ভারতে ফেসবুকের প্রতিদ্বন্দ্বী টিকটক!

টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফেসবুক ও টিকটক/ ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুক ও টিকটক/ ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যবহারকারীর দিক দিয়ে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও চীনের তৈরি সংক্ষিপ্ত ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকের মধ্যে চলছে নীরব প্রতিযোগিতা। আর এই দুই টেক জায়ান্টের বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারী ভারতের জনগোষ্ঠী।

ভারতের সেন্সর টাওয়ার-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের (২০১৯) প্রথম তিন মাসে ভারতে সবেচেয়ে বেশি ডাউনলোড করা অ্যাপের দিক থেকে ফেসবুককে ছাড়িয়ে গেছে টিকটক। টিকটকের বিশ্বব্যাপী ১৮৮ মিলিয়ন ডাউনলোডের মধ্যে ৪৭ শতাংশই ডাউনলোড হয়েছে ভারতে।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালে ফেসবুক ছিল দ্বিতীয় অবস্থানে সবেচেয়ে ডাউনলোডের দিক দিয়ে। সেই সময় ১৭৬ মিলিয়ন ডাউনলোডের ২১ শতাংশই ভারত থেকে ডাউনলোড হয়েছে। তবে ২০১৮ সালের শেষের দিকে ফেসবুক সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হয়েছে। মূলত টিকটক মুঠোফোনে ব্যবহৃত হয়, সেদিক থেকে ফেসবুক ডেক্সটপেও ব্যবহৃত হয় বলে স্বাভাবিকভাবে এর গ্রাহক সংখ্যা টিকটকের থেকে বেশি।

সম্প্রতি টিকটক এক বিবৃতিতে জানায়, ভারতের বাজারে একটি বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে। বর্তমানে ২০০-৪০০ মিলিয়ন মানুষ প্রথম অবস্থায় টিকটক ব্যবহার করছে।

জার্মানভিত্তিক ডেটাবেজ কোম্পানি স্ট্যাটিস্টা অনুসারে, ভারতে ফেসবুকের ৩০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছেন। অন্যদিকে টিকটকের ২০০ মিলিয়ন ও ১২০ মিলিয়ন সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে ভারতে।

ফেসবুকের বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারী বিজ্ঞাপনের জন্য ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন, যেখানে টিকটক প্রধানত বিনোদনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু এ দুটো মাধ্যমের বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী ও প্রথম সারির ব্যবহারকারী হচ্ছেন তরুণ প্রজন্মের।

ভারতীয় মিডিয়া এক্সপার্ট শেখর শার্মা বলেন, ‘ভারতের ৫০ শতাংশ মানুষ ২৫ বছরের নিচে এবং টিকটক ব্যবহারের দিক থেকে তরুণদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে তাদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ড তুলে ধরার জন্য।’

ব্র্যান্ড কনসালটেন্ট হ্যারিশ বিজোর বলেন, ‘টিকটক সবার থেকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে। কিন্তু সেখানে ফেসবুকও অবশ্যই থাকবে। আর এই বাজারে রাজত্ব করতে হলে বিশ্বের সবচয়ে বড় দুই মার্কেট ভারত ও চীনে তরুণ প্রজন্ম কেন্দ্রিক পণ্য তৈরি করতে হবে। আর এক্ষেত্রে টিকটক তার একটি বড় উদাহরণ।

সম্প্রতি টিকটককে টেক্কা দিতে ফেসবুক ‘ল্যাসো’ নামের একটি অ্যাপ টিকটকের আদলে তৈরি করেছিল। কিন্তু তা ব্যবহারকারীদের মাঝে তেমন জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেনি।

সূত্র: গ্যাজেটস নাও।

আপনার মতামত লিখুন :