারেককে জিজ্ঞাসাবাদ করে তিনি জানতে পারেন ওই কাগজপত্রগুলো তাকে ফটোকপি করার জন্য অ্যাডভোকেট আব্দুল করিম ও আইনজীবীর সহকারী মো. মহিদুল ইসলাম দিয়েছেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন কাজী গিয়াস উদ্দিন।

মানিকগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো জানান, জাল জালিয়াতি করে কাগজপত্র তৈরি করা একটি জঘন্যতম অপরাধ। এতে আইনজীবীদের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার রাতে মানিকগঞ্জ জেলা জজ আদালতের নকলকারক কাজী গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। বুধবার সকালে আসামি অ্যাডভোকেট আব্দুল করিম ও আইনজীবীর সহকারী মো. মহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে দুইদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত ওই রায় দিয়ে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন :